Lawzana Lawzana Logo
আইনজীবী খুঁজুন

বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা মধ্যস্থতা ও সালিশ (এডিআর) আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Equity Law House
ঢাকা, বাংলাদেশ

2014 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 15জন
Bengali
English
মোকদ্দমা এবং বিরোধ মধ্যস্থতা ও সালিশ (এডিআর) অ্যান্টিট্রাস্ট মামলা আরও +12
Welcome to Equity Law House. We are the best litigation law firm in Bangladesh. Our expertise spans civil and commercial litigation, arbitration, and mediation, as well as labor and employment rights, and admiralty and maritime litigation. Our experience spans multiple domains. 
Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
অ্যাডভোকেট রাসেল বিশ্বাস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস - চট্টগ্রাম ও ঢাকা ভিত্তিক একটি স্বনামধন্য ল ফার্ম  জনাব রাসেল...
Tobarrak Law Chamber
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 4জন
English
Bengali
Tobarrak Law Chamber is a law firm in Bangladesh with an international clientele. From Bangladesh to England, Saudi Arabia to Hungary, Ireland to Canada, Australia to Scotland, Singapore to the UAE—and beyond—we serve clients across borders with locally grounded, globally informed legal...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
Matin Sarkaer Mishuk
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2016 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 9জন
Bengali
English
Hindi
Urdu
Matin Sarkaer Mishuk is a well-known property lawyer in Dhaka, recognized for his expertise in real estate law, banking, corporate practice, and family legal matters. As a registered advocate of the Supreme Court of Bangladesh and the head of the law firm Ain Bisharod, Mishuk has established a...
Stellar Chambers
ঢাকা, বাংলাদেশ

1974 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 20জন
Bengali
English
Stellar Chambers | Full-Service Law Firm in Bangladesh | Corporate, Litigation & Commercial LawyersWe are a full-service law firm in Bangladesh offering strategic, efficient, and cost-effective legal solutions across corporate, transactional, and litigation matters. Over the years, we have...
Advocate Rashedujjaman Rashed
নীলফামারী, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2016 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
English
Bengali
Hindi
Urdu
Advocate Rashedujjaman Rashed (01785460085) is a practicing lawyer based in Nilphamari, Bangladesh, providing legal services for individuals, families, and businesses across Bangladesh. He regularly appears before the District & Sessions Judge Court, Nilphamari, and advises clients on a wide...
PREMIUM LEGAL AND CONSULTANCY FIRM
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2021 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 3জন
English
Bengali
Our heartiest welcome goes to you. Let us allow to introduce ourselves. PREMIUM LEGAL AND CONSULTANCY FIRM is a full service law chambers where we work to ensure justice for our respected clients. We are located at Khilgaon in Dhaka, which is very close to the National Board of Revenue and...
Tanjib Alam and Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Tanjib Alam and Associates is a fully fledged law firm in Bangladesh consisting of associates with vast experience in corporate and commercial practice in Bangladesh. Tanjib Alam and Associates takes pride in serving its clients and is one of the very few law firms in Bangladesh who has a strong...
Spark Advocates Nilphamari
নীলফামারী, বাংলাদেশ

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
Hindi
English
স্পার্ক অ্যাডভোকেটস | নীলফামারীর একটি নির্ভরযোগ্য আইন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান আমাদের সম্পর্কে / সংক্ষিপ্ত বিবরণ আমরা...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

বাংলাদেশ মধ্যস্থতা ও সালিশ (এডিআর) আইনি আর্টিকেল

আমাদের 1টি আইনি আর্টিকেল মধ্যস্থতা ও সালিশ (এডিআর) বিষয়ে (স্থান: বাংলাদেশ) ব্রাউজ করুন, যেখানে রয়েছে ব্যবহারিক আইনি তথ্য.

বাংলাদেশে বাণিজ্যিক চুক্তি বিরোধ - লিটিগেশন বনাম ADR গাইড
মধ্যস্থতা ও সালিশ (এডিআর)
সংক্ষেপে মূল বিষয়সমূহ দেওয়ানি আদালতে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে গড়ে ৫ থেকে ১০ বছর বা তার বেশি সময় লাগে; প্রাতিষ্ঠানিক বা অ্যাড-হক আরবিট্রেশনে সাধারণত ৬ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত রায় পাওয়া সম্ভব। অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ সালিশি ক্লজ পুরো প্রক্রিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী দেওয়ানি মামলার মুখে ঠেলে দেয়। চুক্তির শুরুতেই সিট (Seat), ভেন্যু...

বাংলাদেশে মধ্যস্থতা ও সালিশ কীভাবে কাজ করে এবং কখন আইনজীবী দরকার

বাংলাদেশে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান পদ্ধতি হলো মধ্যস্থতা, সালিশ এবং আপস-আলোচনা। আদালতে মামলা চলাকালীন বা মামলা করার আগেও পক্ষগুলো মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীর সহায়তা নিতে পারে।

মধ্যস্থতায় নিরপেক্ষ ব্যক্তি পক্ষগুলোর সমঝোতার পথ তৈরি করেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না। সালিশে পক্ষগুলোর চুক্তি ও প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে সালিশকারী সিদ্ধান্ত দেন, যা নির্দিষ্ট শর্তে আদালতে কার্যকর করা যায়।

চুক্তিতে সালিশি ধারা থাকলে বিরোধ আদালতের পরিবর্তে সালিশে পাঠাতে হতে পারে। লিখিত চুক্তি, নোটিশ, প্রমাণ, দাবি-জবাব এবং নিষ্পত্তির শর্ত সঠিকভাবে প্রস্তুত করা এই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কোন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে আইনজীবীর সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে

  • চুক্তিতে সালিশি ধারা থাকলে: ধারা কার্যকর কি না, সালিশকারীর নিয়োগ এবং আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আইনগত মতামত দরকার হতে পারে।
  • ব্যবসায়িক বা নির্মাণ বিরোধে: বিল, কাজের মান, বিলম্ব, ক্ষতিপূরণ এবং চুক্তি ভঙ্গের দাবি নথিভুক্ত করতে আইনজীবীর সহায়তা কাজে লাগে।
  • জমি বা অংশীদারি বিরোধে: দলিল, খতিয়ান, দখল, বণ্টন এবং অংশীদারি হিসাব যাচাই করে সমঝোতার সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন হতে পারে।
  • পারিবারিক বিরোধে: দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব বা বিবাহবিচ্ছেদ-সংক্রান্ত সমঝোতা আইনসম্মতভাবে লিখতে আইনজীবী দরকার হতে পারেন।
  • আদালতের মামলায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব এলে: সমঝোতার প্রভাব, দাবি প্রত্যাহার, অর্থপ্রদান এবং ডিক্রি বা আদেশের শর্ত বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ।
  • সালিশি রায় চ্যালেঞ্জ বা কার্যকর করতে হলে: রায় বাতিলের আবেদন, আপত্তি, ডিক্রি হিসেবে বাস্তবায়ন এবং সময়সীমা সম্পর্কে দ্রুত আইনি পরামর্শ প্রয়োজন।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধান

সালিশ আইন, ২০০১: এই আইন বাংলাদেশে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সালিশ, সালিশকারীর নিয়োগ, কার্যপ্রণালি, সালিশি রায় এবং রায় কার্যকরের কাঠামো নির্ধারণ করে। আইনটি ২০০১ সালে প্রণীত এবং জাতীয় সালিশি প্রক্রিয়ার প্রধান আইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৮৯এ, ৮৯বি ও ৮৯সি ধারা: আদালত-সংযুক্ত মধ্যস্থতা, সালিশ এবং আপসের সুযোগ দেওয়ার জন্য এসব বিধান ব্যবহৃত হয়। মামলা কোন পর্যায়ে মধ্যস্থতায় যাবে, তা আদালতের কার্যক্রম ও মামলার ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০: আর্থিকভাবে অসচ্ছল বা নির্দিষ্ট যোগ্যতার ব্যক্তিদের সরকারি আইনগত সহায়তা দেওয়ার ভিত্তি এই আইন। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এর অধীনে আইনগত সহায়তা ও বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ পরিচালনা করে।

মধ্যস্থতা ও সালিশ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন

মধ্যস্থতা ও সালিশের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

মধ্যস্থতাকারী পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা তৈরি করেন, কিন্তু সাধারণত নিজে বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত দেন না। সালিশকারী পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রমাণ বিবেচনা করে সালিশি রায় দিতে পারেন।

মামলা করার আগে মধ্যস্থতা করা যায় কি?

হ্যাঁ, পক্ষগুলো মামলা করার আগেই স্বেচ্ছায় মধ্যস্থতায় বসতে পারে। লিখিত সমঝোতা হলে তার শর্ত, স্বাক্ষর এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতি স্পষ্ট রাখা উচিত।

চুক্তিতে সালিশি ধারা না থাকলে সালিশ করা সম্ভব কি?

সাধারণত সালিশের জন্য পক্ষগুলোর সম্মতি বা বৈধ সালিশি চুক্তি প্রয়োজন। বিরোধ শুরু হওয়ার পরও পক্ষগুলো আলাদা লিখিত চুক্তির মাধ্যমে সালিশে যেতে পারে।

মধ্যস্থতায় আইনজীবী থাকা কি বাধ্যতামূলক?

সব ক্ষেত্রে আইনজীবী থাকা বাধ্যতামূলক নয়। তবে সম্পত্তি, বড় অঙ্কের অর্থ, ব্যবসায়িক দায় বা ভবিষ্যৎ মামলা জড়িত থাকলে আইনজীবী সমঝোতার ঝুঁকি কমাতে পারেন।

মধ্যস্থতার খরচ কে বহন করে?

মধ্যস্থতাকারীর পারিশ্রমিক ও প্রশাসনিক খরচ পক্ষগুলো সমানভাবে বা সম্মত অনুপাতে বহন করতে পারে। আইনজীবীর ফি আলাদা এবং তা কাজের পরিমাণ, শুনানির সংখ্যা ও বিরোধের জটিলতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।

সালিশি প্রক্রিয়া শেষ হতে কত সময় লাগে?

সহজ বিরোধ কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসে শেষ হতে পারে। পক্ষগুলোর নথি, সাক্ষ্য, সালিশকারীর নিয়োগ, শুনানির সংখ্যা এবং আদালতে আপত্তি থাকলে সময় অনেক বাড়তে পারে।

মধ্যস্থতার আলোচনায় বলা কথা কি পরে আদালতে ব্যবহার করা যায়?

মধ্যস্থতার গোপনীয়তা প্রযোজ্য কি না, তা সংশ্লিষ্ট বিধান, আদালতের নির্দেশ এবং পক্ষগুলোর চুক্তির ওপর নির্ভর করে। সমঝোতা না হলে আলোচনায় করা স্বীকারোক্তি বা প্রস্তাব ব্যবহারের বিষয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সালিশি রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়া যায় কি?

সালিশি রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ আপিলের সুযোগ সীমিত হতে পারে। সালিশ আইন, ২০০১-এর নির্ধারিত grounds এবং সময়সীমার মধ্যে রায় বাতিল বা আপত্তির আবেদন করতে হয়।

সালিশি রায় কীভাবে কার্যকর করা হয়?

রায় স্বেচ্ছায় মানা না হলে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া যায়। রায়ের ধরন, পক্ষগুলোর অবস্থান এবং প্রয়োজনীয় নথির ওপর প্রক্রিয়াটি নির্ভর করে।

বাংলাদেশে বিদেশি পক্ষ থাকলে সালিশ করা যায় কি?

বিদেশি পক্ষ, বিদেশি চুক্তি বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেন থাকলে আন্তর্জাতিক সালিশের বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। সালিশের স্থান, প্রযোজ্য আইন, ভাষা এবং রায় কার্যকরের দেশ আগে নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি আইনগত সহায়তা থেকে মধ্যস্থতার সুবিধা পাওয়া যায় কি?

যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে সরকারি আইনগত সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা ও জেলা আইনগত সহায়তা অফিস মামলার ধরন এবং আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সহায়তা বিবেচনা করে।

মধ্যস্থতায় সমঝোতা হলে মামলা কি সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়?

সমঝোতার শর্ত লিখিতভাবে রেকর্ড করা এবং আদালতের প্রয়োজনীয় আদেশ নেওয়া লাগতে পারে। টাকা পরিশোধ, দলিল হস্তান্তর, মামলা প্রত্যাহার বা অন্যান্য কাজের সময়সীমা চুক্তিতে স্পষ্ট করা উচিত।

বাংলাদেশের সরকারি ও আনুষ্ঠানিক সহায়তার উৎস

  • জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা: অসচ্ছল ও যোগ্য ব্যক্তিদের আইনগত সহায়তা, আইনজীবী নিয়োগ এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়তার ব্যবস্থা করে। জেলা পর্যায়ে আইনগত সহায়তা অফিসের মাধ্যমেও আবেদন করা যায়।
  • বাংলাদেশ বার কাউন্সিল: আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি, পেশাগত নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলামূলক বিষয় পরিচালনা করে। আইনজীবীর সনদ ও পেশাগত অবস্থান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক কর্তৃপক্ষ।
  • বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট: উচ্চ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম, প্রাসঙ্গিক রায় এবং আদালত-সংযুক্ত মধ্যস্থতা সম্পর্কিত নির্দেশনা বা বিধান সম্পর্কে সরকারি তথ্যের উৎস।

মধ্যস্থতা ও সালিশের আইনজীবী নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. বিরোধের নথি সংগ্রহ করুন: চুক্তি, নোটিশ, বিল, দলিল, খতিয়ান, আদালতের আদেশ এবং যোগাযোগের কপি একত্র করুন। সাধারণত এক থেকে তিন দিনের মধ্যে একটি তারিখভিত্তিক নথি তালিকা তৈরি করা যায়।
  2. সালিশি ধারা বা মধ্যস্থতার শর্ত যাচাই করুন: চুক্তিতে সালিশি ধারা, সালিশের স্থান, ভাষা, নিয়োগ পদ্ধতি এবং প্রযোজ্য আইন উল্লেখ আছে কি না দেখুন। অস্পষ্টতা থাকলে আইনজীবীর লিখিত মতামত নিন।
  3. উপযুক্ত আইনজীবীর সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করুন: দেওয়ানি, বাণিজ্যিক, শ্রম, পারিবারিক বা ভূমি বিরোধে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা আছে এমন আইনজীবী খুঁজুন। আইনজীবীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তি এবং আদালত বা সালিশে কাজের অভিজ্ঞতা যাচাই করুন।
  4. প্রাথমিক পরামর্শ নিন: এক বা দুইটি বৈঠকে দাবি, সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা, এখতিয়ার, প্রমাণ এবং সমঝোতার সীমা আলোচনা করুন। এই পর্যায়েই লিখিত মতামত, নোটিশ বা সালিশের আবেদন প্রয়োজন কি না নির্ধারণ করা যায়।
  5. ফি ও কাজের পরিধি লিখিতভাবে ঠিক করুন: পরামর্শ, নোটিশ, মধ্যস্থতার প্রতিটি বৈঠক, সালিশি শুনানি, নথি প্রস্তুতি এবং আদালতের আবেদন আলাদা করে উল্লেখ করুন। আইনজীবীর ফি, মধ্যস্থতাকারীর পারিশ্রমিক ও অন্যান্য খরচ কে বহন করবে তাও লিখুন।
  6. প্রক্রিয়ার সময়সূচি নির্ধারণ করুন: নোটিশ পাঠানো, জবাব, মধ্যস্থতার বৈঠক, সালিশকারীর নিয়োগ এবং নথি জমার সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করুন। জরুরি নিষেধাজ্ঞা বা সম্পদ সুরক্ষার প্রয়োজন থাকলে প্রথম বৈঠকেই তা জানান।
  7. সমঝোতা বা রায় বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করুন: সমঝোতায় অর্থপ্রদান, দলিল, দখল, মামলা প্রত্যাহার এবং ব্যর্থ হলে পরবর্তী পদক্ষেপের সময়সীমা রাখুন। সালিশি রায় হলে তা স্বেচ্ছায় পালন না করার ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে কার্যকরের প্রস্তুতি নিন।

যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, মধ্যস্থতা ও সালিশ (এডিআর) সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।