ঢাকা-ভিত্তিক সেরা অ্যান্টিট্রাস্ট আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
ঢাকা, বাংলাদেশ-এর অ্যান্টিট্রাস্ট আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 11টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 11
- 11-এর মধ্যে 11টির শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2018
- 11 ফার্মের মধ্যে 7টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 6–20
- 11 ফার্মের মধ্যে 6টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 4
- 11 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 5
- 11 ফার্মের মধ্যে
তাদের অফিস কোথায়
এই তালিকায় 11টি অফিস
সবগুলো 11টি ঠিকানা দেখান
- I. H. Khan & Associates · Suites # 11, 12, Planners Tower, Level - 14, Sonargaon Road, Dhaka 1000, Bangladesh
- Tuhin & Partners · Office No. 305 (2nd floor), 3/B, Purana Paltan
- VisionaryiP Alliance · Green Heaven, 3/4 B, Purana Paltan,
- Legal Counsel BD · Momtaz Vision, (Suite – B4, Level 2), House-11/A, Road-99, Gulshan-2, Dhaka-1212, Bangladesh.
- The justice corner · 37/2, Purana Paltan Pritom - Zaman Tower, Level: 11, Suit No. 1207, Dhaka - 1000, Bangladesh
- F Ahmed & Co, Chartered Accountants · 3rd Floor, House 198-200, Road 2 Avenue 3, Dhaka 1216, Bangladesh
- eTaxReturn · House # 276 Lane # 04, Dhaka 1206, Bangladesh
- Ainun Nahar & Co. Chartered Accountants · RC2F+JMX, Dhaka 1212, Bangladesh
- Rahman Law Associates · Suite 4A, Level 4, “Nirman Samad Trade Centre”, 63/1 Pioneer Road, Kakrail, Dhaka 1000
- Snehasish Mahmud & Co., Chartered accountant · House 10, Aziza Niloy, Third Floor, Road 9 Baridhara J Block, Dhaka 1212, Bangladesh
- MHK Panacea Legal · Suite-3F House, Zaman Tower, Hafiz's Dream, Purana Paltan, Dhaka 1000, Bangladesh
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- English 4টি ফার্ম
- Bengali 4টি ফার্ম
- Japanese 1টি ফার্ম
- Hindi 1টি ফার্ম
- Urdu 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 7টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 5টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 1টি ফার্ম
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 4টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 1978 সালের; মধ্যমা 2018।
তাদের দল কত বড়
- 6 থেকে 20 জন 4টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 1টি ফার্ম
- 51 জন বা তার বেশি 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 5টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
ঢাকায় প্রতিযোগিতা আইন প্রয়োগের বাস্তব চিত্র
ঢাকায় প্রতিযোগিতা আইন মূলত বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ, কারসাজি, যোগসাজশ এবং প্রতিযোগিতা ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন ব্যবসায়িক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। সরবরাহকারী, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং সরকারি বা বেসরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় এসব বিষয় দেখা দিতে পারে।
কোনো অভিযোগ বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সামনে তোলা, কমিশনের নোটিশের জবাব দেওয়া, তথ্য-প্রমাণ প্রস্তুত করা এবং পরবর্তী প্রতিকার চাওয়ার ক্ষেত্রে ঢাকাভিত্তিক আইনজীবী সহায়তা দিতে পারেন। ব্যবসার চুক্তি, বাজারের অংশীদারত্ব, মূল্যতথ্য, দরপত্রের নথি এবং ই-মেইল সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়।
কখন প্রতিযোগিতা আইনজীবীর প্রয়োজন হতে পারে
- প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসাগুলো একই সময়ে মূল্য, সরবরাহের শর্ত বা বাজার ভাগাভাগি ঠিক করেছে বলে সন্দেহ হলে।
- কোনো বড় সরবরাহকারী পরিবেশককে অন্য পণ্য রাখা, নির্দিষ্ট দামে বিক্রি করা বা অযৌক্তিকভাবে সরবরাহ বন্ধ করতে বাধ্য করলে।
- প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান প্রতিদ্বন্দ্বীকে বাজারে ঢুকতে বাধা দিতে একচেটিয়া চুক্তি, বর্জন বা ক্ষতিসাধনমূলক মূল্যনীতি ব্যবহার করলে।
- সরকারি বা বেসরকারি দরপত্রে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে আগে থেকেই দর, এলাকা বা কাজ ভাগ করার প্রমাণ পাওয়া গেলে।
- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন থেকে নোটিশ, তদন্ত-সংক্রান্ত প্রশ্ন, শুনানির তলব বা তথ্য দাখিলের নির্দেশ এলে।
- কোনো অধিগ্রহণ, যৌথ উদ্যোগ বা দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি বাজারে প্রতিযোগিতা কমাতে পারে বলে ব্যবসায়িক ঝুঁকি দেখা দিলে।
ঢাকায় প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধান
প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২: এটি বাংলাদেশে প্রতিযোগিতা-বিরোধী চুক্তি, প্রভাবশালী অবস্থানের অপব্যবহার এবং প্রতিযোগিতার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা আচরণ মোকাবিলার প্রধান আইন। ২০১২ সালে আইনটি প্রণীত হওয়ার পর বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন এর অধীন কাজ করছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯: ভোক্তাকে প্রতারণামূলক মূল্য, ভেজাল, মিথ্যা উপস্থাপন এবং অনিয়ম থেকে সুরক্ষা দিতে এই আইন প্রযোজ্য। একই ঘটনায় বাজার-প্রতিযোগিতা ও ভোক্তা অধিকার উভয় দিক থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার আলাদা করে বিশ্লেষণ করতে হয়।
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪: কোম্পানির পরিচালনা, চুক্তি, অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত কর্পোরেট সিদ্ধান্ত এবং পরিচালকদের দায়িত্বের কাঠামো এই আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। কোনো লেনদেন প্রতিযোগিতা কমানোর পাশাপাশি কোম্পানি-আইনের অনুমোদন বা প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রশ্নও তৈরি করতে পারে।
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
প্রতিযোগিতা আইন বলতে কী বোঝায়?
এটি এমন আইন, যা বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নষ্ট করে এমন চুক্তি ও ব্যবসায়িক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। একচেটিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার, যোগসাজশ এবং বাজারে প্রবেশে অযৌক্তিক বাধা এর আওতায় আসতে পারে।
ঢাকায় প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত অভিযোগ কোথায় করা যায়?
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন প্রতিযোগিতা-বিরোধী আচরণ নিয়ে অভিযোগ ও তদন্তের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগের সঙ্গে চুক্তি, মূল্যতথ্য, দরপত্রের নথি, যোগাযোগের রেকর্ড এবং ক্ষতির বিবরণ দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
অভিযোগ করার আগে আইনজীবী নিয়োগ কি বাধ্যতামূলক?
সাধারণত আইনজীবী ছাড়া অভিযোগ বা তথ্য জমা দেওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে জটিল বাজারতথ্য, বাণিজ্যিক গোপনীয়তা এবং আইনি যুক্তি থাকলে শুরুতেই আইনজীবীর পরামর্শ ভুল পদক্ষেপ কমাতে পারে।
ছোট ব্যবসাও কি প্রতিযোগিতা আইনের অধীন?
হ্যাঁ, প্রতিষ্ঠানের আকার একমাত্র বিবেচ্য নয়। ছোট ব্যবসাও যোগসাজশ, বিভ্রান্তিকর সরবরাহ-শর্ত বা প্রতিযোগীকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থায় জড়িত হলে আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের নোটিশ পেলে কী করা উচিত?
নোটিশের সময়সীমা, চাওয়া তথ্য এবং শুনানির তারিখ দ্রুত যাচাই করা উচিত। নথি গোপন বা পরিবর্তন না করে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যের তালিকা, লিখিত জবাব এবং প্রয়োজনীয় গোপনীয়তার দাবি প্রস্তুত করা নিরাপদ।
এ ধরনের মামলায় কী প্রমাণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
চুক্তি, মূল্যতালিকা, দরপত্র, বিক্রয়-তথ্য, পরিবেশক চিঠিপত্র, ই-মেইল এবং বৈঠকের নথি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সময়ের বাজারদর, সরবরাহের পরিবর্তন এবং প্রতিযোগীর আচরণের তুলনামূলক তথ্যও সহায়ক হয়।
প্রতিযোগিতা আইনের আইনজীবীর খরচ কত?
বাংলাদেশে এ ধরনের কাজের জন্য একক সরকারি ফি নির্ধারিত নেই। পরামর্শ, অভিযোগ প্রস্তুতি, কমিশনের তদন্ত, শুনানি এবং আপিলের ধাপ অনুযায়ী পেশাগত ফি, নথি ব্যয় এবং বিশেষজ্ঞের খরচ আলাদা হতে পারে।
একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি হতে কত সময় লাগে?
সময় নির্ভর করে অভিযোগের জটিলতা, পক্ষগুলোর সংখ্যা, নথির পরিমাণ এবং কমিশনের তদন্তের ওপর। প্রাথমিক পরামর্শ কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে, কিন্তু তদন্ত ও শুনানি কয়েক মাস বা তারও বেশি সময় নিতে পারে।
ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষরের আগে আইনজীবী নেওয়া যায় কি?
অবশ্যই। মূল্য নির্ধারণ, একচেটিয়া সরবরাহ, অঞ্চল ভাগ, বর্জন, পুনর্বিক্রয়-শর্ত এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে যোগাযোগের ঝুঁকি চুক্তির আগে পর্যালোচনা করা যায়।
প্রতিযোগিতা আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনের মধ্যে পার্থক্য কী?
প্রতিযোগিতা আইন বাজারের কাঠামো ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর জোর দেয়। ভোক্তা অধিকার আইন সাধারণত পণ্য, সেবা, মূল্য, প্রতারণা এবং ভোক্তার সরাসরি ক্ষতি নিয়ে কাজ করে; একই ঘটনায় দুই ধরনের বিষয় একসঙ্গে থাকতে পারে।
কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায় কি?
আইনে নির্ধারিত আপিল বা বিচারিক পর্যালোচনার পথ প্রযোজ্য হতে পারে। সিদ্ধান্তের ধরন, আদেশের তারিখ এবং বর্তমান বিধান দেখে আইনজীবী সঠিক ফোরাম, সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারণ করবেন।
ঢাকার সরকারি ও আনুষ্ঠানিক সহায়ক সংস্থা
- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন: প্রতিযোগিতা-বিরোধী আচরণ নিয়ে অভিযোগ, তদন্ত, শুনানি এবং আইন প্রয়োগের কাজ করে।
- জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর: ভোক্তা প্রতারণা, অতিরিক্ত মূল্য, ভেজাল এবং সেবা-সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ করে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়: বাণিজ্যনীতি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামোর দায়িত্বে থাকা সরকারি মন্ত্রণালয়। প্রতিযোগিতা ও বাজারসংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে এর ভূমিকা থাকতে পারে।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম এক থেকে তিন দিনের মধ্যে সমস্যাটি লিখে নিন: কোন বাজার, কোন প্রতিষ্ঠান, কী আচরণ, কখন ঘটেছে এবং কী ক্ষতি হয়েছে।
- চুক্তি, চালান, দরপত্র, মূল্যতালিকা, ই-মেইল, বার্তা এবং কমিশনের নোটিশ আলাদা করে সংরক্ষণ করুন। মূল নথি বদলাবেন না এবং প্রয়োজন হলে তারিখসহ কপি রাখুন।
- প্রতিযোগিতা আইন, বাণিজ্যিক বিরোধ এবং কমিশনের কার্যক্রমে কাজ করেন এমন দুই বা তিনজন আইনজীবীর সঙ্গে প্রাথমিক পরামর্শ নিন। সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক মতামত পাওয়া যায়।
- আইনজীবীর কাছে কমিশনের অভিজ্ঞতা, সম্ভাব্য প্রতিকার, ঝুঁকি, প্রয়োজনীয় প্রমাণ এবং আপনার পক্ষে বা বিপক্ষে থাকা তথ্য সম্পর্কে লিখিত ব্যাখ্যা চান।
- পরামর্শ, অভিযোগ, তদন্ত, শুনানি এবং আপিলের জন্য আলাদা ফি আছে কি না এবং সরকারি বা বিশেষজ্ঞ ব্যয় কে বহন করবে, তা লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।
- প্রয়োজন হলে নথি সংরক্ষণ, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের নিয়ম এবং ব্যবসায়িক গোপন তথ্য ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করুন।
- নোটিশের সময়সীমা বা সম্ভাব্য ক্ষতি থাকলে একই সপ্তাহে জবাবের কৌশল ঠিক করুন; সাধারণ পরামর্শের ক্ষেত্রে দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে অভিযোগ বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রস্তুত করা যায়।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, অ্যান্টিট্রাস্ট সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।