“We are thankful to the firm for its excellent litigation services in the lower courts, particularly for the prompt and efficient handling of matters related to …”
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আপিল আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
বাংলাদেশ-এর আপিল আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 60টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 60
- 4টি শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2011
- 60 ফার্মের মধ্যে 43টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 6–20
- 60 ফার্মের মধ্যে 42টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 8
- 60 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 12
- 60 ফার্মের মধ্যে
তাদের অফিস কোথায়
- ঢাকা 57টি অফিস
- চট্টগ্রাম 1টি অফিস
- নীলফামারী 1টি অফিস
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া 1টি অফিস
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- Bengali 27টি ফার্ম
- English 27টি ফার্ম
- Hindi 4টি ফার্ম
- Urdu 2টি ফার্ম
- Japanese 1টি ফার্ম
- Arabic 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 33টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 24টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 13টি ফার্ম
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ 5টি ফার্ম
- ১৯৫০-এর আগে 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 17টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 1896 সালের; মধ্যমা 2011।
তাদের দল কত বড়
- 1 থেকে 5 জন 4টি ফার্ম
- 6 থেকে 20 জন 21টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 16টি ফার্ম
- 51 জন বা তার বেশি 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 18টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে আপিল করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
বাংলাদেশে আপিল হলো নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আইনগত প্রতিকার চাওয়া। দেওয়ানি মামলায় দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল হতে পারে, আর ফৌজদারি মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষ আইনের বিধান প্রযোজ্য হয়।
সব রায়ের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপিল করা যায় না। কোন আদালতে আপিল হবে, আপিলের অধিকার আছে কি না, অনুমতি বা লিভ প্রয়োজন কি না, এবং সময়সীমা কত - এসব বিষয় মামলার ধরন ও প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে।
বাংলাদেশের আদালত ব্যবস্থায় অনেক আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যায়। কিছু বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার জন্য সংবিধান ও আদালতের বিধি অনুযায়ী অনুমতি বা লিভের প্রয়োজন হতে পারে।
কোন পরিস্থিতিতে আপিলের আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে
- দেওয়ানি মামলায় পরাজয়: জমি, চুক্তি, টাকা-পাওনা, দখল বা ঘোষণামূলক প্রতিকারের মামলায় ডিক্রি আপনার বিরুদ্ধে গেলে আপিলের ভিত্তি যাচাই করতে আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে।
- ফৌজদারি মামলায় দণ্ড: ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের আদালত, সময়সীমা এবং জামিনের কৌশল আলাদা হতে পারে।
- অন্তর্বর্তী আদেশে ক্ষতি: নিষেধাজ্ঞা, জামিন, সম্পত্তি জব্দ বা মামলা খারিজের মতো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল, রিভিশন বা অন্য প্রতিকার প্রযোজ্য হতে পারে।
- ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত: শ্রম, অর্থঋণ, প্রশাসনিক বা অন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নির্দিষ্ট আপিলের পথ থাকতে পারে।
- প্রমাণ বা আইনের ভুল: সাক্ষ্য ভুলভাবে মূল্যায়ন, গুরুত্বপূর্ণ দলিল বাদ দেওয়া, এখতিয়ার অতিক্রম বা আইনের ভুল প্রয়োগ আপিলের সম্ভাব্য ভিত্তি হতে পারে।
- সময় পেরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি: রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ, আপিলের সময় গণনা এবং বিলম্ব মওকুফের আবেদন সঠিকভাবে না করলে অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধান
বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৭২: সংবিধান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর এবং সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের কাঠামো নির্ধারণ করে। আপিল বিভাগের এখতিয়ার, লিভ এবং সাংবিধানিক প্রতিকারের প্রশ্নে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান গুরুত্বপূর্ণ।
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: বাংলাদেশে প্রযোজ্য এই আইনে দেওয়ানি ডিক্রি ও নির্দিষ্ট আদেশের বিরুদ্ধে আপিল, দ্বিতীয় আপিল এবং কিছু ক্ষেত্রে রিভিশনের কাঠামো আছে। আপিলের অধিকার, আদালতের এখতিয়ার ও আপিলের পরিধি মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী বদলায়।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮: ফৌজদারি মামলায় দণ্ড, খালাস বা নির্দিষ্ট আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান এই আইনে রয়েছে। তবে বিশেষ আইন, ট্রাইব্যুনাল আইন এবং সংশ্লিষ্ট আদালতের বিধি অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করতে পারে।
আপিলের সময়সীমা তামাদি-সংক্রান্ত আইন ও প্রযোজ্য বিশেষ আইনের ওপর নির্ভর করে। তাই রায়ের তারিখ, অনুলিপি পাওয়ার তারিখ এবং আদালত বন্ধ থাকার সময় কীভাবে গণনা হবে, তা আইনজীবীর মাধ্যমে দ্রুত যাচাই করা উচিত।
আপিল বিষয়ে সাধারণ প্রশ্নের উত্তর
রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
সব ধরনের মামলার জন্য একই সময়সীমা নেই। আদালত, মামলার ধরন, বিশেষ আইন এবং রায়ের প্রকৃতির ওপর সময়সীমা নির্ভর করে। রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করে দ্রুত সময় গণনা করানো নিরাপদ।
আপিল করার আগে কি রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি লাগবে?
সাধারণত আপিলের সঙ্গে রায় বা আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি এবং প্রয়োজনীয় নথি দাখিল করতে হয়। নির্দিষ্ট আদালতের নিয়ম অনুযায়ী অনুলিপি, কাগজপত্র বা অতিরিক্ত সংযুক্তির প্রয়োজন হতে পারে।
সব মামলায় কি আপিলের অধিকার থাকে?
না। আপিল একটি আইনগত অধিকার, কিন্তু তা কেবল প্রযোজ্য আইনে অনুমোদিত হলে থাকে। কোনো বিষয়ে আপিলের বদলে রিভিশন, রিভিউ, লিভ বা সাংবিধানিক প্রতিকার প্রযোজ্য হতে পারে।
আপিল চলাকালে কি রায়ের কার্যকর হওয়া বন্ধ থাকে?
শুধু আপিল দাখিল করলেই সবসময় রায় স্থগিত হয় না। রায় বা ডিক্রির কার্যক্রম স্থগিত করতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আলাদা স্থগিতাদেশের আবেদন করতে হতে পারে।
ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করলে কি জামিন পেতে পারেন?
আপিল চলাকালে জামিনের আবেদন করা যায়, কিন্তু জামিন স্বয়ংক্রিয় নয়। আদালত দণ্ডের ধরন, মামলার নথি, কারাবাসের মেয়াদ এবং অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়।
আপিল আর রিভিশনের মধ্যে পার্থক্য কী?
আপিলে আইন ও তথ্যের ভুল, প্রমাণের মূল্যায়ন এবং রায়ের যৌক্তিকতা বিস্তৃতভাবে চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে, যদি আইন সেই সুযোগ দেয়। রিভিশনের পরিধি সাধারণত সীমিত এবং এখতিয়ারগত বা গুরুতর আইনগত ত্রুটি সংশোধনে বেশি গুরুত্ব পায়।
আপিল বিভাগে যেতে কি সরাসরি মামলা করা যায়?
সব বিষয়ে সরাসরি আপিল বিভাগে যাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যেতে লিভ বা নির্দিষ্ট সাংবিধানিক শর্ত পূরণ করতে হয়।
আপিল করতে আনুমানিক কত খরচ হয়?
খরচ নির্ভর করে আদালত, মামলার মূল্য, কোর্ট ফি, নথির পরিমাণ, আইনজীবীর ফি এবং শুনানির সংখ্যা ওপর। আইনজীবীর সঙ্গে লিখিতভাবে পেশাগত ফি, কোর্ট ফি, কপি, হলফনামা ও অন্যান্য সম্ভাব্য ব্যয় আলাদা করে জেনে নেওয়া উচিত।
আপিল নিষ্পত্তি হতে কত সময় লাগে?
কোনো নির্দিষ্ট সময় নিশ্চিত করা যায় না। জরুরি স্থগিতাদেশের আবেদন তুলনামূলক দ্রুত উঠতে পারে, কিন্তু মূল আপিলের সময় নির্ভর করে আদালতের তালিকা, নথি সম্পূর্ণতা, পক্ষগুলোর নোটিশ এবং শুনানির জটিলতার ওপর।
যে আইনজীবী মূল মামলা পরিচালনা করেছেন, তাকেই কি আপিলে রাখতে হবে?
না। মূল আইনজীবী মামলার নথি ও প্রমাণ সম্পর্কে পরিচিত হওয়ায় সুবিধা থাকতে পারে, তবে আপিলের জন্য আলাদা আইনজীবী নিয়োগ করা যায়। বিশেষ করে উচ্চ আদালতের আপিল অভিজ্ঞতা, লিখিত যুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজের দক্ষতা বিবেচনা করা উচিত।
অর্থের অভাবে আপিল করা সম্ভব না হলে কী করা যায়?
যোগ্য ব্যক্তিরা জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার মাধ্যমে আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন। সহায়তার যোগ্যতা, মামলার ধরন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস বা সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানতে হয়।
আপিলের সম্ভাবনা যাচাই করতে আইনজীবীকে কী দিতে হবে?
রায় বা আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি, মামলার নম্বর, আগের আবেদন, সাক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং আদালতের আদেশগুলো দিন। ঘটনা গোপন না করে সময়সীমা, পূর্বের আপস এবং প্রতিকূল তথ্যও জানালে সঠিক আইনি মতামত পাওয়া সহজ হয়।
বাংলাদেশের সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার উৎস
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট: হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম, মামলা-সংক্রান্ত তথ্য এবং আদালতের প্রাসঙ্গিক বিধি ও নির্দেশনা সম্পর্কে সরকারি উৎস।
- জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা: আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের আইনগত সহায়তা, পরামর্শ এবং মামলার সহায়তার ব্যবস্থা করে। জেলা পর্যায়ের লিগ্যাল এইড অফিসেও আবেদন ও তথ্য পাওয়া যায়।
- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল: আইনজীবীদের পেশাগত স্বীকৃতি, তালিকাভুক্তি ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে। আইনজীবীর তালিকাভুক্তির অবস্থান যাচাইয়ের জন্য এই প্রতিষ্ঠানের তথ্য কাজে লাগতে পারে।
আপিলের জন্য আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- এক থেকে তিন দিনের মধ্যে নথি সংগ্রহ করুন: রায় বা আদেশ, মামলার নম্বর, বাদী-বিবাদীর তথ্য, পূর্বের আবেদন, জামিনের কাগজ এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিলের কপি একত্র করুন।
- সময় গণনা করান: রায়ের তারিখ ও সত্যায়িত অনুলিপি পাওয়ার তারিখ আইনজীবীকে দিয়ে যাচাই করান। সময়সীমা শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে জরুরি আপিল বা বিলম্ব মওকুফের প্রয়োজন নির্ধারণ করুন।
- কমপক্ষে দুইজন আইনজীবীর মতামত নিন: তাঁরা আপিল, রিভিশন, রিভিউ বা স্থগিতাদেশের কোন প্রতিকার প্রযোজ্য তা ব্যাখ্যা করতে পারেন। মতামতের ভিত্তি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি লিখিতভাবে চাইুন।
- প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা যাচাই করুন: আইনজীবী নিয়মিত যে আদালতে আপিল করেন, একই ধরনের মামলার অভিজ্ঞতা এবং লিখিত আপিল প্রস্তুতের দক্ষতা বিবেচনা করুন। শুধু জয়ের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
- খরচের লিখিত হিসাব নিন: পেশাগত ফি, কোর্ট ফি, নকল, হলফনামা, যাতায়াত এবং প্রতিটি শুনানির সম্ভাব্য ব্যয় আলাদা করে জেনে নিন। কিস্তি বা পর্যায়ভিত্তিক পরিশোধের শর্ত থাকলে তা লিখিত রাখুন।
- নিয়োগপত্র ও যোগাযোগের ব্যবস্থা করুন: আইনজীবীর নাম, চেম্বারের ঠিকানা, দায়িত্ব, ফি, নথি ফেরতের শর্ত এবং যোগাযোগের ব্যক্তি উল্লেখ করে লিখিত সম্মতি নিন। আপিল দাখিলের পর মামলা নম্বর ও পরবর্তী তারিখ সংরক্ষণ করুন।
- নিয়মিত অগ্রগতি যাচাই করুন: দাখিলের প্রমাণ, নোটিশ জারি, স্থগিতাদেশের আবেদন এবং শুনানির তারিখ সম্পর্কে নির্দিষ্ট সময় অন্তর লিখিত আপডেট নিন। জরুরি আদেশ থাকলে প্রতিটি তারিখের আগে আইনজীবীর সঙ্গে প্রস্তুতি নিশ্চিত করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, আপিল সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক আপিল ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন
শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।