ঢাকা-ভিত্তিক সেরা পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
ঢাকা, বাংলাদেশ-এর পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 9টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 9
- 9-এর মধ্যে 9টির শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2018
- 9 ফার্মের মধ্যে 8টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 6–20
- 9 ফার্মের মধ্যে 7টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 4
- 9 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 4
- 9 ফার্মের মধ্যে
তাদের অফিস কোথায়
এই তালিকায় 9টি অফিস
সবগুলো 9টি ঠিকানা দেখান
- Tuhin & Partners · Office No. 305 (2nd floor), 3/B, Purana Paltan
- Legal Counsel BD · Momtaz Vision, (Suite – B4, Level 2), House-11/A, Road-99, Gulshan-2, Dhaka-1212, Bangladesh.
- LEED-Lawyers For Energy, Environment & Development · 46 Kakrail Rd, Dhaka 1000, Bangladesh
- The Legal Era · 37/2 Pritam Zaman Tower, Level-10, Suite-1103, Culvert Road, Purana Paltan, Dhaka-1000
- A. N. Azad & Associates · Block-A, Level 04 (Road Side), House No. 31, Niketan Road No. 1, Dhaka 1212, Bangladesh
- Hossain & Khan Associates | Law Firm · Suite No. 10-B (Level-10, 45 Bijoy Nagar Road, Dhaka 1000, Bangladesh
- The justice corner · 37/2, Purana Paltan Pritom - Zaman Tower, Level: 11, Suit No. 1207, Dhaka - 1000, Bangladesh
- Legal & Business Solutions (LBS) · 37/A VIP Road, Level-10, Shahara Center, beside Dhaka Insurance building., Dhaka South 1000, Bangladesh
- Law Advisor BD · 4th floor (left), Siddique Monjil, House 363, Lane 5, Eastern Road, Baridhara DOHS, Dhaka-1206
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- English 5টি ফার্ম
- Bengali 5টি ফার্ম
- Hindi 2টি ফার্ম
- Urdu 2টি ফার্ম
- Japanese 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 4টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 6টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 2টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 2009 সালের; মধ্যমা 2018।
তাদের দল কত বড়
- 6 থেকে 20 জন 6টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 2টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
ঢাকায় পরিবেশ আইন ও বিধিপালনের আওতা ও বাস্তব প্রক্রিয়া
ঢাকায় পরিবেশ আইন ও বিধিপালন মূলত শিল্প, নির্মাণ, আবাসন, বর্জ্য, পানি, বায়ু, শব্দ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের অনুমোদন ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করে। কোনো প্রকল্প শুরু বা সম্প্রসারণের আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, অবস্থানগত অনুমোদন এবং প্রযোজ্য অন্যান্য অনুমতি লাগতে পারে।
প্রকল্পের ধরন ও ঝুঁকি অনুযায়ী পরিবেশগত শ্রেণি নির্ধারিত হয়। ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, জলাধার, বন্যাপ্রবণ অঞ্চল এবং সংরক্ষিত স্থানের কাছাকাছি প্রকল্পে অতিরিক্ত বিধিনিষেধ বা সমীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
আইনজীবী সাধারণত অনুমতির তালিকা তৈরি, পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদন পর্যালোচনা, অধিদপ্তরের নোটিশের জবাব, পরিদর্শন-সংক্রান্ত প্রস্তুতি এবং আপিল বা মামলার কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করেন।
কোন পরিস্থিতিতে পরিবেশ আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে
- কারখানা, হাসপাতাল, গুদাম, আবাসন বা বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হলে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শব্দ, ধোঁয়া বা তরল বর্জ্য নিয়ে নোটিশ দিলে।
- ঢাকার খাল, জলাধার, নিচু জমি বা ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর প্রকল্পের প্রভাব নিয়ে আপত্তি উঠলে।
- নির্মাণকাজে ধুলা, শব্দ, মাটি ভরাট বা নির্মাণবর্জ্য নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ হলে।
- কারখানা বা প্রকল্পের বিরুদ্ধে জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ, ছাড়পত্র বাতিল বা ফৌজদারি পদক্ষেপের ঝুঁকি থাকলে।
- দূষিত পানি, বায়ু বা বর্জ্যের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতিকার চাইলে।
ঢাকায় প্রযোজ্য প্রধান পরিবেশ আইন ও বিধিমালা
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ পরিবেশ অধিদপ্তরের ক্ষমতা, পরিবেশগত ছাড়পত্র, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশের ক্ষতি প্রতিরোধের প্রধান কাঠামো নির্ধারণ করে। আইনটি পরবর্তী সময়ে সংশোধিত হয়েছে, তাই পুরোনো অনুমতি বা নোটিশের ওপর নির্ভর না করে বর্তমান বিধান যাচাই করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ প্রকল্পের শ্রেণিবিন্যাস, ছাড়পত্রের শর্ত, আবেদনপদ্ধতি এবং পরিবেশগত সমীক্ষার বিষয়ে বর্তমান কাঠামো দেয়। প্রকল্পের শ্রেণি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদনের ধাপ আলাদা হতে পারে।
পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০ পরিবেশ-সংক্রান্ত অপরাধ ও প্রতিকারের জন্য বিশেষ আদালত এবং বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কাঠামো নির্ধারণ করে। কোন কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন বা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা চলবে, তা মামলার ধরন ও প্রযোজ্য বিধানের ওপর নির্ভর করে।
প্রকল্পের পানি ব্যবহার, জলাধার, নদী বা ভূগর্ভস্থ পানির বিষয় থাকলে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি ও কর্তৃপক্ষের অনুমতিও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। প্রকল্পভেদে ইটভাটা, বর্জ্য, বন, বন্যপ্রাণী, ভবন বা স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত আইনও যুক্ত হতে পারে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ঢাকায় ব্যবসা শুরু করার আগে কি পরিবেশ আইনজীবী নিয়োগ বাধ্যতামূলক?
সব ব্যবসার জন্য আইনজীবী নিয়োগ বাধ্যতামূলক নয়। তবে প্রকল্পের পরিবেশগত শ্রেণি, ছাড়পত্রের শর্ত এবং স্থানীয় অনুমতির তালিকা ভুল হলে বিলম্ব বা জরিমানার ঝুঁকি থাকে।
পরিবেশগত ছাড়পত্র কোথা থেকে নিতে হয়?
সাধারণত পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে আবেদন করতে হয়। প্রকল্পের অবস্থান ও শ্রেণি অনুযায়ী আবেদন, নকশা, জমির কাগজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য নথি লাগতে পারে।
ছাড়পত্র পেতে কত সময় লাগে?
সময় প্রকল্পের শ্রেণি, নথির পূর্ণতা, পরিদর্শন এবং পরিবেশগত সমীক্ষার প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। কাগজপত্র সম্পূর্ণ থাকলে সাধারণ প্রকল্পে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে, জটিল প্রকল্পে কয়েক মাসও প্রয়োজন হতে পারে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নোটিশ পেলে প্রথমে কী করা উচিত?
নোটিশের সময়সীমা ও অভিযোগের ভিত্তি দ্রুত যাচাই করা উচিত। নোটিশ, পরিদর্শন প্রতিবেদন, ছাড়পত্র, নমুনা পরীক্ষার ফল এবং সংশ্লিষ্ট নথি আইনজীবীকে দিয়ে লিখিত জবাবের আগে পর্যালোচনা করানো নিরাপদ।
পরিবেশ আইনজীবী কি পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদন তৈরি করেন?
আইনজীবী সাধারণত কারিগরি প্রতিবেদন নিজে তৈরি করেন না। তিনি পরামর্শক, প্রকৌশলী বা পরিবেশবিজ্ঞানীর প্রস্তুত করা প্রতিবেদন আইনগতভাবে যথেষ্ট কি না এবং অনুমোদনের শর্ত পূরণ করছে কি না, তা পর্যালোচনা করেন।
প্রতিবেশী কারখানার দূষণের বিরুদ্ধে কোথায় অভিযোগ করা যায়?
প্রমাণসহ পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা যায়। ছবি, ভিডিও, শব্দ বা পানির পরীক্ষার ফল, চিকিৎসা নথি এবং ঘটনার তারিখ সংরক্ষণ করলে অভিযোগের ভিত্তি শক্তিশালী হয়।
পরিবেশ আদালতে সরাসরি মামলা করা যায় কি?
সব ধরনের পরিবেশ বিরোধ একই পদ্ধতিতে পরিবেশ আদালতে যায় না। অভিযোগ, তদন্ত, কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত আদালত বা আইনি পথ আইনজীবী নির্ধারণ করেন।
পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকলে কী ঝুঁকি থাকে?
প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা, ছাড়পত্রের আবেদন বাতিল বা ফৌজদারি মামলার ঝুঁকি থাকতে পারে। পরে ছাড়পত্র নেওয়ার চেষ্টা করলেও আগের লঙ্ঘনের দায় সবসময় দূর হয় না।
পরিবেশ আইনজীবীর ফি কত হতে পারে?
ফি নির্ভর করে কাজের পরিধি, প্রকল্পের আকার, নথি পর্যালোচনা, অধিদপ্তরের শুনানি এবং মামলা প্রয়োজন কি না তার ওপর। নিয়োগের আগে পরামর্শ ফি, আবেদন বা নোটিশের ফি এবং আদালত-সংক্রান্ত খরচ আলাদা করে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া উচিত।
ব্যক্তি ও কোম্পানি কি একইভাবে আইনজীবী নিয়োগ করবে?
উভয়েই আইনজীবী নিয়োগ করতে পারে, কিন্তু কোম্পানির ক্ষেত্রে মালিকানা, পরিচালনা, কারখানার অনুমতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং করপোরেট নথিও পর্যালোচনা লাগে। ব্যক্তিগত অভিযোগে ক্ষতির প্রমাণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে করা অভিযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
একজন আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কী যাচাই করা উচিত?
পরিবেশ অধিদপ্তর, পরিবেশ আদালত, প্রশাসনিক প্রতিকার এবং উচ্চ আদালতের কার্যক্রমে তাঁর বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে কি না যাচাই করুন। ফি, কাজের পরিধি, সম্ভাব্য সময়, স্বার্থের সংঘাত এবং কে নথি প্রস্তুত করবেন তা লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।
কম আয়ের ব্যক্তি কি বিনা খরচে আইনি সহায়তা পেতে পারেন?
যোগ্য ব্যক্তিরা সরকারি জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার মাধ্যমে বিনা খরচে বা স্বল্প খরচে সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন। যোগ্যতা, মামলা ও সহায়তার ধরন অনুযায়ী আবেদন গ্রহণের নিয়ম আলাদা হতে পারে।
ঢাকার সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ
- পরিবেশ অধিদপ্তর: পরিবেশগত ছাড়পত্র, পরিদর্শন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশগত অভিযোগ এবং আইন প্রয়োগের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: পরিবেশ নীতি, আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন, সংশোধন এবং অধীন দপ্তরগুলোর প্রশাসনিক তদারকি করে।
- জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা: যোগ্য দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তিদের সরকারি আইনগত সহায়তা, পরামর্শ এবং নির্দিষ্ট বিরোধে প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করে।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী ধাপ
- প্রথম এক থেকে দুই দিনের মধ্যে প্রকল্প বা বিরোধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিখুন। অবস্থান, কার্যক্রম, দূষণের ধরন, নোটিশের তারিখ এবং জরুরি সময়সীমা উল্লেখ করুন।
- দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ছাড়পত্র, আবেদন, নকশা, জমির কাগজ, লাইসেন্স, নোটিশ, পরিদর্শন প্রতিবেদন এবং ছবি বা পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করুন।
- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও পরিবেশ আদালতের কাজে অভিজ্ঞ অন্তত দুই বা তিনজন আইনজীবীর সঙ্গে প্রাথমিক পরামর্শ নিন।
- পরামর্শের সময় সম্ভাব্য আইনি পথ, প্রয়োজনীয় অনুমতি, জবাব বা আবেদনের সময়সীমা এবং প্রতিকারের বাস্তব সম্ভাবনা তুলনা করুন।
- নিয়োগের আগে ফি, সরকারি ফি, বিশেষজ্ঞের খরচ, শুনানির সংখ্যা, নথি প্রস্তুতির দায়িত্ব এবং সমাপ্তির সম্ভাব্য সময় লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন।
- নিয়োগের পর আইনজীবীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সময়মতো জবাব বা আবেদন দিন এবং জমা দেওয়ার প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
- প্রতি দুই থেকে চার সপ্তাহে মামলার অগ্রগতি, নতুন নোটিশ, নমুনা পরীক্ষা এবং অনুমতির শর্ত পালনের অবস্থা লিখিতভাবে পর্যালোচনা করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।