বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ব আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
বাংলাদেশ-এর নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ব আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 36টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 36
- 3টি শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2009
- 36 ফার্মের মধ্যে 32টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 21–50
- 36 ফার্মের মধ্যে 33টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 9
- 36 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 11
- 36 ফার্মের মধ্যে
তাদের অফিস কোথায়
- ঢাকা 34টি অফিস
- চট্টগ্রাম 1টি অফিস
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া 1টি অফিস
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- Bengali 30টি ফার্ম
- English 30টি ফার্ম
- Hindi 3টি ফার্ম
- Urdu 2টি ফার্ম
- Japanese 1টি ফার্ম
- Arabic 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 6টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 14টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 13টি ফার্ম
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ 4টি ফার্ম
- ১৯৫০-এর আগে 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 4টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 1896 সালের; মধ্যমা 2009।
তাদের দল কত বড়
- 1 থেকে 5 জন 2টি ফার্ম
- 6 থেকে 20 জন 13টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 18টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 3টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশ নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ব আইনজীবীদের উত্তর দেওয়া আইনি প্রশ্ন
আমাদের 1টি আইনি প্রশ্ন নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ব বিষয়ে (স্থান: বাংলাদেশ) ব্রাউজ করুন, আইনজীবীদের উত্তর পড়ুন অথবা বিনামূল্যে নিজের প্রশ্ন করুন.
- একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধে আমার আইনজীবী যদি গোপনে প্রতিপক্ষকে পরামর্শ প্রদান করেন, তবে কি আমি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করতে পারি?
- ঢাকায় একটি বাটোয়ারা মামলার জন্য আমি একজন আইনজীবী নিযুক্ত করেছিলাম, কিন্তু সম্প্রতি জানতে পেরেছি যে তিনি আমার অগোচরে বিপক্ষ পক্ষের সাথে সাক্ষাৎ করছেন এবং তাদের পরামর্শ দিচ্ছেন। আমি এ বিষয়ে তাঁর মুখোমুখি হলে, অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করা পর্যন্ত তিনি আমার সম্পত্তির মূল দলিলপত্র ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। এই পেশাগত...
-
আইনজীবীর উত্তর Tobarrak Law Chamber থেকে
অবশ্যই। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার পূর্ণ অধিকার আপনার রয়েছে; কারণ আপনার নিজস্ব জমি সংক্রান্ত বিরোধে কোনো আইনজীবীর গোপনে প্রতিপক্ষকে আইনি পরামর্শ প্রদান পেশাগত নৈতিকতা এবং একান্তভাবে আপনার প্রতি দায়বদ্ধ বিশ্বস্ততার কর্তব্যের (fiduciary duty) মূলে আঘাত হানে।...
পুরো উত্তর পড়ুন
কখন বাংলাদেশে পেশাগত নৈতিকতা ও আচরণবিধির আইনজীবী প্রয়োজন
বাংলাদেশে আইনজীবীর পেশাগত নৈতিকতা ও আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয় সাধারণত মক্কেলের অভিযোগ, আইনজীবীর শৃঙ্খলাভঙ্গ, স্বার্থের সংঘাত, গোপনীয়তা এবং আদালতের প্রতি দায়িত্বকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। কোনো আইনজীবী অর্থ নিয়ে কাজ না করলে, মিথ্যা তথ্য দিলে বা মামলা পরিচালনায় গুরুতর অবহেলা করলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আইনগত পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।
এই ক্ষেত্রটি দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলার মূল বিরোধ থেকে আলাদা হতে পারে। অভিযোগটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থার বিষয়, আদালত অবমাননার বিষয়, অথবা ক্ষতিপূরণ ও অর্থ ফেরতের দেওয়ানি দাবিতে পরিণত হতে পারে।
আইনজীবী বাছাইয়ের সময় তাঁর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির অবস্থা, শৃঙ্খলামূলক অভিযোগ পরিচালনার অভিজ্ঞতা, লিখিত ফি চুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করা উচিত।
যে পরিস্থিতিতে আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া যুক্তিযুক্ত
- আইনজীবী ফি নেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে, নথি ফেরত না দিলে বা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে ভুল তথ্য দিলে।
- আইনজীবী একই বিরোধে বিপরীত পক্ষের পক্ষে কাজ করছেন বলে সন্দেহ হলে, অথবা আগের মক্কেলের গোপন তথ্য ব্যবহার করার আশঙ্কা থাকলে।
- বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করতে হলে এবং অভিযোগের সঙ্গে নথি, রসিদ, বার্তা বা সাক্ষ্য কীভাবে সাজাতে হবে তা জানতে হলে।
- আদালতে আইনজীবীর আচরণ নিয়ে আদালত অবমাননা, মিথ্যা হলফনামা, নথি গোপন বা বিচারকার্যে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলে।
- আইনজীবীর ভুল বা গুরুতর অবহেলায় মামলা খারিজ, সময়সীমা অতিক্রম, জামিনের সুযোগ নষ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ অধিকার ক্ষুণ্ন হলে সম্ভাব্য প্রতিকার যাচাই করতে হলে।
শুধু অসন্তোষজনক ফলাফল হলেই পেশাগত অসদাচরণ প্রমাণিত হয় না। অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দায়িত্ব, ঘটনার তারিখ, আইনজীবীর কাজ বা নিষ্ক্রিয়তা এবং তার ফলে হওয়া ক্ষতি দেখাতে হয়।
বাংলাদেশে প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালার সংক্ষিপ্ত ধারণা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২: ১৯৭২ সালে জারি করা এই আদেশ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের গঠন, আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি এবং পেশাগত শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ক্ষমতার প্রধান ভিত্তি। আইনজীবীর বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের প্রক্রিয়ায় এর বিধান গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২: এই বিধিমালায় বার কাউন্সিলের কার্যক্রম, তালিকাভুক্তি, কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার নিয়ম রয়েছে। অভিযোগের বর্তমান ফরম, ফি বা দাখিল পদ্ধতি ব্যবহারের আগে বার কাউন্সিলের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।
আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩: আদালতের কর্তৃত্ব, বিচারকার্য বা আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন আচরণের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ এবং আদালত অবমাননার অভিযোগ আলাদা প্রক্রিয়া, তাই একই ঘটনায় উভয়টির সম্ভাবনা আইনজীবীর মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আইনজীবীর বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ কোথায় করা যায়?
সাধারণত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্ধারিত শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ দাখিলের বর্তমান ঠিকানা, ফরম, ফি এবং প্রয়োজনীয় কপি বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল নির্দেশনা থেকে যাচাই করা উচিত।
শুধু মামলায় হেরে গেলে কি আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যায়?
মামলায় হারাই একা পেশাগত অসদাচরণের প্রমাণ নয়। তবে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা অকারণে নষ্ট করা, অর্থ আত্মসাৎ বা মক্কেলকে প্রতারণার প্রমাণ থাকলে আলাদা অভিযোগের ভিত্তি তৈরি হতে পারে।
অভিযোগের জন্য কী ধরনের প্রমাণ রাখা উচিত?
ফি দেওয়ার রসিদ, নিয়োগপত্র, মামলার নথি, আদালতের আদেশ, বার্তা, ই-মেইল এবং সাক্ষীর তথ্য সংরক্ষণ করা উচিত। তারিখ অনুযায়ী ঘটনাগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করলে অভিযোগের ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হয়।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে অভিযোগ করার আগে কি আদালতের অনুমতি লাগে?
সাধারণ অভিযোগ দাখিলের জন্য সাধারণত আদালতের পূর্বানুমতি প্রয়োজন হয় না। তবে একই ঘটনা চলমান মামলার বিষয় হলে আদালতের আদেশ, বিচারাধীন বিষয় এবং সম্ভাব্য সমান্তরাল প্রক্রিয়া আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
অভিযোগ নিষ্পত্তি হতে কত সময় লাগতে পারে?
সময় নির্দিষ্ট নয়। নোটিশ জারি, জবাব, নথি যাচাই, শুনানি, সাক্ষ্য এবং সংশ্লিষ্ট আপিল বা পুনর্বিবেচনার ধাপ থাকলে প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে।
আইনজীবীর নেওয়া ফি ফেরত পাওয়ার দাবি কি করা যায়?
পরিস্থিতি অনুযায়ী ফি ফেরত, হিসাব প্রদান বা ক্ষতিপূরণের দাবি উঠতে পারে। কোন দাবি কোন ফোরামে করা যাবে তা চুক্তি, কাজের পরিমাণ, পরিশোধের প্রমাণ এবং আইনজীবীর আচরণের ওপর নির্ভর করে।
আইনজীবীর সঙ্গে লিখিত ফি চুক্তি না থাকলে কি প্রতিকার পাওয়া যায়?
লিখিত চুক্তি না থাকলেও ব্যাংক লেনদেন, রসিদ, বার্তা এবং সাক্ষ্য দিয়ে অর্থ প্রদান ও কাজের শর্ত প্রমাণ করা যেতে পারে। তবে লিখিত চুক্তি না থাকলে ফি, দায়িত্ব এবং প্রতিশ্রুত সেবার পরিধি প্রমাণ করা কঠিন হয়।
স্বার্থের সংঘাত বলতে কী বোঝায়?
একই বিরোধে বিপরীত পক্ষের স্বার্থে কাজ করা, আগের মক্কেলের গোপন তথ্য ব্যবহার করা বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে মক্কেলের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করা স্বার্থের সংঘাতের উদাহরণ হতে পারে। সব ঘটনায় সংঘাত হয়েছে কি না, তা নির্ভর করে আইনজীবীর দায়িত্ব, তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সম্পর্কের ওপর।
আইনজীবীর পেশাগত অসদাচরণ এবং আদালত অবমাননা কি একই বিষয়?
দুটি বিষয় আলাদা। পেশাগত অসদাচরণ সাধারণত আইনজীবীর মক্কেল, পেশা বা আচরণবিধির দায়িত্ব নিয়ে বিবেচিত হয়, আর আদালত অবমাননা আদালতের কর্তৃত্ব বা বিচারকার্যে হস্তক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত। একই ঘটনায় দুটির এক বা উভয়টি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
অভিযোগ চলাকালে কি অন্য আইনজীবী নিয়োগ করা যায়?
হ্যাঁ, চলমান মামলা বা অভিযোগে নতুন আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। আগের আইনজীবীর কাছ থেকে মূল নথি ফেরত নেওয়া, নতুন নিয়োগের লিখিত প্রমাণ রাখা এবং আদালতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন জানানো গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের বিষয়ে আইনজীবী নিয়োগের খরচ কত?
খরচ অভিযোগের জটিলতা, নথির পরিমাণ, শুনানির সংখ্যা, আদালত বা কর্তৃপক্ষ এবং আইনজীবীর অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। নিয়োগের আগে পরামর্শ ফি, খসড়া ও দাখিল ফি, শুনানি ফি এবং আনুষঙ্গিক খরচ আলাদা করে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া উচিত।
অর্থের সামর্থ্য না থাকলে কি আইনগত সহায়তা পাওয়া যায়?
যোগ্য ব্যক্তিরা জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার মাধ্যমে নির্দিষ্ট বিষয়ে সরকারি আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন। যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি এবং সহায়তার পরিধি জেলা আইনগত সহায়তা অফিস বা সংস্থার বর্তমান নির্দেশনা থেকে জানতে হবে।
সরকারি ও আনুষ্ঠানিক সহায়তার উৎস
- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল: আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি, পেশাগত শৃঙ্খলা এবং আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া পরিচালনা করে। বর্তমান ফরম, দাখিলের স্থান ও নির্দেশনা এখান থেকে যাচাই করা যায়।
- জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা: আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের আইনগত সহায়তার ব্যবস্থা করে। জেলা আইনগত সহায়তা অফিসের মাধ্যমে আবেদন ও প্রাথমিক নির্দেশনা পাওয়া যায়।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট: সুপ্রিম কোর্টের মামলার কার্যক্রম, আদেশ এবং আদালত-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্যের প্রধান উৎস। আদালতে চলমান কোনো বিষয় বা আদেশ যাচাই করতে এর অফিসিয়াল তথ্য ব্যবহার করা যায়।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম এক থেকে দুই দিনের মধ্যে: ঘটনার তারিখ, আইনজীবীর দায়িত্ব, পরিশোধিত অর্থ এবং প্রত্যাশিত কাজ লিখে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তৈরি করুন। সব রসিদ, আদেশ, বার্তা, চিঠি ও মামলার নম্বর এক জায়গায় রাখুন।
- দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে: বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবীর তালিকাভুক্তির অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজ করার প্রয়োজনীয় অনুমোদন যাচাই করুন। পূর্বের শৃঙ্খলামূলক বিষয় সম্পর্কে আইনজীবীর দেওয়া তথ্যও সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করুন।
- এক সপ্তাহের মধ্যে: পেশাগত নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা বিষয়ে কাজ করেন এমন অন্তত দুইজন আইনজীবীর সঙ্গে প্রাথমিক পরামর্শ নিন। অভিযোগ, দেওয়ানি দাবি, আদালত অবমাননা বা অন্য কোনো প্রতিকারের সঠিক পথ আলাদা করে জানতে চান।
- পরামর্শের সময়: সম্ভাব্য সময়সীমা, কর্তৃপক্ষ, প্রয়োজনীয় নথি, ঝুঁকি এবং আপনার কাছ থেকে প্রত্যাশিত কাজ লিখিতভাবে নিন। ফলাফল নিশ্চিত করার দাবি বা অস্বাভাবিক দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে চলুন।
- নিয়োগের আগে: কাজের পরিধি, ফি, কিস্তি, দাখিল ও শুনানি খরচ, নথি ফেরত এবং যোগাযোগের নিয়ম লিখিত চুক্তিতে রাখুন। নগদ অর্থ দিলে রসিদ নিন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথির মূল কপি জমা দিলে গ্রহণপত্র নিন।
- নিয়োগের পর এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে: অভিযোগ বা আবেদন প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত পদ্ধতিতে দাখিল করুন। দাখিলের প্রমাণ, ডায়েরি নম্বর বা গ্রহণপত্র সংরক্ষণ করুন এবং পরবর্তী তারিখ লিখে রাখুন।
- চলমান সময়ে: আইনজীবীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট বিরতিতে লিখিত অগ্রগতি নিন এবং আদালতের আদেশ বা কর্তৃপক্ষের নোটিশ দ্রুত পাঠান। যোগাযোগ বন্ধ হলে বা নথি আটকে থাকলে দ্রুত নতুন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ব সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক নৈতিকতা এবং পেশাগত দায়িত্ব ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন
শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।