ঢাকা-ভিত্তিক সেরা প্রত্যর্পণ আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
ঢাকা, বাংলাদেশ-এর প্রত্যর্পণ আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 19টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 19
- 19-এর মধ্যে 19টির শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2009
- 19 ফার্মের মধ্যে 18টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 21–50
- 19 ফার্মের মধ্যে 18টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 5
- 19 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 5
- 19 ফার্মের মধ্যে
তাদের অফিস কোথায়
এই তালিকায় 19টি অফিস
সবগুলো 19টি ঠিকানা দেখান
- Tobarrak Law Chamber · Suite B-17, Rupayan Karim Tower, 80 Kakrail VIP Road, Dhaka-1000, Bangladesh
- Stellar Chambers · House No. 18/A (Ground Floor), Road No. 44, Gulshan 2, Dhaka- 1212
- Tahmidur Rahman Remura · House 410, Road 29, Mohakhali DOHS
- Glorious Legal Services Firm · 16/2A, Bipasha Manjheel, Golapbag 2 nd Lane, Golapbag, Jatrabari, Dhaka-1203
- The Legal Era · 37/2 Pritam Zaman Tower, Level-10, Suite-1103, Culvert Road, Purana Paltan, Dhaka-1000
- The Lawyers and Jurists - Law Firm · Aligarh House (5th Floor), 146, Motijheel C/A, Dhaka – 1000
- Dr Kazi Abdul Mannan & Associates · A-1406, Modhumoti RAJUK Uttara Apartment Project Sector: 18, Uttara Dhaka-1230
- Bangladesh Law Partners BDLP · House 429, Road 7
- I. H. Khan & Associates · Suites # 11, 12, Planners Tower, Level - 14, Sonargaon Road, Dhaka 1000, Bangladesh
- S Hossain & Associates Law · HOUSE 4/A/1 Road no:2, Gulshan-1 Dhaka
- SALAMAZIZ - Barristers, Advocates & Consultants · House 26, Road 14A, Dhanmondi, Dhaka – 1209, Bangladesh.
- ADVOCACY LEGAL · House 37, Road 7, Sector 3, Uttara
- Law Valley · Saiham Sky View Tower 195, Shahid Syed Nazrul Islam Sarani Suite No. 11A (11th Floor) 45 Bijoy Nagor Dhaka – 1000.
- Counsels Law Partners (CLP) · House No. 4/A/1, Road No. 02, Gulshan-1, Dhaka-1212, Bangladesh.
- Rahman Law Associates & Company · Suite-202, Shajan Tower-1, 4 Segunbagicha, Dhaka
- Law Advisor BD · 4th floor (left), Siddique Monjil, House 363, Lane 5, Eastern Road, Baridhara DOHS, Dhaka-1206
- Primus Legal (Law Firm) · House-10, Road-04,Block-H, Banasree, Dhaka-1219, Bangladesh
- The justice corner · 37/2, Purana Paltan Pritom - Zaman Tower, Level: 11, Suit No. 1207, Dhaka - 1000, Bangladesh
- Shanjid Siddique and Jurists · House No. 39/A (3rd floor), Road No. 8, Dhanmondi, Dhaka 1209, Bangladesh
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- English 17টি ফার্ম
- Bengali 17টি ফার্ম
- Hindi 2টি ফার্ম
- Urdu 2টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 2টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 8টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 6টি ফার্ম
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ 4টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 1970 সালের; মধ্যমা 2009।
তাদের দল কত বড়
- 1 থেকে 5 জন 1টি ফার্ম
- 6 থেকে 20 জন 5টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 12টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
ঢাকায় প্রত্যর্পণ মামলায় স্থানীয় আইনজীবীর ভূমিকা ও প্রক্রিয়া
ঢাকায় প্রত্যর্পণ সাধারণত বিদেশি রাষ্ট্রের করা অনুরোধ, বাংলাদেশ সরকারের পর্যালোচনা এবং আদালতের নির্ধারিত কার্যক্রমের সমন্বয়ে এগোয়। অভিযোগ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, অপরাধের ধরন, প্রযোজ্য চুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাংলাদেশে অবস্থান - সবকিছু একসঙ্গে যাচাই করা হয়।
কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে থাকা ব্যক্তিকে বিচারের জন্য বা সাজা কার্যকরের উদ্দেশ্যে ফেরত চাইতে পারে। অনুরোধটি কূটনৈতিক পথে আসতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ নথিপত্র যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করে।
ঢাকায় বিষয়টি দ্রুত সামলাতে আইনজীবীকে হাইকোর্ট, অধস্তন ফৌজদারি আদালত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়া বুঝতে হয়। প্রত্যর্পণ ঠেকানো, শর্তসাপেক্ষে সাড়া দেওয়া বা বৈধতার আপত্তি তোলা - প্রতিটি কৌশল নথির তথ্যের ওপর নির্ভর করে।
কোন পরিস্থিতিতে ঢাকার আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে
- বিদেশি রাষ্ট্র প্রত্যর্পণের অনুরোধ পাঠিয়েছে এবং ঢাকায় থাকা ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা আদালতে হাজির করা হয়েছে।
- ইন্টারপোলের নোটিশ, বিদেশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা সীমান্তে আটকের পর বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
- বাংলাদেশে একই ঘটনার জন্য মামলা, তদন্ত বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং বিদেশি অনুরোধের সঙ্গে তার সংঘাত দেখা দিয়েছে।
- অনুরোধের নথিতে পরিচয়, অভিযোগ, অপরাধের শাস্তি বা আদালতের পরোয়ানা সম্পর্কে অসঙ্গতি রয়েছে।
- ফেরত পাঠালে নির্যাতন, অন্যায্য বিচার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকতে পারে।
- আদালতের আদেশ, সরকারি সিদ্ধান্ত বা আটকাদেশের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিকার চাওয়া প্রয়োজন হয়েছে।
প্রত্যর্পণ মামলায় সাধারণ ফৌজদারি জামিনের কৌশল সবসময় যথেষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক অনুরোধ, চুক্তির শর্ত, নথির গ্রহণযোগ্যতা এবং বাংলাদেশের আইনি প্রতিকার একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
ঢাকায় প্রযোজ্য প্রত্যর্পণ আইন ও বিধানের সংক্ষিপ্ত ধারণা
প্রত্যর্পণ আইন, ১৯৭৪: বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত প্রধান আইন এটি। ১৯৭৪ সালে প্রণীত এই আইনের অধীনে বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরোধ, আদালতভিত্তিক অনুসন্ধান এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের কাঠামো বিবেচিত হয়। নির্দিষ্ট মামলায় আইনটির বর্তমান পাঠ এবং প্রযোজ্য সরকারি প্রজ্ঞাপন পরীক্ষা করা জরুরি।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮: গ্রেপ্তার, জামিন, রিমান্ড, আদালতে হাজিরা এবং হাইকোর্টে প্রতিকারের মতো প্রক্রিয়াগত বিষয়ে এই বিধি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। প্রত্যর্পণ আইন বিশেষ বিধান দিলে সেটি অগ্রাধিকার পেতে পারে, তাই দুই আইনের সমন্বিত প্রয়োগ দেখা হয়।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: বিদেশি নথি, অনুবাদ, পরিচয়সংক্রান্ত কাগজ, আদালতের পরোয়ানা এবং প্রত্যয়িত রেকর্ডের প্রমাণমূল্য নির্ধারণে এই আইন প্রাসঙ্গিক হতে পারে। বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলে চুক্তির শর্তও আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়, যেমন বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি, ২০১৩, যা ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছে।
প্রত্যর্পণ নিয়ে frequently asked questions
প্রত্যর্পণ বলতে কী বোঝায়?
প্রত্যর্পণ হলো এক রাষ্ট্রে থাকা ব্যক্তিকে অন্য রাষ্ট্রের অনুরোধে বিচারের জন্য বা সাজা কার্যকরের উদ্দেশ্যে হস্তান্তর করা। এটি সাধারণ বহিষ্কার বা বিদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া থেকে আলাদা।
বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরোধ এলেই কি বাংলাদেশ কাউকে ফেরত দেয়?
না। অনুরোধের আইনি ভিত্তি, পরিচয়, অভিযোগ, নথি, অপরাধের ধরন এবং প্রযোজ্য চুক্তি পরীক্ষা করা হয়। ব্যক্তি আদালতে আপত্তি ও আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
প্রত্যর্পণ মামলায় ঢাকার কোন আদালত জড়িত হতে পারে?
মামলার পর্যায় এবং সরকারি পদক্ষেপের ধরন অনুযায়ী মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ জড়িত হতে পারে। সঠিক আদালত নির্ভর করে গ্রেপ্তার, অনুসন্ধান, আটকাদেশ এবং চ্যালেঞ্জের প্রকৃতির ওপর।
প্রত্যর্পণ অনুরোধে সাধারণত কী ধরনের নথি থাকে?
সাধারণত পরিচয়সংক্রান্ত নথি, অভিযোগ বা দণ্ডের বিবরণ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, প্রযোজ্য আইনের ধারা এবং অনুরোধকারী রাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন থাকতে পারে। নথির সত্যতা, অনুবাদ এবং আইনি যথার্থতা আইনজীবী যাচাই করেন।
অপরাধটি বাংলাদেশে অপরাধ না হলে কি প্রত্যর্পণ ঠেকানো যায়?
অনেক প্রত্যর্পণ ব্যবস্থায় দ্বৈত অপরাধের নীতি গুরুত্বপূর্ণ, অর্থাৎ অভিযোগটি অনুরোধকারী রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ উভয় জায়গাতেই অপরাধ হতে হয়। তবে প্রযোজ্য চুক্তি ও প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
প্রত্যর্পণ চলাকালে জামিন পাওয়া যায় কি?
সম্ভাবনা একেবারে বাদ যায় না, কিন্তু আদালত পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি, অভিযোগের গুরুত্ব, নথির অবস্থা এবং আটক রাখার আইনগত ভিত্তি বিবেচনা করতে পারে। প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত আটক সাধারণ ফৌজদারি মামলার জামিনের সঙ্গে পুরোপুরি এক নয়।
প্রত্যর্পণ মামলার খরচ কত হতে পারে?
বাংলাদেশে এ ধরনের মামলার জন্য একক সরকারি আইনজীবী ফি নির্ধারিত নেই। ফি নির্ভর করে আদালতের সংখ্যা, জরুরি আবেদন, নথির পরিমাণ, অনুবাদ, বিদেশি আইন যাচাই এবং শুনানির সময়ের ওপর।
প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শেষ হতে কত সময় লাগে?
সময় নির্দিষ্ট নয়। সরকারি যোগাযোগ, নথি পূর্ণতা, অনুবাদ, আদালতের শুনানি এবং আপিল বা রিটের কারণে কয়েক সপ্তাহ থেকে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। আটক থাকলে দ্রুত অন্তর্বর্তী প্রতিকারের আবেদন প্রয়োজন হতে পারে।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা অভিযোগ কি প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে আপত্তি হতে পারে?
হতে পারে, যদি নথি ও পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায় যে অনুরোধটি রাজনৈতিক নিপীড়ন বা বৈষম্যমূলক বিচারের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক পরিচয় যথেষ্ট নয়; নির্দিষ্ট প্রমাণ, দেশের পরিস্থিতি এবং অনুরোধের প্রকৃতি দেখাতে হয়।
মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকলে বাংলাদেশ কি প্রত্যর্পণ করতে পারে?
এটি প্রযোজ্য আইন, চুক্তির শর্ত এবং অনুরোধকারী রাষ্ট্রের নিশ্চয়তার ওপর নির্ভর করে। মৃত্যুদণ্ড, নির্যাতন বা অমানবিক আচরণের ঝুঁকি থাকলে আইনজীবী সেই ঝুঁকি তুলে ধরে প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে আপত্তি বা সুরক্ষামূলক শর্ত চাইতে পারেন।
ইন্টারপোলের নোটিশ কি নিজে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা?
ইন্টারপোলের নোটিশ বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য বা অনুরোধ প্রচারে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু সেটি বাংলাদেশের আদালতের স্বয়ংক্রিয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়। বাংলাদেশে গ্রেপ্তারের বৈধতা স্থানীয় আইন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করে।
প্রত্যর্পণ আর বহিষ্কারের মধ্যে পার্থক্য কী?
প্রত্যর্পণ সাধারণত বিদেশি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক অনুরোধে ফৌজদারি বিচার বা সাজা কার্যকরের জন্য হস্তান্তর। বহিষ্কার হলো অভিবাসন, জননিরাপত্তা বা প্রশাসনিক কারণে কাউকে দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়া, যার আইনি ভিত্তি ও প্রক্রিয়া আলাদা হতে পারে।
ঢাকার সরকারি সহায়তা ও তথ্যের উৎস
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: প্রত্যর্পণ, নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত সরকারি বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট ভূমিকা পালন করতে পারে। বিদেশি অনুরোধের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আইনজীবী এই মন্ত্রণালয়ের নথি ও সিদ্ধান্তের উৎস যাচাই করতে পারেন।
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: কূটনৈতিক যোগাযোগ, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সরকারি যোগাযোগের বিষয়ে দায়িত্বশীল। প্রত্যর্পণ অনুরোধ কোন পথে এসেছে এবং চুক্তি প্রযোজ্য কি না, তা বুঝতে এই দপ্তরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলাদেশ পুলিশ ও ইন্টারপোল ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো, ঢাকা: আন্তর্জাতিক পুলিশি তথ্য বিনিময়, নোটিশ এবং বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যোগাযোগে সহায়তা করে। কোনো নোটিশকে বাংলাদেশের আদালতের চূড়ান্ত আদেশ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
ঢাকায় প্রত্যর্পণ আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম ২৪ ঘণ্টায়: গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, আদালতের আদেশ, নোটিশ, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিদেশি নথির কপি সংগ্রহ করুন। কোনো নথি নষ্ট, গোপন বা পরিবর্তন করবেন না।
- এক থেকে তিন দিনের মধ্যে: প্রত্যর্পণ, আন্তর্জাতিক ফৌজদারি সহযোগিতা এবং হাইকোর্টে প্রতিকার বিষয়ে কাজ করা ঢাকার আইনজীবীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করুন। আইনজীবীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ ও সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজের অনুমোদন যাচাই করুন।
- প্রথম পরামর্শে: আইনজীবীকে অনুরোধের দেশ, অভিযোগ, আটক হওয়ার স্থান, চলমান বাংলাদেশি মামলা এবং সম্ভাব্য মানবাধিকার ঝুঁকি জানান। নথি দেখে তিনি জরুরি জামিন, রিট বা আপত্তির প্রয়োজন নির্ধারণ করবেন।
- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে: লিখিতভাবে কাজের পরিধি, আদালত, সরকারি দপ্তরের যোগাযোগ, সম্ভাব্য আবেদন এবং পেশাগত ফি জেনে নিন। অনুবাদ, নথি সত্যায়ন, যাতায়াত এবং জরুরি শুনানির খরচ আলাদা কি না নিশ্চিত করুন।
- সাত দিনের মধ্যে: আইনজীবীর মাধ্যমে আটক বা গ্রেপ্তারের বৈধতা, প্রত্যর্পণ অনুরোধের নথি এবং প্রযোজ্য চুক্তি পরীক্ষা করান। প্রয়োজন হলে আদালতে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা বা জামিনের আবেদন প্রস্তুত করুন।
- চলমানভাবে: প্রতিটি শুনানির তারিখ, আদেশ, সরকারি নোটিশ এবং বিদেশি পক্ষের নতুন নথি লিখিতভাবে সংরক্ষণ করুন। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে আইনজীবীকে দ্রুত জানিয়ে কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, প্রত্যর্পণ সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।