ঢাকা-ভিত্তিক সেরা ফিনটেক আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
ঢাকা, বাংলাদেশ-এর ফিনটেক আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 6টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 6
- 6-এর মধ্যে 6টির শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2018
- 6 ফার্মের মধ্যে 5টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 6–20
- 6 ফার্মের মধ্যে 5টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 3
- 6 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 4
- 6 ফার্মের মধ্যে
তাদের অফিস কোথায়
এই তালিকায় 6টি অফিস
সবগুলো 6টি ঠিকানা দেখান
- Tobarrak Law Chamber · Suite B-17, Rupayan Karim Tower, 80 Kakrail VIP Road, Dhaka-1000, Bangladesh
- Tuhin & Partners · Office No. 305 (2nd floor), 3/B, Purana Paltan
- Legal Counsel BD · Momtaz Vision, (Suite – B4, Level 2), House-11/A, Road-99, Gulshan-2, Dhaka-1212, Bangladesh.
- A. N. Azad & Associates · Block-A, Level 04 (Road Side), House No. 31, Niketan Road No. 1, Dhaka 1212, Bangladesh
- LEED-Lawyers For Energy, Environment & Development · 46 Kakrail Rd, Dhaka 1000, Bangladesh
- The justice corner · 37/2, Purana Paltan Pritom - Zaman Tower, Level: 11, Suit No. 1207, Dhaka - 1000, Bangladesh
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- English 4টি ফার্ম
- Bengali 4টি ফার্ম
- Japanese 1টি ফার্ম
- Hindi 1টি ফার্ম
- Urdu 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 2টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 4টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 2009 সালের; মধ্যমা 2018।
তাদের দল কত বড়
- 1 থেকে 5 জন 1টি ফার্ম
- 6 থেকে 20 জন 3টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
ঢাকায় আর্থিক প্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইনজীবীর সহায়তা কখন প্রয়োজন
ঢাকায় আর্থিক প্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইন মূলত ডিজিটাল পেমেন্ট, মোবাইল আর্থিক সেবা, ঋণপ্রযুক্তি, পেমেন্ট গেটওয়ে, ইলেকট্রনিক পরিচয় যাচাই এবং গ্রাহক সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নির্দেশনা এবং কোম্পানি নিবন্ধনের বিষয়গুলোও এতে যুক্ত থাকে।
কোনো নতুন সেবা চালুর আগে ব্যবসার মডেলটি ব্যাংকিং, পেমেন্ট সেবা, ঋণ, অর্থ স্থানান্তর, তথ্যপ্রক্রিয়াকরণ নাকি সফটওয়্যার সেবা - তা নির্ধারণ করা জরুরি। ঢাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি, চুক্তি, তথ্য সুরক্ষা, কর এবং অর্থপাচার প্রতিরোধের দায়বদ্ধতা একসঙ্গে পর্যালোচনা করতে হয়।
আইনজীবী সাধারণত লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা যাচাই, বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদনের নথি প্রস্তুত, অংশীদারিত্ব চুক্তি, গ্রাহক শর্তাবলি, গোপনীয়তা নীতি এবং নিয়ন্ত্রক জবাব তৈরি করেন। বিরোধ হলে দেওয়ানি আদালত, বাণিজ্যিক সালিস বা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রকের প্রক্রিয়াও প্রযোজ্য হতে পারে।
কোন পরিস্থিতিতে আইনজীবী নেওয়া দরকার
- পেমেন্ট সেবা চালু করা: পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর, পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী বা পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে কাজের আগে অনুমোদন ও ব্যবসায়িক কাঠামো যাচাই দরকার।
- মোবাইল আর্থিক সেবা বা এজেন্ট নেটওয়ার্ক: ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এজেন্ট এবং মার্চেন্টের দায়বদ্ধতা চুক্তিতে স্পষ্ট না থাকলে গ্রাহক অভিযোগ ও অর্থের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
- ডিজিটাল ঋণ বা ক্ষুদ্রঋণ প্ল্যাটফর্ম: ঋণদাতা কে, সুদ বা ফি কীভাবে নির্ধারিত হবে এবং গ্রাহকের তথ্য কীভাবে ব্যবহৃত হবে, তা আইনগতভাবে পরীক্ষা করতে হয়।
- পরিচয় যাচাই ও অর্থপাচার প্রতিরোধ: গ্রাহক যাচাই, সন্দেহজনক লেনদেন, রেকর্ড সংরক্ষণ এবং প্রতিবেদন দাখিলের প্রক্রিয়া তৈরি করতে আইনজীবীর সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।
- তথ্য ফাঁস বা সাইবার ঘটনা: গ্রাহকের আর্থিক তথ্য ফাঁস হলে নিয়ন্ত্রককে অবহিত করা, প্রমাণ সংরক্ষণ, গ্রাহককে জানানো এবং ক্ষতিপূরণের ঝুঁকি মূল্যায়ন জরুরি।
- বিনিয়োগ, অধিগ্রহণ বা অংশীদারিত্ব: বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, ব্যাংক অংশীদার বা বিদেশে তথ্য স্থানান্তরের চুক্তিতে নিয়ন্ত্রক সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।
ঢাকায় প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধান
বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২: বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার মূল ভিত্তিগুলোর একটি এটি। ব্যাংকিং, পেমেন্ট ব্যবস্থা, বৈদেশিক মুদ্রা এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ও অনুমতির গুরুত্ব এখান থেকে আসে।
অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২: আর্থিক সেবা, ডিজিটাল লেনদেন এবং গ্রাহক হিসাব পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় যাচাই, নথি সংরক্ষণ ও সন্দেহজনক লেনদেন সংক্রান্ত দায়বদ্ধতায় এই আইন প্রাসঙ্গিক। এর সঙ্গে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নির্দেশনা প্রয়োগ হতে পারে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬: ইলেকট্রনিক নথি, ডিজিটাল স্বাক্ষর, কম্পিউটার-সম্পর্কিত অপরাধ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের কিছু আইনি দিক এতে রয়েছে। অনলাইন সেবা পরিচালনার সময় অন্যান্য প্রযোজ্য সাইবার ও তথ্য সুরক্ষা বিধানের সঙ্গেও সামঞ্জস্য পরীক্ষা করা দরকার।
লাইসেন্সের ধরন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম সংক্রান্ত প্রবিধান, মোবাইল আর্থিক সেবা সংক্রান্ত নির্দেশনা এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিপালন নির্দেশনাও প্রযোজ্য হতে পারে। সর্বশেষ পরিপত্র ও অনুমোদনের শর্ত যাচাই না করে পুরোনো তালিকার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ঢাকায় আর্থিক প্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইনজীবী কেন প্রয়োজন?
নিয়ন্ত্রিত আর্থিক সেবা চালু করতে শুধু সফটওয়্যার তৈরি যথেষ্ট নয়। লাইসেন্স, গ্রাহক চুক্তি, পরিচয় যাচাই, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রক প্রতিবেদন একসঙ্গে সামলাতে হয়।
প্রতিটি ডিজিটাল আর্থিক ব্যবসার কি বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স লাগে?
না, সব সফটওয়্যার বা প্রযুক্তি সেবার জন্য একই লাইসেন্স লাগে না। তবে গ্রাহকের অর্থ গ্রহণ, স্থানান্তর, নিষ্পত্তি, ঋণ বা আর্থিক হিসাব পরিচালনা করলে নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের প্রশ্ন উঠতে পারে। ব্যবসার কার্যপ্রবাহ দেখে আইনজীবী সঠিক শ্রেণি নির্ধারণ করতে পারেন।
ঢাকায় কোন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হতে পারে?
পেমেন্ট বা ব্যাংকিং-সম্পর্কিত সেবায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কর্তৃপক্ষ হতে পারে। কোম্পানি গঠন ও নিবন্ধনের জন্য যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর প্রাসঙ্গিক, আর অর্থপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নির্দেশনা বিবেচ্য।
কোম্পানি নিবন্ধনের আগে নাকি পরে আইনজীবী নেওয়া উচিত?
সম্ভব হলে ব্যবসার কাঠামো নির্ধারণের আগেই পরামর্শ নেওয়া ভালো। এতে কোম্পানির উদ্দেশ্য, শেয়ারহোল্ডার চুক্তি, পরিচালকের দায়িত্ব এবং সম্ভাব্য লাইসেন্সের সঙ্গে গঠনতন্ত্র সামঞ্জস্য করা যায়।
লাইসেন্স পেতে সাধারণত কত সময় লাগে?
সময় সেবার ধরন, আবেদনপত্রের পূর্ণতা, মূলধন, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রকের প্রশ্নের ওপর নির্ভর করে। নথি প্রস্তুতিতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে, কিন্তু নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের নির্দিষ্ট সময় সব ক্ষেত্রে এক নয়।
আইনজীবীর খরচ কীভাবে নির্ধারিত হয়?
কাজটি এককালীন মতামত, কোম্পানি ও চুক্তি প্রস্তুতি, লাইসেন্স আবেদন, মাসিক পরিপালন সহায়তা বা বিরোধ নিষ্পত্তি - কোন ধরনের, তার ওপর ফি নির্ভর করে। লিখিত পরিধি, ধাপভিত্তিক ফি, সরকারি ফি এবং অতিরিক্ত কাজের হার আগে জেনে নেওয়া উচিত।
ছোট নতুন উদ্যোগের কি পূর্ণকালীন আইনজীবী দরকার?
সাধারণত পূর্ণকালীন নিয়োগ বাধ্যতামূলক নয়। প্রাথমিক কাঠামো, লাইসেন্স যাচাই, মূল চুক্তি এবং গ্রাহক নথির জন্য প্রকল্পভিত্তিক পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কোন যোগ্যতা দেখা উচিত?
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রিত সেবা, অর্থপাচার প্রতিরোধ, প্রযুক্তি চুক্তি এবং তথ্য সুরক্ষায় বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা দেখা উচিত। আদালতে প্রতিনিধিত্বের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট কি না, সেটিও যাচাই করা দরকার।
শুধু কোম্পানি নিবন্ধনের আইনজীবী কি এই কাজের জন্য যথেষ্ট?
সবসময় নয়। কোম্পানি নিবন্ধন আলাদা বিষয়, আর পেমেন্ট অনুমোদন, গ্রাহক অর্থ, পরিচয় যাচাই এবং নিয়ন্ত্রক পরিপালনে বিশেষ জ্ঞান প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী কর, সাইবার নিরাপত্তা বা মেধাস্বত্ব বিশেষজ্ঞও যুক্ত হতে পারেন।
গ্রাহকের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য কীভাবে সুরক্ষিত করা উচিত?
কোন তথ্য সংগ্রহ করা হবে, কেন করা হবে, কতদিন রাখা হবে এবং কার সঙ্গে ভাগ করা হবে, তা লিখিত নীতিতে নির্ধারণ করা উচিত। সরবরাহকারী চুক্তি, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ, তথ্য ফাঁসের প্রতিক্রিয়া এবং প্রযোজ্য সাইবার বিধানও পর্যালোচনা করতে হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার নোটিশ পেলে কী করা উচিত?
নোটিশের সময়সীমা, চাওয়া নথি এবং অভিযোগের ভিত্তি প্রথমে পরীক্ষা করা উচিত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্যভিত্তিক উত্তর দিতে হবে এবং ভুল বা অসম্পূর্ণ ব্যাখ্যা দেওয়ার আগে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
ব্যাংক ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্বে আইনজীবী কী করেন?
আইনজীবী সেবা সীমা, অর্থের নিষ্পত্তি, গ্রাহক অভিযোগ, তথ্য ব্যবহার, নিরাপত্তা, নিরীক্ষা এবং চুক্তি বাতিলের শর্ত নির্ধারণ করেন। ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনসাপেক্ষ কাজ চুক্তিতে স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়।
ঢাকার সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎস
- বাংলাদেশ ব্যাংক: ব্যাংকিং, পেমেন্ট ব্যবস্থা, মোবাইল আর্থিক সেবা এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদন ও নির্দেশনা সম্পর্কে তথ্য দেয়।
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট: অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে পরিচয় যাচাই, সন্দেহজনক লেনদেন এবং প্রতিবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়।
- যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর: কোম্পানি, বিদেশি কোম্পানি, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন ও নথি সংরক্ষণের কাজ করে।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম ১-২ দিনে সেবার ধরন লিখুন: পেমেন্ট, ঋণ, অর্থ স্থানান্তর, তথ্যপ্রক্রিয়াকরণ, পরিচয় যাচাই নাকি সফটওয়্যার সরবরাহ - কোনটি করবেন, তা নির্ধারণ করুন।
- প্রথম সপ্তাহে তিনজন সম্ভাব্য আইনজীবী যাচাই করুন: নিয়ন্ত্রক পরিপালন, বাংলাদেশ ব্যাংক-সম্পর্কিত কাজ, প্রযুক্তি চুক্তি এবং বিরোধ নিষ্পত্তির অভিজ্ঞতা তুলনা করুন।
- পরামর্শের আগে নথি প্রস্তুত করুন: ব্যবসার প্রবাহ, তহবিলের চলাচল, গ্রাহকের ধরন, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, খসড়া চুক্তি এবং সম্ভাব্য বিদেশি লেনদেনের তথ্য দিন।
- প্রথম বৈঠকে আইনগত শ্রেণি ও লাইসেন্স জিজ্ঞাসা করুন: কোন অনুমোদন প্রয়োজন, কোন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন হবে এবং কোন ঝুঁকি এখনই সমাধান করতে হবে, লিখিতভাবে নিন।
- ৩-৭ দিনের মধ্যে কাজের পরিধি ও ফি চূড়ান্ত করুন: মতামত, নথি প্রস্তুতি, আবেদন, জবাব, পরিপালন এবং ভবিষ্যৎ সহায়তা আলাদা ধাপে উল্লেখ করুন।
- আবেদনপত্র জমার আগে যাচাই করুন: কোম্পানির নথি, পরিচালকদের তথ্য, মূলধন, প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ, গ্রাহক শর্তাবলি এবং পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া পরস্পর সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না দেখুন।
- প্রতি মাসে পরিপালন পর্যালোচনা করুন: নতুন বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা, অর্থপাচার প্রতিরোধের পরিবর্তন, সাইবার ঘটনা এবং গ্রাহক অভিযোগের রেকর্ড আইনজীবীর সঙ্গে পর্যালোচনা করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, ফিনটেক সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।