ঢাকা-ভিত্তিক সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজিং আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
ঢাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসা শুরু করতে আইনজীবীর সহায়তা কোথায় প্রয়োজন
ঢাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসায় ব্র্যান্ডের মালিক ও স্থানীয় পরিচালকের মধ্যে অধিকার, অর্থপ্রদান, মাননিয়ন্ত্রণ এবং দায়বদ্ধতা লিখিত চুক্তিতে নির্ধারিত হয়। চুক্তির পাশাপাশি কোম্পানি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, কর, মূল্য সংযোজন কর, আমদানি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বিষয়ও আসতে পারে।
ঢাকা উত্তর বা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলাকায় দোকান বা রেস্তোরাঁ চালালে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স লাগতে পারে। বিদেশি ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে রয়্যালটি পাঠানো, মেধাস্বত্ব ব্যবহার এবং বিনিয়োগ কাঠামো বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের নিয়মের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হয়।
আইনজীবী সাধারণত প্রকাশ্য তথ্যপত্র, ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি, গোপনীয়তা, ব্র্যান্ড ব্যবহারের অনুমতি, সরবরাহ ব্যবস্থা, অঞ্চলভিত্তিক একচেটিয়া অধিকার এবং চুক্তি শেষ হওয়ার পরের দায় পরীক্ষা করেন। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কর, শ্রম, ভোক্তা অধিকার ও পণ্যনিরাপত্তার বিষয়ও যুক্ত হতে পারে।
কোন পরিস্থিতিতে ফ্র্যাঞ্চাইজি আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে
- ঢাকায় বিদেশি খাবার, শিক্ষা, খুচরা বিক্রি বা সেবা ব্র্যান্ডের শাখা খুলতে গেলে এবং বিদেশে রয়্যালটি বা ফি পাঠানোর কাঠামো নির্ধারণ করতে হলে।
- স্থানীয় উদ্যোক্তা হিসেবে মূল ব্র্যান্ডের খসড়া চুক্তিতে একতরফা ফি বৃদ্ধি, বাধ্যতামূলক সরবরাহকারী বা কঠোর বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা আছে কি না যাচাই করতে হলে।
- ঢাকা উত্তর বা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলাকায় দোকান, রেস্তোরাঁ বা প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালুর আগে ট্রেড লাইসেন্স, কর নিবন্ধন এবং অন্যান্য অনুমতির তালিকা নির্ধারণ করতে হলে।
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোম্পানি, শাখা, ডিলারশিপ বা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবসা চালানোর কাঠামো বেছে নিতে হলে।
- ট্রেডমার্ক, লোগো, ব্যবসায়িক নকশা বা গোপন পরিচালনপদ্ধতি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিরোধ দেখা দিলে।
- চুক্তি বাতিল, বকেয়া রয়্যালটি, সরবরাহ বন্ধ, অঞ্চল লঙ্ঘন বা দোকান বন্ধের পর ব্র্যান্ডের সামগ্রী ফেরত নিয়ে বিরোধ হলে।
ঢাকায় প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধিব্যবস্থা
চুক্তি আইন, ১৮৭২: ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তির প্রস্তাব, গ্রহণ, প্রতিশ্রুতি, ক্ষতিপূরণ, অঙ্গীকারভঙ্গ এবং প্রতিকার বিশ্লেষণে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তির ভাষা, স্বাক্ষরকারী পক্ষের ক্ষমতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির ধারা স্থানীয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯: ব্র্যান্ডের নাম, লোগো এবং অন্যান্য চিহ্নের নিবন্ধন, ব্যবহার ও লঙ্ঘন বিষয়ে এই আইন প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশে ব্র্যান্ড ব্যবহার করার আগে নিবন্ধিত মালিকানা, লাইসেন্সের পরিধি এবং ব্যবহার বন্ধের পর চিহ্ন অপসারণের বাধ্যবাধকতা যাচাই করা উচিত।
বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭: বিদেশি ব্র্যান্ডকে রয়্যালটি, প্রযুক্তি ফি, ব্যবস্থাপনা ফি বা অন্য অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে এই আইন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রযোজ্য অনুমোদন ও নির্দেশনা বিবেচনা করতে হয়। অর্থপ্রদানের ধরন, কর কর্তন এবং ব্যাংকিং নথি আগে যাচাই না করলে লেনদেন আটকে যেতে পারে।
ব্যবসার কাঠামো অনুযায়ী কোম্পানি নিবন্ধন, আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, আমদানি এবং কর্মসংস্থান সম্পর্কিত পৃথক নিয়মও প্রযোজ্য হতে পারে। নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবার জন্য অতিরিক্ত অনুমতি প্রয়োজন কি না, তা ব্যবসার মডেল দেখে নির্ধারণ করা উচিত।
ফ্র্যাঞ্চাইজি আইন সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
বাংলাদেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসার জন্য আলাদা একটি পূর্ণাঙ্গ আইন আছে কি?
বাংলাদেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকারী একক ও পূর্ণাঙ্গ আইন নেই। সাধারণত চুক্তি, ট্রেডমার্ক, কোম্পানি, কর, বৈদেশিক মুদ্রা এবং ভোক্তা সুরক্ষার বিভিন্ন আইন একসঙ্গে প্রযোজ্য হয়।
ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি কি বাংলাদেশে নিবন্ধন করতে হয়?
সাধারণ ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তির জন্য আলাদা বাধ্যতামূলক নিবন্ধন সব ক্ষেত্রে নেই। তবে কোম্পানি নিবন্ধন, ট্রেডমার্ক, বৈদেশিক অর্থপ্রদান এবং কর-সংক্রান্ত প্রয়োজন আলাদা হতে পারে। বিদেশি পক্ষ থাকলে চুক্তি কার্যকর করার আগে ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথিপত্র যাচাই করা উচিত।
ঢাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজি দোকান খুলতে কী কী অনুমতি লাগতে পারে?
ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স, কর নিবন্ধন এবং মূল্য সংযোজন করের নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তি প্রয়োজন হতে পারে। আমদানিনির্ভর পণ্য, খাবার, শিক্ষা বা স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অনুমতি লাগতে পারে। নির্দিষ্ট ঠিকানা ও ব্যবসার কার্যক্রম দেখে আইনজীবী অনুমতির তালিকা তৈরি করতে পারেন।
বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজারের সঙ্গে চুক্তিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কোনগুলো?
রয়্যালটি, প্রাথমিক ফি, কর, অর্থ পাঠানোর পদ্ধতি, মুদ্রার ওঠানামা এবং চুক্তির মেয়াদ স্পষ্ট থাকা দরকার। অঞ্চল, একচেটিয়া অধিকার, সরবরাহকারী, মাননিয়ন্ত্রণ, তথ্যের গোপনীয়তা, নবায়ন এবং চুক্তি বাতিলের পরের দায়িত্বও নির্দিষ্ট করা উচিত।
ফ্র্যাঞ্চাইজি আইনজীবী নিয়োগের খরচ কত হতে পারে?
খরচ নির্ভর করে চুক্তির দৈর্ঘ্য, বিদেশি পক্ষের উপস্থিতি, নথি পর্যালোচনার পরিমাণ এবং আলোচনায় আইনজীবীর ভূমিকার ওপর। কেউ নির্দিষ্ট ফি নেন, আবার কেউ ঘণ্টাভিত্তিক বা ধাপভিত্তিক ফি নির্ধারণ করেন। লিখিত ফি-প্রস্তাবে সরকারি ফি, অনুবাদ, নোটারি এবং কর আলাদা কি না জেনে নেওয়া উচিত।
ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি পর্যালোচনায় কত সময় লাগতে পারে?
সহজ স্থানীয় চুক্তির প্রাথমিক পর্যালোচনা কয়েক কর্মদিবসে হতে পারে। বিদেশি চুক্তি, দ্বিভাষিক নথি, সংশোধনী এবং অনুমোদনের বিষয় থাকলে এক থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। সময় নির্ভর করে নথি সম্পূর্ণ পাওয়া এবং অন্য পক্ষের আলোচনার গতির ওপর।
বিদেশি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে সরাসরি ফ্র্যাঞ্চাইজি দিতে পারে কি?
বিদেশি ব্র্যান্ড স্থানীয় অংশীদার, কোম্পানি, শাখা বা অন্য কাঠামোর মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারে। তবে মেধাস্বত্বের অনুমতি, বিনিয়োগের কাঠামো, কর, বৈদেশিক মুদ্রা এবং প্রযোজ্য সরকারি অনুমোদন আগে যাচাই করতে হয়। কাঠামোটি ব্যবসার কার্যক্রম ও অর্থপ্রদানের ধরন অনুযায়ী বেছে নেওয়া উচিত।
ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তিতে একচেটিয়া ঢাকা অঞ্চল পাওয়া কি নিশ্চিত?
না। একচেটিয়া অঞ্চল চুক্তির নির্দিষ্ট শর্তের বিষয় এবং তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় না। অঞ্চলটির সীমানা, অনলাইন বিক্রি, অন্য শাখা, পণ্য সরবরাহ এবং ন্যূনতম বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা লিখিতভাবে নির্ধারণ করা দরকার।
চুক্তি বাতিল হলে স্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি কী করতে পারে?
চুক্তিতে নোটিশ, সংশোধনের সুযোগ, বকেয়া পরিশোধ এবং বাতিলের কারণ উল্লেখ থাকলে প্রথমে সেই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। অন্য পক্ষ চুক্তিভঙ্গ করলে ক্ষতিপূরণ, পাওনা আদায় বা নিষেধাজ্ঞার মতো প্রতিকার প্রাসঙ্গিক হতে পারে। প্রতিকারের ধরন চুক্তির ভাষা এবং প্রমাণের ওপর নির্ভর করে।
ফ্র্যাঞ্চাইজারের দেওয়া চুক্তি পরিবর্তন করা যায় কি?
আলোচনা সাপেক্ষে সাধারণত পরিবর্তন করা যায়, বিশেষ করে অর্থপ্রদান, সরবরাহ, অঞ্চল, নবায়ন এবং বাতিলের ধারায়। মৌখিক প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর না করে সংশোধনগুলো চুক্তি বা স্বাক্ষরিত সংযোজনে লিখতে হবে। স্থানীয় আইনবিরোধী বা অস্পষ্ট ধারা গ্রহণের আগে আইনজীবীর মতামত নেওয়া নিরাপদ।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসায় কোম্পানি গঠন কি বাধ্যতামূলক?
সব ক্ষেত্রে কোম্পানি গঠন বাধ্যতামূলক নয়; ব্যক্তি মালিকানা বা অংশীদারিত্বের কাঠামোও কিছু ব্যবসায় ব্যবহার করা যায়। তবে বিদেশি ব্র্যান্ড, একাধিক বিনিয়োগকারী, সীমিত দায় এবং বড় পরিচালন কাঠামোর ক্ষেত্রে কোম্পানি বেশি উপযোগী হতে পারে। হিসাবরক্ষণ, কর এবং দায়ের বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
ব্র্যান্ডের ট্রেডমার্ক বাংলাদেশে নিবন্ধিত না থাকলে চুক্তি করা উচিত কি?
নিবন্ধন না থাকলেও চুক্তি করা সম্ভব হতে পারে, কিন্তু মালিকানা ও প্রয়োগের ঝুঁকি বাড়ে। আইনজীবী বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিদপ্তরের রেকর্ড, মালিকের অধিকার এবং বাংলাদেশে আবেদন বা নিবন্ধনের অবস্থা যাচাই করতে পারেন। চুক্তিতে নিবন্ধনের দায়িত্ব ও খরচ স্পষ্ট রাখা উচিত।
ঢাকার সরকারি ও আনুষ্ঠানিক সহায়ক প্রতিষ্ঠান
- যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর: কোম্পানি, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন নথি পরিচালনা করে। ব্যবসার কাঠামো ও কর্পোরেট নথি যাচাইয়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
- পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর: ট্রেডমার্কসহ নির্দিষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির আবেদন, নিবন্ধন ও রেকর্ড সংক্রান্ত কাজ করে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্র্যান্ড ব্যবহারের অধিকার যাচাইয়ে এর নথি দেখা যায়।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের বিভিন্ন সুবিধা, নিবন্ধন ও অনুমোদন বিষয়ে তথ্য ও সহায়তা দেয়। বিদেশি ব্র্যান্ড বা বিনিয়োগ কাঠামো থাকলে প্রযোজ্য প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখানকার নির্দেশনা উপকারী হতে পারে।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম ১-২ দিনে: ব্যবসার ধরন, সম্ভাব্য ঠিকানা, ফ্র্যাঞ্চাইজারের দেশ, বিনিয়োগের পরিমাণ এবং বিদেশে অর্থপ্রদানের প্রয়োজন লিখে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তৈরি করুন।
- ২-৫ দিনের মধ্যে: ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি, প্রকাশ্য তথ্যপত্র, ট্রেডমার্কের বিবরণ, ফি-তালিকা এবং সরবরাহের শর্ত সংগ্রহ করুন। অসম্পূর্ণ বা মৌখিক প্রস্তাবের পরিবর্তে লিখিত নথি চেয়ে নিন।
- এক সপ্তাহের মধ্যে: ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি, বাণিজ্যিক চুক্তি, ট্রেডমার্ক এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিষয়ে কাজ করেন এমন কয়েকজন আইনজীবীর যোগ্যতা ও পূর্বের কাজ যাচাই করুন। ঢাকা বার বা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যপদও যাচাই করা যেতে পারে।
- প্রাথমিক বৈঠকে: আইনজীবীকে অঞ্চল, রয়্যালটি, বাতিল, নবায়ন, সরবরাহ, কর, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং স্থানীয় অনুমতির ঝুঁকি চিহ্নিত করতে বলুন। শুধু চুক্তি পড়া নাকি আলোচনায় অংশ নেওয়াও সেবার মধ্যে আছে, তা নির্ধারণ করুন।
- ২-৩ কর্মদিবসের মধ্যে: লিখিত ফি-প্রস্তাব নিন এবং কাজের পরিধি, সময়সীমা, সংশোধনের সংখ্যা, সরকারি ফি ও অনুবাদ ব্যয়ের দায়িত্ব স্পষ্ট করুন। গোপনীয়তা ও স্বার্থের সংঘাত সম্পর্কেও নিশ্চিত হন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে: আইনজীবীর সংশোধিত খসড়া এবং ঝুঁকির সারসংক্ষেপ ব্যবসার অংশীদারদের সঙ্গে পর্যালোচনা করুন। বিদেশি অর্থপ্রদান বা নিবন্ধনের প্রয়োজন থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সরকারি প্রক্রিয়া আগে নিশ্চিত করুন।
- চূড়ান্ত স্বাক্ষরের পর: অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স, কর নথি, ট্রেডমার্কের অনুমতি, সরবরাহকারী চুক্তি এবং নবায়নের তারিখের একটি নথিভুক্ত তালিকা রাখুন। নিয়মিত আইনগত পর্যালোচনার সময়ও চুক্তিতে নির্ধারণ করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, ফ্র্যাঞ্চাইজিং সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।