বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি লাইসেন্সিং ও লেনদেন আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
বাংলাদেশে মেধাস্বত্ব লাইসেন্সিং ও লেনদেনে আইনজীবী কখন প্রয়োজন
বাংলাদেশে মেধাস্বত্ব লাইসেন্সিং ও লেনদেনের মধ্যে ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা, সফটওয়্যার, ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার দেওয়া বা নেওয়া অন্তর্ভুক্ত। চুক্তিতে কোন অধিকার, কোন অঞ্চল, কত দিনের জন্য এবং কোন পণ্যে ব্যবহার করা যাবে, তা স্পষ্ট না হলে পরে বিরোধ তৈরি হতে পারে।
লাইসেন্স, মালিকানা হস্তান্তর, সহ-ব্র্যান্ডিং, রয়্যালটি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং গোপনীয় তথ্যের শর্ত বাংলাদেশি আইন ও নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা প্রয়োজন। বিদেশি পক্ষ, বৈদেশিক মুদ্রায় রয়্যালটি বা আমদানি-রপ্তানি জড়িত থাকলে অতিরিক্ত অনুমোদন ও ব্যাংকিং নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে।
আইনজীবীর পারিশ্রমিক সাধারণত কাজের পরিধি, নথির জটিলতা, পক্ষের সংখ্যা, আলোচনার সময় এবং সরকারি ফি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। লিখিতভাবে কাজের পরিধি, ধাপভিত্তিক ফি, সরকারি ফি এবং কর বা ব্যাংক-সংক্রান্ত ব্যয় জেনে নেওয়া উচিত।
কোন পরিস্থিতিতে মেধাস্বত্ব আইনজীবী নেওয়া যুক্তিযুক্ত
- ব্র্যান্ড বা ট্রেডমার্ক লাইসেন্স: বাংলাদেশে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক অন্য ব্যবসাকে ব্যবহারের অনুমতি দিলে মাননিয়ন্ত্রণ, অঞ্চল, পণ্যশ্রেণি, মেয়াদ এবং রয়্যালটির শর্ত নির্ধারণ দরকার।
- সফটওয়্যার বা কনটেন্টের বাণিজ্যিক ব্যবহার: সফটওয়্যার, চলচ্চিত্র, ছবি, সংগীত বা প্রকাশনার কপিরাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর অধিকার এবং নিষিদ্ধ ব্যবহার চুক্তিতে লেখা প্রয়োজন।
- পেটেন্ট বা প্রযুক্তি হস্তান্তর: উৎপাদন পদ্ধতি, প্রযুক্তিগত নকশা বা পেটেন্ট ব্যবহারের অধিকার দিলে রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়ন, গোপনীয়তা এবং সাব-লাইসেন্সের বিষয় নির্ধারণ করতে হয়।
- বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি: বিদেশি মুদ্রায় অর্থপ্রদান, কর কর্তন, বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশে চুক্তি কার্যকরের বিষয় আইনজীবী যাচাই করতে পারেন।
- মালিকানা নিয়ে বিরোধ: কর্মী, ঠিকাদার, সফটওয়্যার ডেভেলপার বা যৌথ উদ্যোক্তার তৈরি সম্পদের মালিক কে, তা অস্পষ্ট হলে লাইসেন্সের বৈধতা ও ভবিষ্যৎ বিক্রয় ঝুঁকিতে পড়ে।
- চুক্তি ভঙ্গ বা অননুমোদিত ব্যবহার: রয়্যালটি না দেওয়া, অনুমোদিত এলাকার বাইরে ব্যবহার বা নিম্নমানের পণ্য বাজারজাতের ঘটনায় নোটিশ, সমঝোতা বা মামলা নিয়ে পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন
ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ বাংলাদেশে ট্রেডমার্কের নিবন্ধন, মালিকানা, ব্যবহার এবং লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রধান আইন। ট্রেডমার্ক লাইসেন্স বা অ্যাসাইনমেন্টের নথি তৈরি করার সময় নিবন্ধিত চিহ্ন, পণ্য বা সেবার শ্রেণি এবং ব্যবহারের সীমা মিলিয়ে দেখা হয়।
কপিরাইট আইন, ২০২৩ সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য সৃষ্টিশীল কাজের কপিরাইট সুরক্ষা ও হস্তান্তরের কাঠামো নির্ধারণ করে। পুরোনো কপিরাইট আইন, ২০০০-এর পরিবর্তে ২০২৩ সালের আইন প্রণীত হওয়ায় চুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমান বিধান ও প্রয়োগের অবস্থা যাচাই করা প্রয়োজন।
পেটেন্ট আইন, ২০২৩ পেটেন্ট সংক্রান্ত অধিকার, আবেদন, মালিকানা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে প্রাসঙ্গিক। পেটেন্ট ও শিল্প-নকশা বিষয়ে পুরোনো আইনগত কাঠামোর সঙ্গে নতুন আইনের প্রয়োগকাল এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা মিলিয়ে নেওয়া উচিত।
মেধাস্বত্ব লাইসেন্সিং ও লেনদেন নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
মেধাস্বত্ব লাইসেন্স বলতে কী বোঝায়?
লাইসেন্স হলো মালিকানা অন্যের কাছে না দিয়েও নির্দিষ্ট শর্তে কোনো মেধাস্বত্ব ব্যবহার করার অনুমতি। এতে সময়কাল, অঞ্চল, পণ্য, ব্যবহারপদ্ধতি, রয়্যালটি এবং চুক্তি বাতিলের কারণ লেখা থাকে।
লাইসেন্স দিলে কি মেধাস্বত্বের মালিকানা চলে যায়?
সাধারণ লাইসেন্সে মালিকানা মালিকের কাছেই থাকে এবং ব্যবহারকারী কেবল চুক্তিবদ্ধ অধিকার পান। তবে সম্পূর্ণ বা আংশিক মালিকানা হস্তান্তরের চুক্তি আলাদা বিষয়, যা অ্যাসাইনমেন্ট হিসেবে নথিবদ্ধ করা উচিত।
বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক লাইসেন্সের জন্য কী কী নথি দরকার?
সাধারণত ট্রেডমার্কের নিবন্ধন বা আবেদনসংক্রান্ত তথ্য, মালিক ও লাইসেন্সগ্রহীতার পরিচয়, ব্যবসায়িক কাগজপত্র এবং খসড়া চুক্তি প্রয়োজন হয়। নিবন্ধিত অধিকার থাকলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে লাইসেন্স বা হস্তান্তরের প্রভাব কীভাবে দেখানো হবে, আইনজীবী তা যাচাই করতে পারেন।
মেধাস্বত্ব লাইসেন্স চুক্তিতে কোন শর্তগুলো থাকা উচিত?
অধিকারের ধরন, একচেটিয়া বা অননন্য ব্যবহার, ভৌগোলিক এলাকা, মেয়াদ, রয়্যালটি, অডিট, মাননিয়ন্ত্রণ, গোপনীয়তা এবং সাব-লাইসেন্সের নিয়ম থাকা উচিত। চুক্তি শেষ হলে স্টক, প্রচারসামগ্রী, ডোমেইন বা সফটওয়্যার ব্যবহারের কী হবে, সেটিও উল্লেখ করা দরকার।
একচেটিয়া লাইসেন্স এবং সাধারণ লাইসেন্সের পার্থক্য কী?
একচেটিয়া লাইসেন্সে নির্দিষ্ট পরিসরে কেবল লাইসেন্সগ্রহীতা ব্যবহার করতে পারেন, অনেক ক্ষেত্রে মালিকও সেই পরিসরে ব্যবহার করতে পারেন না। সাধারণ লাইসেন্সে মালিক একই অধিকার অন্য পক্ষকেও দিতে পারেন, যদি চুক্তিতে তা নিষিদ্ধ না থাকে।
লাইসেন্স চুক্তি নিবন্ধন করা কি বাধ্যতামূলক?
বাধ্যতামূলকতা অধিকারটির ধরন, প্রযোজ্য আইন এবং চুক্তির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। নিবন্ধন বা সরকারি রেকর্ডে নথি দাখিলের প্রয়োজন থাকলে তা না করলে তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে অধিকার প্রয়োগ বা প্রমাণে সমস্যা হতে পারে।
মেধাস্বত্ব চুক্তি তৈরি করতে কত সময় লাগে?
সাধারণ দেশীয় লাইসেন্স চুক্তির প্রথম খসড়া তথ্য সম্পূর্ণ থাকলে কয়েক কর্মদিবসে প্রস্তুত হতে পারে। বিদেশি পক্ষ, পেটেন্ট, প্রযুক্তি হস্তান্তর বা দীর্ঘ আলোচনার ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
আইনজীবী নেওয়ার খরচ কীভাবে নির্ধারিত হয়?
খরচ নির্ভর করে খসড়া তৈরি, নথি যাচাই, সরকারি দাখিল, আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির প্রয়োজন আছে কি না তার ওপর। কাজ শুরুর আগে পেশাগত ফি, সরকারি ফি, অনুবাদ, স্ট্যাম্প বা ব্যাংক-সংক্রান্ত ব্যয় আলাদা করে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া উচিত।
বিদেশি কোম্পানিকে বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক বা প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার দিলে কী অতিরিক্ত বিষয় থাকে?
চুক্তির ভাষা, প্রযোজ্য আইন, অর্থপ্রদানের মুদ্রা, কর কর্তন, রয়্যালটি পাঠানো এবং বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের বিষয় পর্যালোচনা করতে হয়। ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রয়োজন হতে পারে।
কর্মীর তৈরি সফটওয়্যার বা নকশার মালিক কে?
এটি নিয়োগচুক্তি, কাজের দায়িত্ব, অর্থপ্রদান এবং প্রযোজ্য কপিরাইট বা অন্যান্য আইনের ওপর নির্ভর করতে পারে। নিয়োগের শুরুতেই সৃষ্ট কাজের মালিকানা, হস্তান্তর, গোপনীয়তা এবং কোড বা নকশা ফেরতের শর্ত লিখে রাখা নিরাপদ।
চুক্তি ভঙ্গ হলে প্রথমে কী করা উচিত?
চুক্তি, পেমেন্ট রেকর্ড, অনুমোদিত ব্যবহার এবং লঙ্ঘনের প্রমাণ সংরক্ষণ করে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি নোটিশ, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান, মধ্যস্থতা বা আদালত কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম বিবেচনা করা যেতে পারে।
মেধাস্বত্ব কেনার আগে আইনজীবী কী যাচাই করেন?
আইনজীবী মালিকানা, নিবন্ধন বা আবেদন, পূর্বের লাইসেন্স, দায়, মামলা, নবায়ন এবং হস্তান্তরের ক্ষমতা যাচাই করতে পারেন। অধিকারটি সম্পূর্ণভাবে হস্তান্তরযোগ্য কি না এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের দাবি আছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার উৎস
- পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কের আবেদন, নিবন্ধন, রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- কপিরাইট অফিস, বাংলাদেশ: কপিরাইট নিবন্ধন, সনদ, রেকর্ড এবং কপিরাইট-সংক্রান্ত সরকারি কার্যক্রমে সহায়তা করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক: বৈদেশিক মুদ্রায় রয়্যালটি, প্রযুক্তি ফি বা সংশ্লিষ্ট অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়।
উপযুক্ত মেধাস্বত্ব আইনজীবী খুঁজে নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম এক থেকে দুই দিনে: কোন অধিকার নিয়ে কাজ হবে, যেমন ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট বা সফটওয়্যার, তা লিখে নিন এবং লাইসেন্স, হস্তান্তর নাকি বিরোধ নিষ্পত্তি প্রয়োজন নির্ধারণ করুন।
- দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে: অধিকারসংক্রান্ত সনদ, আবেদন নম্বর, পূর্বের চুক্তি, চালান, পেমেন্ট রেকর্ড এবং লঙ্ঘনের প্রমাণ সংগ্রহ করুন।
- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে: মেধাস্বত্ব নিবন্ধন, চুক্তি, বৈদেশিক লেনদেন বা বিরোধে কাজ করেন এমন কয়েকজন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয় ও সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা যাচাই করুন।
- প্রাথমিক বৈঠকে: আইনজীবীকে অধিকার, পক্ষগুলোর পরিচয়, কাঙ্ক্ষিত অঞ্চল, মেয়াদ, একচেটিয়াতা, রয়্যালটি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি জানান।
- নিয়োগের আগে: কাজের পরিধি, খসড়া ও সংশোধনের সংখ্যা, সরকারি দাখিল, আলোচনায় উপস্থিতি, সময়সীমা এবং মোট ফি লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।
- এক থেকে তিন সপ্তাহে: আইনজীবীর মাধ্যমে মালিকানা যাচাই, সরকারি রেকর্ড অনুসন্ধান, চুক্তির খসড়া এবং কর বা বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত পর্যালোচনা সম্পন্ন করুন।
- স্বাক্ষরের আগে: চূড়ান্ত চুক্তির অধিকার, দায়, ক্ষতিপূরণ, গোপনীয়তা, চুক্তি বাতিল, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং অধিকার ফেরতের শর্ত বুঝে স্বাক্ষর করুন।
যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি লাইসেন্সিং ও লেনদেন সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি লাইসেন্সিং ও লেনদেন ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন
শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।