Lawzana Lawzana Logo

বাংলাদেশ-ভিত্তিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Equity Law House
ঢাকা, বাংলাদেশ

2014 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 15জন
Bengali
English
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +6
Welcome to Equity Law House. We are the best litigation law firm in Bangladesh. Our expertise spans civil and commercial litigation, arbitration, and mediation, as well as labor and employment rights, and admiralty and maritime litigation. Our experience spans multiple domains. 
Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
ঘণ্টাপ্রতি ফি ৳1,500

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক সম্পত্তি আইন আরও +6
অ্যাডভোকেট রাসেল বিশ্বাস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস - চট্টগ্রাম ও ঢাকা ভিত্তিক একটি স্বনামধন্য ল ফার্ম  জনাব রাসেল...
Tobarrak Law Chamber
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 4জন
English
Bengali
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +5
Tobarrak Law Chamber is a law firm in Bangladesh with an international clientele. From Bangladesh to England, Saudi Arabia to Hungary, Ireland to Canada, Australia to Scotland, Singapore to the UAE—and beyond—we serve clients across borders with locally grounded, globally informed legal...
Legale BD Law Firm in Bangladesh
ঢাকা, বাংলাদেশ

2010 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 20জন
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +6
Legale BD Law Firm is a Dhaka-based practice founded in 2010 under the leadership of Head of Chambers Partha Sharathi Ray. It handles matters before district courts and the Supreme Court of Bangladesh, with work spanning criminal and civil proceedings, family matters, company and corporate issues,...
ঢাকা, বাংলাদেশ

বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +6
GUARDIANiP Law Firm focuses on intellectual property matters in Bangladesh, advising businesses and innovators on protecting their brands, inventions, designs, and creative works. Its services include trademark, patent, industrial design, and copyright matters.The firm assists clients through key...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +6
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
VisionaryiP Alliance
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
English
Bengali
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ বাণিজ্যিক গোপন তথ্য আরও +6
VisionaryiP Alliance is an eminent intellectual property (IP) law firm in Bangladesh, whoprovides the legal services to clients nationwide and worldwide on their trademarks, patents, industrial designs, copyright, geographical indications, domain names and unfair competition issues and aims to give...
The Legal Circle
ঢাকা, বাংলাদেশ

2008 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +6
The Legal Circle is a firm of barristers, advocates and legal consultants specializing in representing clients in Bangladesh on both domestic and international legal matters. Bringing together a team of experienced lawyers, several of whom have previously worked at leading law firms in Bangladesh...
Legal Advice BD
ঢাকা, বাংলাদেশ

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +4
Legal Advice BD is the best law firm in Bangladesh if you are looking for a VAT lawyer in Bangladesh. They provide comprehensive law services related to income tax and VAT. If you are looking for a competent and supportive income tax lawyer in Bangladesh, then Legal Advice BD is where you need to...
Tanjib Alam and Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ কপিরাইট আরও +6
Tanjib Alam and Associates is a fully fledged law firm in Bangladesh consisting of associates with vast experience in corporate and commercial practice in Bangladesh. Tanjib Alam and Associates takes pride in serving its clients and is one of the very few law firms in Bangladesh who has a strong...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

মেধাস্বত্ব মামলা ও অধিকার বলবৎকরণে কখন আইনজীবী প্রয়োজন

বাংলাদেশে মেধাস্বত্বের বিরোধ সাধারণত ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের অধিকার নিয়ে হয়। প্রতিকার হিসেবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা, ক্ষতিপূরণ, হিসাব প্রদান, জব্দ বা নকল পণ্য অপসারণের আবেদন এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ বিবেচিত হতে পারে।

প্রথমে অধিকারটি নিবন্ধিত কি না, মালিকানা কার, লঙ্ঘনটি কোথায় ঘটেছে এবং প্রমাণ কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে তা যাচাই করা জরুরি। নিবন্ধন না থাকলেও কিছু কপিরাইট বা passing off ধরনের দাবি উঠতে পারে, তবে দাবির ভিত্তি ও প্রতিকার আলাদা হবে।

মামলা শুরুর আগে আইনজীবী সাধারণত নমুনা পণ্য, ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, চালান, নিবন্ধন সনদ, লাইসেন্স, চুক্তি এবং লঙ্ঘনের তারিখ সংগ্রহ করেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রথমে আইনি নোটিশ, সমঝোতা বা প্রশাসনিক অভিযোগের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হয়।

কোন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে মেধাস্বত্ব আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে

  • আপনার ব্র্যান্ডের নাম, লোগো বা প্যাকেট নকল করে বাংলাদেশে পণ্য বিক্রি হলে দ্রুত নিষেধাজ্ঞা ও প্রমাণ সংরক্ষণের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।
  • কেউ আপনার ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বিরুদ্ধে আপত্তি দিলে বা আপনার চিহ্নের কাছাকাছি একটি চিহ্ন নিবন্ধনের আবেদন করলে জবাব ও বিরোধিতা প্রস্তুত করতে আইনজীবী সহায়তা করতে পারেন।
  • অনুমতি ছাড়া বই, সফটওয়্যার, ছবি, ভিডিও, সংগীত বা বিজ্ঞাপনের কনটেন্ট ব্যবহার হলে কপিরাইট দাবি, নোটিশ এবং আদালতের প্রতিকার বিবেচনা করা যায়।
  • কোনো কর্মী, সরবরাহকারী বা ব্যবসায়িক অংশীদার গোপন নকশা, প্রযুক্তি বা বাণিজ্যিক তথ্য ব্যবহার করলে চুক্তি, প্রমাণ এবং সম্ভাব্য দেওয়ানি প্রতিকার বিশ্লেষণ দরকার হতে পারে।
  • পেটেন্ট বা শিল্প-নকশা নিয়ে বিরোধে প্রযুক্তিগত নথি, দাবি, অগ্রাধিকারের তথ্য এবং নিবন্ধনসংক্রান্ত রেকর্ড পরীক্ষা করতে বিশেষজ্ঞ আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে।
  • বন্দর, বাজার বা অনলাইন বিক্রয়চ্যানেলে নকল পণ্য শনাক্ত হলে আদালতের পদক্ষেপের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগের সমন্বয় দরকার হতে পারে।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান মেধাস্বত্ব আইন

ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯: বাংলাদেশে পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক নিবন্ধন, নবায়ন, আপত্তি, লঙ্ঘন এবং প্রতারণামূলক ব্যবহারের প্রতিকার এই আইনের অধীনে পরিচালিত হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের প্রধান কর্তৃপক্ষ।

কপিরাইট আইন, ২০০০: সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র, কম্পিউটার প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন সৃষ্টিকর্মের কপিরাইট এবং লঙ্ঘনের প্রতিকার এই আইনে নির্ধারিত। আইনটি ২০০০ সালে প্রণীত এবং ২০০৫ সালে সংশোধিত হয়; কপিরাইট নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস পরিচালনা করে।

পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন, ১৯১১: পেটেন্ট ও শিল্প-নকশা সংক্রান্ত পুরোনো এই আইন বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের কার্যকর কাঠামোর অংশ। পেটেন্ট ও নকশার নিবন্ধন, আপত্তি এবং অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান দপ্তরীয় নিয়ম ও প্রযোজ্য আদালতীয় প্রক্রিয়াও যাচাই করা প্রয়োজন।

ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ প্রযোজ্য হতে পারে। নির্দিষ্ট বিরোধে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, নিবন্ধনের অবস্থা এবং সাম্প্রতিক দপ্তরীয় সিদ্ধান্ত একসঙ্গে পরীক্ষা করা উচিত।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের জন্য আগে কি আইনজীবী নিয়োগ করতেই হবে?

আইনজীবী নিয়োগ সবসময় বাধ্যতামূলক নয়, তবে আদালতের মামলা, জরুরি নিষেধাজ্ঞা বা জটিল মালিকানা বিরোধে আইনগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ফোরামে আবেদন বা অসম্পূর্ণ প্রমাণে সময় ও খরচ দুটোই বাড়তে পারে।

বাংলাদেশে মেধাস্বত্ব মামলা কোথায় করা হয়?

দাবির ধরন ও আইনের ওপর নির্ভর করে উপযুক্ত দেওয়ানি আদালত বা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের সামনে কার্যক্রম হতে পারে। ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট ও নকশার প্রতিটি বিষয়ে এখতিয়ার আলাদা হতে পারে, তাই মামলা করার আগে আইনজীবীর মাধ্যমে স্থান ও আদালত যাচাই করা উচিত।

নিবন্ধন না থাকলে কি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়?

কিছু কপিরাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৃষ্টি হতে পারে এবং পাসিং অফ বা চুক্তিভিত্তিক দাবিও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে উঠতে পারে। তবে নিবন্ধন সনদ, সৃষ্টির তারিখ, ব্যবহার এবং মালিকানার নথি থাকলে দাবি প্রমাণ করা সাধারণত সহজ হয়।

ট্রেডমার্ক নিবন্ধন এবং ট্রেডমার্ক মামলা কি একই বিষয়?

না। নিবন্ধন হলো চিহ্নের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, আর মামলা হলো লঙ্ঘন বা বেআইনি ব্যবহারের বিরুদ্ধে আদালতের প্রতিকার চাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে নিবন্ধন বিরোধ, আপত্তি এবং লঙ্ঘন মামলা পৃথক ধাপে পরিচালিত হয়।

আইনজীবীকে কী কী নথি দেওয়া উচিত?

নিবন্ধন সনদ বা আবেদন, ব্যবসার লাইসেন্স, মালিকানা বা সৃষ্টির প্রমাণ, চুক্তি, চালান, বিজ্ঞাপন, ওয়েব লিংকের সংরক্ষিত কপি এবং নকল পণ্যের ছবি দেওয়া উচিত। লঙ্ঘনের তারিখ, স্থান, বিক্রেতা ও সম্ভাব্য সাক্ষীর তথ্যও শুরুতেই লিখিতভাবে সাজানো ভালো।

মেধাস্বত্ব মামলার খরচ কত হতে পারে?

খরচ নির্ভর করে অধিকারটির ধরন, আদালত, জরুরি নিষেধাজ্ঞা, প্রমাণের পরিমাণ, বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন এবং আপিলের ওপর। আইনজীবীর ফি, আদালত ফি, নোটিশ, নথি সংগ্রহ, তদন্ত ও মূল্যায়ন ব্যয় আলাদা হতে পারে। লিখিত ফি-চুক্তিতে কাজের পরিধি ও অতিরিক্ত ব্যয় উল্লেখ করা উচিত।

জরুরি নিষেধাজ্ঞা পেতে কত সময় লাগতে পারে?

জরুরি ক্ষতির প্রমাণ থাকলে আইনজীবী অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারেন। আদালতের সময়সূচি, নোটিশের প্রয়োজন, নথির মান এবং প্রতিপক্ষের আপত্তির ওপর সময় নির্ভর করে; নির্দিষ্ট ফল বা সময়ের নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

আইনি নোটিশ পাঠালেই কি মামলা শেষ হয়ে যায়?

কখনো নোটিশের পর নকল পণ্য প্রত্যাহার, ব্যবহার বন্ধ বা সমঝোতা হতে পারে। তবে নোটিশ নিজে আদালতের রায় নয়, এবং প্রতিপক্ষ অমান্য করলে পরবর্তী দেওয়ানি বা প্রযোজ্য আইনগত পদক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে।

অনলাইন কনটেন্টের কপিরাইট লঙ্ঘন হলে কী প্রমাণ রাখতে হবে?

মূল ফাইল, সৃষ্টির তারিখ, প্রকাশের রেকর্ড, অনুমতির শর্ত এবং লঙ্ঘিত পৃষ্ঠার তারিখসহ সংরক্ষিত কপি রাখা উচিত। ওয়েবপেজের পরিবর্তনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যভাবে সংরক্ষিত রেকর্ড ও প্রয়োজন হলে সাক্ষ্য বা বিশেষজ্ঞ মতামত সহায়ক হতে পারে।

বিদেশি ব্র্যান্ডের মালিক কি বাংলাদেশে মামলা করতে পারেন?

বিদেশি মালিকের অধিকার, বাংলাদেশে নিবন্ধন, ব্যবহার, লাইসেন্স এবং স্থানীয় প্রতিনিধিত্বের নথি যাচাই করতে হবে। বাংলাদেশে লঙ্ঘন ঘটলে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের সামনে পদক্ষেপ সম্ভব হতে পারে, তবে এখতিয়ার ও নথির সত্যায়ন আগে পরীক্ষা করা দরকার।

মামলা চলাকালে পণ্য জব্দ বা বাজার থেকে সরানো যায় কি?

উপযুক্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ বা আইনসম্মত প্রশাসনিক পদক্ষেপ চাওয়া যেতে পারে। কোন কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নিতে পারে, তা পণ্যের ধরন, আইন এবং ঘটনার অবস্থানের ওপর নির্ভর করে।

মেধাস্বত্ব আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কী যাচাই করা উচিত?

আইনজীবীর বার-এনরোলমেন্ট, সংশ্লিষ্ট মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা, একই ধরনের অধিকার নিয়ে কাজের পরিধি এবং ফি-ব্যবস্থা যাচাই করুন। সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, রিপোর্টিং পদ্ধতি এবং মামলা জয়ের নিশ্চয়তা না দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করুন।

বাংলাদেশের সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎস

  • পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কের আবেদন, পরীক্ষা, নিবন্ধন, নবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট আপত্তি বা দপ্তরীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে।
  • বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস: কপিরাইট নিবন্ধন, সনদ, রেকর্ড এবং কপিরাইটসংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।
  • বাংলাদেশ বার কাউন্সিল: আইনজীবীদের পেশাগত তালিকাভুক্তি ও নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব পালন করে। কোনো আইনজীবী নিয়োগের আগে তার বৈধ সনদ ও পেশাগত অবস্থান যাচাইয়ের জন্য এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য ব্যবহার করা যায়।

আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. প্রথম এক থেকে তিন দিনের মধ্যে: লঙ্ঘনের নমুনা, স্ক্রিনশট, চালান, নিবন্ধন সনদ, চুক্তি এবং ঘটনাক্রমের তারিখসহ একটি নথি-তালিকা তৈরি করুন।
  2. তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে: মেধাস্বত্ব মামলা, ট্রেডমার্ক, কপিরাইট, পেটেন্ট বা নকশা বিষয়ে কাজ করেন এমন অন্তত দুই বা তিনজন আইনজীবীর পরিচয় ও পেশাগত অবস্থান যাচাই করুন।
  3. প্রাথমিক বৈঠকে আইনজীবীকে মালিকানা, নিবন্ধনের অবস্থা, সম্ভাব্য আদালত, জরুরি প্রতিকার, ঝুঁকি এবং বিকল্প সমাধান সম্পর্কে লিখিত বা স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে বলুন।
  4. ফি, আদালত ব্যয়, নোটিশ, তদন্ত, বিশেষজ্ঞ, আপিল এবং অতিরিক্ত শুনানির খরচ আলাদা করে লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন। কাজের দায়িত্ব, যোগাযোগের ব্যক্তি এবং নথি ফেরতের পদ্ধতিও চুক্তিতে রাখুন।
  5. প্রথম এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে: আইনজীবীর পরামর্শে প্রমাণ সংরক্ষণ, আইনি নোটিশ, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের আপত্তি বা আদালতের অন্তর্বর্তী আবেদনের উপযুক্ত পথ বেছে নিন। নকল পণ্য নিজে জব্দ বা হুমকি দেওয়ার পরিবর্তে আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন।
  6. প্রতি শুনানি বা দপ্তরীয় পদক্ষেপের পর লিখিত অগ্রগতি প্রতিবেদন, পরবর্তী তারিখ, প্রয়োজনীয় নথি এবং সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব নিন। নতুন লঙ্ঘন হলে তার প্রমাণ দ্রুত আইনজীবীকে দিন।

আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি মোকদ্দমা ও অধিকার বলবৎকরণ ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন

শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।