বাংলাদেশ-ভিত্তিক লাইসেন্সিং আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
বাংলাদেশ লাইসেন্সিং আইনজীবীদের উত্তর দেওয়া আইনি প্রশ্ন
আমাদের 1টি আইনি প্রশ্ন লাইসেন্সিং বিষয়ে (স্থান: বাংলাদেশ) ব্রাউজ করুন, আইনজীবীদের উত্তর পড়ুন অথবা বিনামূল্যে নিজের প্রশ্ন করুন.
- বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানির জন্য বিএসটিআই লাইসেন্স কীভাবে পাওয়া যায় এবং সাধারণত কী কী নথিপত্রের প্রয়োজন হয়?
- আমি মোবাইল এক্সেসরিজ এবং ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক সামগ্রী আমদানি শুরু করতে চাই এবং আমাকে জানানো হয়েছে যে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পূর্বে বিএসটিআই লাইসেন্স প্রয়োজন। কোন কোন ফরম, পরীক্ষণ এবং অনুমোদন প্রযোজ্য এবং এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত কত সময় লাগে, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।
-
আইনজীবীর উত্তর Tuhin & Partners থেকে
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন)-এর মান প্রতিপালন এবং হালনাগাদকৃত আমদানি নীতি আদেশ ২০২৪-২০২৭ উভয়ই অনুসরণ করা আবশ্যক। একজন কর্পোরেট উপদেষ্টা হিসেবে আমি স্পষ্ট করতে চাই যে, বিএসটিআই-এর ছাড়পত্র সকল ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্ষেত্রে আবশ্যক নয়;...
পুরো উত্তর পড়ুন
বাংলাদেশে লাইসেন্স ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া কীভাবে চলে
বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার জন্য একাধিক স্তরের নিবন্ধন, লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদন লাগতে পারে। ব্যবসার ধরন, ঠিকানা, মালিকানার কাঠামো এবং পণ্য বা সেবার প্রকৃতি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ আলাদা হয়।
সাধারণ ব্যবসায় স্থানীয় সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স, কর শনাক্তকরণ নম্বর এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর নিবন্ধন প্রয়োজন হয়। কোম্পানি হলে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে নিবন্ধন করতে হয়।
খাদ্য, ওষুধ, আমদানি-রপ্তানি, টেলিযোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কারখানা, পরিবেশদূষণকারী কার্যক্রম এবং আর্থিক সেবার জন্য অতিরিক্ত অনুমোদন লাগতে পারে। বিদেশি বিনিয়োগ বা বিদেশি কর্মী থাকলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত পৃথক প্রক্রিয়াও প্রযোজ্য হতে পারে।
আইনজীবী সাধারণত প্রয়োজনীয় অনুমোদনের তালিকা তৈরি, আবেদনপত্র ও চুক্তি যাচাই, সরকারি কর্তৃপক্ষের আপত্তির জবাব এবং নবায়ন বা আপিলের কাজে সহায়তা করেন। শুধু একটি ট্রেড লাইসেন্স যথেষ্ট কি না, সেটিও ব্যবসার ঝুঁকি ও খাত বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করতে হয়।
কোন পরিস্থিতিতে আইনজীবীর সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে
- নতুন কোম্পানি, অংশীদারি ব্যবসা বা শাখা প্রতিষ্ঠার আগে কোন নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রয়োজন তা নির্ধারণ করতে।
- সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, ঠিকানা বা ব্যবসার শ্রেণি নিয়ে আপত্তি উঠলে।
- খাদ্য, ওষুধ, ক্লিনিক, কারখানা, পরিবহন, আমদানি-রপ্তানি বা টেলিযোগাযোগের মতো নিয়ন্ত্রিত খাতে একাধিক অনুমোদন নিতে হলে।
- পরিবেশগত ছাড়পত্র, অগ্নিনিরাপত্তা সনদ, কারখানার অনুমোদন বা কর্মক্ষেত্রের পরিদর্শন নিয়ে সরকারি নোটিশ এলে।
- লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ, মেয়াদ শেষ, জরিমানা, সাময়িক বন্ধের আদেশ বা বাতিলের নোটিশের বিরুদ্ধে জবাব দিতে হলে।
- বিদেশি বিনিয়োগকারী, বিদেশি কর্মী, প্রযুক্তি হস্তান্তর বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অনুমোদন চুক্তি থাকলে।
বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধিমালা
- কোম্পানি আইন, ১৯৯৪: কোম্পানি গঠন, পরিচালনা, শেয়ার, পরিচালক, বার্ষিক রিটার্ন এবং কোম্পানি বন্ধের বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। কোম্পানি নিবন্ধনের সঙ্গে অনুমোদিত ব্যবসার ধরন এবং সাংগঠনিক নথির সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬: দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের নিবন্ধন, বিনিয়োগ সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবার সমন্বয়ের কাঠামো দেয়। বিনিয়োগ নিবন্ধন সব ব্যবসার জন্য একইভাবে বাধ্যতামূলক নয়, তাই খাত ও বিনিয়োগ কাঠামো যাচাই করা প্রয়োজন।
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭: শিল্প ও প্রকল্পের পরিবেশগত ছাড়পত্র, শ্রেণিবিন্যাস এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয় নির্ধারণ করে। প্রকল্পের ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া কার্যক্রম চালানো আইনগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার আইন, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, আমদানি-রপ্তানি বিধান এবং খাতভিত্তিক নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। নির্দিষ্ট ব্যবসার জন্য সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শর্ত মিলিয়ে দেখা উচিত।
লাইসেন্স ও অনুমোদন সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
প্রতিটি ব্যবসার জন্য কি আইনজীবী নিয়োগ করা বাধ্যতামূলক?
সাধারণ ট্রেড লাইসেন্সের আবেদনে আইনজীবী নিয়োগ সাধারণত বাধ্যতামূলক নয়। তবে একাধিক অনুমোদন, সরকারি আপত্তি, চুক্তিগত দায় বা নিয়ন্ত্রিত খাত থাকলে আইনজীবীর পরামর্শ ভুল আবেদন ও বিলম্ব কমাতে পারে।
ট্রেড লাইসেন্স এবং কোম্পানি নিবন্ধন কি একই বিষয়?
না, এগুলো আলাদা বিষয়। কোম্পানি নিবন্ধন ব্যবসার আইনগত কাঠামো তৈরি করে, আর ট্রেড লাইসেন্স নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেয়। কোম্পানি নিবন্ধিত হলেও প্রযোজ্য ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা চালানো যাবে না।
ট্রেড লাইসেন্স কোথা থেকে নিতে হয়?
ব্যবসার ঠিকানা যে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার এলাকায়, সাধারণত সেখানকার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ট্রেড লাইসেন্স দেয়। ঠিকানা পরিবর্তন, একাধিক শাখা বা ভিন্ন ধরনের কার্যক্রম থাকলে পৃথক আবেদন বা অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সাধারণত কী কী নথি লাগে?
সাধারণত পরিচয়পত্র, ব্যবসার ঠিকানার প্রমাণ, ভাড়ার চুক্তি বা মালিকানার কাগজ, ছবি এবং ব্যবসার প্রকৃতি সম্পর্কিত তথ্য লাগে। কোম্পানি হলে নিবন্ধন নথি, আর নিয়ন্ত্রিত খাত হলে অতিরিক্ত সনদ বা অনুমতিও চাওয়া হতে পারে।
লাইসেন্স পেতে কত সময় লাগে?
সম্পূর্ণ নথি ও সঠিক ঠিকানা থাকলে সাধারণ স্থানীয় লাইসেন্সে কয়েক কর্মদিবস থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। পরিবেশগত ছাড়পত্র, পরিদর্শন বা একাধিক দপ্তরের অনুমোদন থাকলে সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে।
লাইসেন্স ও অনুমোদনের মোট খরচ কত?
সরকারি ফি ব্যবসার ধরন, অবস্থান, লাইসেন্সের শ্রেণি এবং অনুমোদনের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে। আইনজীবীর ফি আলাদা এবং আবেদনভিত্তিক, ঘণ্টাভিত্তিক বা নির্দিষ্ট পরামর্শ প্যাকেজে নির্ধারিত হতে পারে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীর জন্য কি অতিরিক্ত অনুমোদন লাগে?
বিদেশি বিনিয়োগে বিনিয়োগ নিবন্ধন, ব্যাংকিং, বৈদেশিক মুদ্রা, কর এবং বিদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানসংক্রান্ত বিষয় যুক্ত হতে পারে। খাতভেদে আলাদা নিয়ন্ত্রক অনুমোদনও প্রয়োজন হতে পারে, তাই বিনিয়োগের কাঠামো আগে পর্যালোচনা করা উচিত।
লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে কী করা উচিত?
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করা নিরাপদ। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ব্যবসা চললে অতিরিক্ত ফি, জরিমানা বা নতুন করে যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
সরকারি কর্তৃপক্ষ আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে কি আপিল করা যায়?
প্রত্যাখ্যানের কারণ লিখিতভাবে সংগ্রহ করে আগে ঘাটতি পূরণ বা পুনরায় আবেদন করা যায়। প্রযোজ্য আইন ও কর্তৃপক্ষের বিধান অনুযায়ী পুনর্বিবেচনা, আপিল বা প্রশাসনিক প্রতিকার থাকতে পারে, যা আইনজীবী যাচাই করতে পারেন।
একটি ব্যবসার একাধিক শাখার জন্য কি আলাদা লাইসেন্স লাগে?
অনেক ক্ষেত্রে প্রতিটি শাখার স্থানীয় ঠিকানার জন্য আলাদা ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে খাতভিত্তিক অনুমোদন শাখা, কারখানা বা কার্যস্থল অনুযায়ী আলাদাভাবে প্রযোজ্য কি না তা পরীক্ষা করতে হয়।
আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কোন বিষয়গুলো দেখা উচিত?
ব্যবসার সংশ্লিষ্ট খাতে তাঁর বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজের পরিচিতি এবং লিখিত ফি-চুক্তি দেখা উচিত। শুধু আবেদন জমা নয়, নবায়ন, আপত্তির জবাব, পরিদর্শন ও বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বও চুক্তিতে স্পষ্ট থাকা দরকার।
বাংলাদেশের সরকারি সহায়তা ও তথ্যের উৎস
- যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর: কোম্পানি, বিদেশি কোম্পানি, অংশীদারি ফার্ম এবং সংশ্লিষ্ট রিটার্ন ও নিবন্ধন পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ নিবন্ধন, বিনিয়োগ সহায়তা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সমন্বিত সরকারি সেবা বিষয়ে কাজ করে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, বিআইএন এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্কসংক্রান্ত নিবন্ধন ও প্রশাসনিক বিষয় পরিচালনা করে।
ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ব্যবসার এলাকার সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অফিসিয়াল নির্দেশনা আলাদাভাবে যাচাই করা উচিত। ফি, ফরম, পরিদর্শন এবং নবায়নের নিয়ম স্থানীয় কর্তৃপক্ষভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
লাইসেন্স ও অনুমোদনের জন্য আইনজীবী নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম ১-২ দিনের মধ্যে: ব্যবসার ধরন, ঠিকানা, মালিকানা, শাখা, পণ্য বা সেবা এবং সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রক ঝুঁকির তালিকা তৈরি করুন।
- ২-৫ দিনের মধ্যে: অন্তত দুই বা তিনজন আইনজীবীর কাছে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, সম্ভাব্য সময়, সরকারি ফি এবং আইনজীবীর ফি সম্পর্কে লিখিত প্রস্তাব নিন।
- নিয়োগের আগে: আইনজীবীর সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞতা, পেশাগত পরিচয়, কাজের পরিধি এবং স্বার্থের সংঘাত আছে কি না যাচাই করুন।
- চুক্তির সময়: আবেদন প্রস্তুতি, নথি যাচাই, সরকারি যোগাযোগ, পরিদর্শনে সহায়তা, আপত্তির জবাব, নবায়ন এবং অতিরিক্ত কাজের ফি লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন।
- প্রথম সপ্তাহে: পরিচয়পত্র, ভাড়ার চুক্তি, মালিকানার নথি, কোম্পানি বা অংশীদারি নথি, করের কাগজ এবং ব্যবসার বিবরণ সাজিয়ে দিন।
- আবেদনের পর: আবেদন নম্বর, রসিদ, সরকারি চিঠি এবং দাখিল করা নথির কপি সংরক্ষণ করুন। আইনজীবীর কাছ থেকে পরবর্তী অনুসরণ, সম্ভাব্য পরিদর্শন এবং প্রত্যাশিত সিদ্ধান্তের সময়সূচি লিখিতভাবে নিন।
- অনুমোদনের পর: লাইসেন্সে ব্যবসার নাম, ঠিকানা, কার্যক্রম ও মেয়াদ সঠিক আছে কি না পরীক্ষা করুন। নবায়নের শেষ তারিখ ক্যালেন্ডারে রেখে নিয়মিত কর, রিটার্ন ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক দায় পালনের ব্যবস্থা করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, লাইসেন্সিং সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক লাইসেন্সিং ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন
শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।