বাংলাদেশ-ভিত্তিক প্রাইভেট ইকুইটি আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
বাংলাদেশ প্রাইভেট ইকুইটি আইনজীবীদের উত্তর দেওয়া আইনি প্রশ্ন
আমাদের 2টি আইনি প্রশ্ন প্রাইভেট ইকুইটি বিষয়ে (স্থান: বাংলাদেশ) ব্রাউজ করুন, আইনজীবীদের উত্তর পড়ুন অথবা বিনামূল্যে নিজের প্রশ্ন করুন.
- একটি প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ডের নিকট আমার স্টার্টআপের ৩০% শেয়ার বিক্রি করার জন্য বাংলাদেশে কী কী অনুমোদনের প্রয়োজন?
- ঢাকা-ভিত্তিক একটি প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড আমার কোম্পানির ৩০% শেয়ার ক্রয় করতে চায় এবং একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের আসন ও ভেটো অধিকার পেতে চায়। এ ক্ষেত্রে কী কী ফাইলিং (নথিপত্র দাখিল), নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন বা শেয়ারহোল্ডারদের রেজোলিউশন প্রয়োজন এবং সাধারণত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কত সময় লাগে, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত...
-
আইনজীবীর উত্তর Tobarrak Law Chamber থেকে
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী, একটি প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড শেয়ার সাবস্ক্রিপশন বা শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে আপনার কোম্পানির ৩০% শেয়ার অধিগ্রহণ করতে পারে। এই লেনদেনের নথিপত্রে সাধারণত একটি শেয়ার সাবস্ক্রিপশন চুক্তি বা শেয়ার ক্রয় চুক্তি এবং একটি শেয়ারহোল্ডার্স চুক্তি (Shareholders’ Agreement) অন্তর্ভুক্ত...
পুরো উত্তর পড়ুন - সিকিউরিটিজ বিধিমালা লঙ্ঘন না করে আমি কীভাবে আইনগতভাবে আমার বাংলাদেশী স্টার্টআপের জন্য প্রাইভেট ইকুইটি সংগ্রহ করতে পারি?
- আমি ঢাকাভিত্তিক একটি প্রযুক্তি স্টার্টআপ পরিচালনা করি এবং কয়েকজন উচ্চ নিট-সম্পদধারী বিনিয়োগকারী ইকুইটি ও পরিচালনা পর্ষদের অধিকারের (board rights) বিনিময়ে এতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আমি এই বিনিয়োগ রাউন্ড এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্রগুলো যথাযথভাবে কাঠামোবদ্ধ করতে চাই এবং যেকোনো ধরনের বেআইনি পাবলিক অফারিং সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে চাই। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কোন...
-
আইনজীবীর উত্তর Tobarrak Law Chamber থেকে
কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর অধীনে, বাংলাদেশের একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে নির্বাচিত বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার ইস্যু করতে পারে, তবে শর্ত থাকে যে এই প্রস্তাবটি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত ব্যক্তিবর্গের নিকট করা হতে হবে এবং তা জনসাধারণের প্রতি কোনো আহ্বান হিসেবে গণ্য...
পুরো উত্তর পড়ুন
বাংলাদেশে বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগে আইনজীবীর ভূমিকা
বাংলাদেশে বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগে বিনিয়োগকারী, তহবিল ব্যবস্থাপক এবং লক্ষ্য কোম্পানির মধ্যে চুক্তি, কোম্পানি কাঠামো, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও অর্থ স্থানান্তর একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। বিনিয়োগটি শেয়ার, রূপান্তরযোগ্য ঋণ, অগ্রাধিকার শেয়ার বা অন্য কোনো কাঠামোতে হতে পারে।
আইনজীবী সাধারণত কোম্পানির হিসাব, মালিকানা, ঋণ, মামলা, কর-ঝুঁকি এবং নিয়ন্ত্রক অনুবর্তিতা যাচাই করেন। এরপর শেয়ার ক্রয় চুক্তি, বিনিয়োগ চুক্তি, শেয়ারহোল্ডার চুক্তি, পরিচালনা অধিকার এবং বিনিয়োগ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা প্রস্তুত বা পর্যালোচনা করা হয়।
বিদেশি বিনিয়োগকারী থাকলে বৈদেশিক মুদ্রা, অর্থ দেশে আনা, লভ্যাংশ বা বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিদেশে পাঠানো এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়া বিবেচনা করতে হয়। তালিকাভুক্ত কোম্পানি বা জনসাধারণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ জড়িত হলে পুঁজিবাজারের অতিরিক্ত নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে।
কোন পরিস্থিতিতে আইনজীবী নেওয়া জরুরি
- কোম্পানিতে বড় বিনিয়োগের আগে: আর্থিক বিবরণী, জমি বা সম্পদের মালিকানা, ব্যাংকঋণ, কর বকেয়া, শ্রম বিরোধ এবং চলমান মামলার আইনি যাচাই প্রয়োজন হলে।
- বিদেশি বিনিয়োগকারী যুক্ত হলে: শেয়ার ধারণ, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, অর্থ প্রত্যাবাসন, লভ্যাংশ এবং নিয়ন্ত্রক রিপোর্টিংয়ের শর্ত নির্ধারণে।
- নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালনা অধিকার বদলালে: বোর্ডে মনোনয়ন, ভেটো, সংরক্ষিত সিদ্ধান্ত, তথ্য পাওয়ার অধিকার এবং প্রতিষ্ঠাতার শেয়ার বিক্রির সীমা চুক্তিতে বসাতে হলে।
- বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল গঠন করলে: তহবিল নিবন্ধন, ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারীর অধিকার এবং তহবিলের প্রকাশনা সংক্রান্ত নিয়ম মানতে হলে।
- বিনিয়োগ প্রত্যাহার বা কোম্পানি বিক্রির সময়: শেয়ার হস্তান্তর, একীভূতকরণ, কৌশলগত ক্রেতার কাছে বিক্রি বা প্রতিষ্ঠাতার পুনঃক্রয়ের শর্ত তৈরি করতে হলে।
- শেয়ার বা সম্পদের মূল্যায়ন নিয়ে বিরোধ হলে: লেনদেনের মূল্য, কর প্রভাব, সংখ্যালঘু অংশীদারের অধিকার এবং ক্ষতিপূরণের বিধান নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে।
বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধিমালা
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪: বাংলাদেশে কোম্পানি গঠন, শেয়ার ইস্যু ও হস্তান্তর, পরিচালনা পর্ষদ, সদস্যদের অধিকার, হিসাব এবং কোম্পানি বিলুপ্তির মৌলিক কাঠামো এই আইনে রয়েছে। বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগের অধিকাংশ লেনদেনে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের নথি এবং কোম্পানি আইনের বিধান পরীক্ষা করা হয়।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিকল্প বিনিয়োগ) বিধিমালা, ২০১৫: বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল, তহবিল ব্যবস্থাপক এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ কার্যক্রমের জন্য এই বিধিমালা প্রাসঙ্গিক। এটি ২০১৫ সালে জারি হয় এবং তহবিলের কাঠামো, নিবন্ধন, বিনিয়োগকারী ও প্রকাশনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। প্রয়োগের আগে কমিশনের সর্বশেষ সংশোধনী ও নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।
বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭: বিদেশ থেকে মূলধন আনা, শেয়ার বা সম্পদ বিক্রির অর্থ পাঠানো, লভ্যাংশ প্রদান এবং অন্য বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন বা রিপোর্টিং প্রয়োজন হতে পারে। প্রবাসী বা বিদেশি বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে লেনদেনের ধরন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচলিত নির্দেশনা আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে হয়। করের জন্য আয়কর আইন, ২০২৩ এবং প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর বিধানও পর্যালোচনায় আসতে পারে।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগের জন্য কখন আইনজীবী প্রয়োজন?
শুধু শেয়ার কেনার বদলে নিয়ন্ত্রণ, বোর্ডের আসন, অগ্রাধিকার অধিকার বা ভবিষ্যৎ বিক্রির শর্ত থাকলে আইনজীবী নেওয়া নিরাপদ। বিদেশি অর্থ, তহবিল কাঠামো বা বড় অঙ্কের লেনদেন থাকলেও শুরুতেই আইনি পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বাংলাদেশে বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগের সাধারণ ধাপ কী?
প্রথমে বিনিয়োগের কাঠামো ও প্রাথমিক শর্ত ঠিক হয়। এরপর আইনি ও আর্থিক যাচাই, চূড়ান্ত চুক্তি, প্রয়োজনীয় কর্পোরেট অনুমোদন, অর্থ প্রদান এবং শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।
বিদেশি বিনিয়োগকারী কি বাংলাদেশি কোম্পানিতে শেয়ার কিনতে পারেন?
অনেক খাতে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে, তবে খাতভেদে সীমাবদ্ধতা, অনুমোদন বা বিশেষ শর্ত থাকতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রা, কোম্পানি নিবন্ধন, কর এবং অর্থ প্রত্যাবাসনের নিয়ম লেনদেনের আগে যাচাই করতে হয়।
একটি বেসরকারি মূলধন তহবিল চালাতে কি নিবন্ধন দরকার?
বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল হিসেবে পরিচালিত কাঠামোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বিধিমালা প্রযোজ্য হতে পারে। তহবিলের ধরন, বিনিয়োগকারীর শ্রেণি এবং অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি দেখে নিবন্ধন বা অনুমোদনের প্রয়োজন নির্ধারণ করা হয়।
আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কোন অভিজ্ঞতা দেখা উচিত?
কোম্পানি আইন, শেয়ার লেনদেন, বিনিয়োগ তহবিল, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ম এবং কর্পোরেট কর বিষয়ে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা দেখা উচিত। একই ধরনের চুক্তি, নিয়ন্ত্রক আবেদন এবং যাচাই প্রতিবেদন প্রস্তুতের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখিতভাবে জানতে পারেন।
আইনজীবীর ফি সাধারণত কীভাবে নির্ধারিত হয়?
ফি কাজের পরিধি, লেনদেনের মূল্য, নথির সংখ্যা, বিদেশি পক্ষ এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের জটিলতার ওপর নির্ভর করে। নির্দিষ্ট ফি, ঘণ্টাভিত্তিক ফি বা ধাপভিত্তিক ফি হতে পারে; কাজ শুরুর আগে লিখিত ফি প্রস্তাব নেওয়া উচিত।
আইনি যাচাই শেষ হতে কত সময় লাগে?
নথি সম্পূর্ণ এবং কোম্পানি সহযোগী হলে প্রাথমিক যাচাই কয়েক সপ্তাহে শেষ হতে পারে। জমি, কর, ঋণ, শ্রম বিরোধ বা মালিকানার পুরোনো সমস্যা থাকলে সময় আরও বাড়তে পারে।
চুক্তি সইয়ের আগে কোন নথি সংগ্রহ করা উচিত?
কোম্পানির নিবন্ধন নথি, গঠনতন্ত্র, শেয়ার রেজিস্টার, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত, আর্থিক বিবরণী, কর নথি, ঋণ চুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক লাইসেন্স সংগ্রহ করা উচিত। জমি বা মেধাস্বত্ব থাকলে সংশ্লিষ্ট মালিকানা নথিও পরীক্ষা করতে হয়।
সংখ্যালঘু বিনিয়োগকারীর জন্য কোন অধিকার গুরুত্বপূর্ণ?
তথ্য পাওয়া, বোর্ডে প্রতিনিধি মনোনয়ন, সংরক্ষিত সিদ্ধান্তে সম্মতি, নতুন শেয়ার ইস্যুতে অগ্রাধিকার এবং শেয়ার বিক্রির অধিকার গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এসব অধিকার কোম্পানির গঠনতন্ত্র ও শেয়ারহোল্ডার চুক্তিতে স্পষ্টভাবে লিখতে হয়।
তহবিল বিনিয়োগ ও সরাসরি কোম্পানিতে শেয়ার কেনার পার্থক্য কী?
তহবিলের মাধ্যমে বিনিয়োগে বিনিয়োগকারী সাধারণত তহবিল ব্যবস্থাপকের ওপর নির্ভর করেন এবং তহবিলের নিয়ম মানেন। সরাসরি শেয়ার কেনায় বিনিয়োগকারী কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি অধিকার ও ঝুঁকি নির্ধারণ করতে পারেন, তবে ব্যবস্থাপনার দায়ও বেশি থাকে।
বিনিয়োগের টাকা বাংলাদেশে আনার আগে কী যাচাই করা উচিত?
ব্যাংকিং চ্যানেল, বৈদেশিক মুদ্রা রিপোর্টিং, বিনিয়োগের উৎস, কর এবং প্রয়োজনীয় সরকারি নথি যাচাই করা উচিত। বিদেশি বিনিয়োগ হলে অর্থ প্রত্যাবাসন ও লভ্যাংশ পাঠানোর প্রক্রিয়াও চুক্তির আগে পরিষ্কার করা দরকার।
চুক্তি ভঙ্গ হলে বিনিয়োগকারী কী করতে পারেন?
চুক্তিতে ক্ষতিপূরণ, শেয়ার বিক্রির অধিকার, নির্দিষ্ট প্রতিকার, সালিশ বা আদালতের এখতিয়ার নির্ধারিত থাকতে পারে। প্রতিকার বেছে নেওয়ার আগে চুক্তির ভাষা, কোম্পানি আইনের সীমা এবং জরুরি নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা আইনজীবী দিয়ে পর্যালোচনা করা উচিত।
সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার উৎস
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন: পুঁজিবাজার, বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল, তহবিল ব্যবস্থাপক এবং সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা ও অনুমোদনের নিয়ন্ত্রক।
- যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর: কোম্পানি ও ফার্ম নিবন্ধন, কোম্পানির বার্ষিক রিটার্ন এবং কর্পোরেট নথি সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ সহায়তা, বিনিয়োগ নিবন্ধন এবং প্রাসঙ্গিক সরকারি সেবা সমন্বয়ে কাজ করে।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে: বিনিয়োগের ধরন, আনুমানিক মূল্য, বিনিয়োগকারীর দেশ, লক্ষ্য কোম্পানি এবং প্রত্যাশিত নিয়ন্ত্রণ অধিকার লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন।
- ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে: কোম্পানি আইন, বিনিয়োগ লেনদেন, বিদেশি মুদ্রা এবং বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল বিষয়ে কাজ করা কয়েকজন আইনজীবীর পেশাগত অভিজ্ঞতা তুলনা করুন।
- প্রাথমিক বৈঠকে: একই ধরনের লেনদেনে আইনজীবীর ভূমিকা, সম্ভাব্য ঝুঁকি, প্রয়োজনীয় নথি, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং সম্ভাব্য সময়সীমা নিয়ে লিখিত কাজের পরিধি নিন।
- নিয়োগের আগে: ফি, সরকারি ফি, কর বা তৃতীয় পক্ষের খরচ, পেমেন্টের ধাপ, গোপনীয়তা এবং স্বার্থের সংঘাত সম্পর্কে লিখিত সম্মতি নিন।
- প্রথম ১ থেকে ২ সপ্তাহে: কোম্পানির নিবন্ধন, শেয়ার মালিকানা, আর্থিক হিসাব, কর, ঋণ, লাইসেন্স, মামলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের নথি আইনজীবীর কাছে দিন।
- যাচাই শেষ হলে: ঝুঁকির তালিকা, সংশোধনের শর্ত, বিনিয়োগ চুক্তি, শেয়ারহোল্ডার চুক্তি এবং প্রয়োজনীয় বোর্ড বা সদস্য অনুমোদন পর্যালোচনা করুন।
- অর্থ স্থানান্তরের আগে: সব শর্ত পূরণ, শেয়ার হস্তান্তর, নিবন্ধন, ব্যাংকিং নথি এবং ভবিষ্যৎ রিপোর্টিংয়ের দায়িত্ব লিখিতভাবে নিশ্চিত করে তারপর লেনদেন সম্পন্ন করুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, প্রাইভেট ইকুইটি সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক প্রাইভেট ইকুইটি ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন
শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।