Lawzana Lawzana Logo

বাংলাদেশ-ভিত্তিক স্থানান্তর আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

পারিবারিক আইনের আইনজীবী নিয়োগের ফ্রি গাইড

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
ঘণ্টাপ্রতি ফি ৳1,500

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +19
অ্যাডভোকেট রাসেল বিশ্বাস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস - চট্টগ্রাম ও ঢাকা ভিত্তিক একটি স্বনামধন্য ল ফার্ম  জনাব রাসেল...
Legale BD Law Firm in Bangladesh
ঢাকা, বাংলাদেশ

2010 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 20জন
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +19
Legale BD Law Firm is a Dhaka-based practice founded in 2010 under the leadership of Head of Chambers Partha Sharathi Ray. It handles matters before district courts and the Supreme Court of Bangladesh, with work spanning criminal and civil proceedings, family matters, company and corporate issues,...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +14
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
PREMIUM LEGAL AND CONSULTANCY FIRM
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2021 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 3জন
English
Bengali
পরিবার স্থানান্তর সন্তানের হেফাজত আরও +11
Our heartiest welcome goes to you. Let us allow to introduce ourselves. PREMIUM LEGAL AND CONSULTANCY FIRM is a full service law chambers where we work to ensure justice for our respected clients. We are located at Khilgaon in Dhaka, which is very close to the National Board of Revenue and...
Amjad & associates, Advocate of Nilphamari Judge Court
নীলফামারী, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 4জন
Bengali
English
পরিবার স্থানান্তর বিবাহবিচ্ছেদ ও পৃথক বসবাস আরও +12
মো. আমজাদ হোসেন মামুনঅ্যাডভোকেট, নীলফামারী জজ কোর্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর...
Stellar Chambers
ঢাকা, বাংলাদেশ

1974 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 20জন
Bengali
English
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +14
Stellar Chambers | Full-Service Law Firm in Bangladesh | Corporate, Litigation & Commercial LawyersWe are a full-service law firm in Bangladesh offering strategic, efficient, and cost-effective legal solutions across corporate, transactional, and litigation matters. Over the years, we have...
Legal Counsel BD
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 17জন
English
Bengali
Japanese
পরিবার স্থানান্তর স্বামী-স্ত্রী ভরণপোষণ / খোরপোশ আরও +18
Legal Counsel is a top-tier, full-service law firm in Bangladesh, dedicated to providing holistic legal solutions with professionalism and integrity. From our offices in Dhaka and Chattogram, we empower global clients to make informed decisions through expert advisory, meticulous dispute...
JURAL ACUITY
ঢাকা, বাংলাদেশ

2015 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +14
About UsJural Acuity is a full-service law firm in Dhaka with a specialization in Corporate, Commercial, and Investment related legal practices. The main area of Practice of the Firm in Corporate Law, Commercial Documentations, Foreign Direct Investment, Labour Laws, Commercial Litigation, Energy...
M. R. I. CHOWDHURY & ASSOCIATES
ঢাকা, বাংলাদেশ

2000 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +14
Welcome you to browse through our site and find the variety of opportunities available and the services we offer.M. R. I. CHOWDHURY & ASSOCIATES founded by Barrister M. Rafiqul Islam Chowdhury, Chief Immigration Specialist Lawyer owns its origin and eventually grown steadily to become one of...
Roy Law Nexus
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ

তাদের টিমে 11জন
English
পরিবার স্থানান্তর দত্তক গ্রহণ আরও +19
Roy Law Nexus is a Dhaka-based law chamber led by Sawdip Roy Sajib, an Advocate of the Supreme Court of Bangladesh. It provides legal consultation, litigation support, drafting, documentation and advisory services to individuals, families, entrepreneurs and companies, including representation...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

বাংলাদেশে অভিবাসন সহায়তা নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি

বাংলাদেশে অভিবাসন আইন সাধারণত পাসপোর্ট, ভিসা, নাগরিকত্ব, বিদেশে কাজ, দেশে প্রবেশ এবং অবস্থানের অনুমতিকে ঘিরে প্রযোজ্য হয়। বাংলাদেশি নাগরিক বিদেশে যেতে চাইলে গন্তব্য দেশের নিয়মের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও বহির্গমন সংক্রান্ত বিধান মানতে হয়।

বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ বা অবস্থান করলে ভিসার শর্ত, অবস্থানের মেয়াদ এবং প্রযোজ্য নিবন্ধন নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। আবেদন, আপিল, ভিসা পরিবর্তন, নাগরিকত্বের দাবি বা বহিষ্কার সংক্রান্ত জটিলতায় আইনজীবীর পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিটি ভিসা বা অভিবাসন মামলার ফল নির্ভর করে নথি, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, আগের ভিসার ইতিহাস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর। কোনো আইনজীবী ভিসা বা নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার বৈধ নিশ্চয়তা দিতে পারেন না।

কোন পরিস্থিতিতে অভিবাসন আইনজীবী দরকার হতে পারে

  • পাসপোর্টে নাম, জন্মতারিখ বা পিতামাতার তথ্যের ভুল থাকলে এবং সংশোধনের জন্য একাধিক সরকারি নথি সমন্বয় করতে হলে।
  • বিদেশে কাজের নামে দালাল অতিরিক্ত টাকা নিলে, ভুয়া কাগজ দিলে বা প্রতিশ্রুত চাকরি না দিলে প্রতিকার চাইতে হলে।
  • বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহের পর নাগরিকত্ব, ভিসা বা বাংলাদেশে অবস্থানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে।
  • বাংলাদেশে থাকা কোনো বিদেশি নাগরিকের ভিসার মেয়াদ শেষ হলে, জরিমানা হলে বা বহিষ্কারের নোটিশ পেলে।
  • শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী বা রাষ্ট্রহীন ব্যক্তির পরিচয়, আটক বা দেশে অবস্থান সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিলে।
  • বিদেশে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা অপরাধের অভিযোগের কারণে বহির্গমন বাধাগ্রস্ত হলে।

সাধারণ আবেদন নিজে করা সম্ভব হলেও প্রত্যাখ্যান, আটক, বহিষ্কার বা প্রতারণার ক্ষেত্রে দ্রুত আইনগত পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আইনজীবী নথির ঘাটতি, কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার এবং সম্ভাব্য প্রতিকার নির্ধারণে সহায়তা করতে পারেন।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধান

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫১: জন্ম, বংশসূত্র, নিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন এই আইনের কাঠামোর মধ্যে পড়ে। নাগরিকত্বের বাস্তব সিদ্ধান্তে পরবর্তী আদেশ, সরকারি নীতি এবং সংশ্লিষ্ট নথিও বিবেচিত হতে পারে।

বাংলাদেশ নাগরিকত্ব (অস্থায়ী বিধান) আদেশ, ১৯৭২: স্বাধীনতার পর নাগরিকত্বের অবস্থান নির্ধারণে এই আদেশ গুরুত্বপূর্ণ। দ্বৈত নাগরিকত্ব বা বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণের প্রভাব বুঝতে আইনজীবীর মাধ্যমে বর্তমান সরকারি বিধান যাচাই করা উচিত।

পাসপোর্ট অধ্যাদেশ, ১৯৭৩: বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যু, ব্যবহার, প্রত্যাহার এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে এটি প্রাসঙ্গিক। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রক্রিয়া ও পরবর্তী সরকারি নির্দেশনাও আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশি নাগরিকের বাংলাদেশে প্রবেশ, অবস্থান এবং বহিষ্কারের ক্ষেত্রে বিদেশি আইন, ১৯৪৬ এবং ভিসা সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা প্রাসঙ্গিক হতে পারে। নির্দিষ্ট মামলায় সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পরীক্ষা করা জরুরি।

অভিবাসন আইন নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশে অভিবাসন আইনজীবী নেওয়া কি সবসময় বাধ্যতামূলক?

না। সাধারণ পাসপোর্ট বা ভিসা আবেদন অনেক সময় নিজেই করা যায়। তবে প্রত্যাখ্যান, আটক, বহিষ্কার, নাগরিকত্ব বিরোধ বা প্রতারণার মতো ক্ষেত্রে আইনজীবীর সহায়তা ঝুঁকি কমাতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার আগে আইনজীবী কী করতে পারেন?

আইনজীবী পাসপোর্ট, চাকরির চুক্তি, ভিসার শর্ত এবং নিয়োগদাতা বা এজেন্সির নথি পর্যালোচনা করতে পারেন। তিনি প্রতারণার লক্ষণ, বেআইনি ফি এবং চুক্তির ঝুঁকি ব্যাখ্যা করতে পারেন।

ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে আইনজীবী কি সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেন?

আইনজীবী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত সরাসরি বদলাতে পারেন না। তবে প্রত্যাখ্যানের কারণ বিশ্লেষণ করে পুনরায় আবেদন, প্রশাসনিক পর্যালোচনা বা প্রযোজ্য আইনি প্রতিকারের পথ দেখাতে পারেন।

বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকের ভিসা শেষ হয়ে গেলে কী করা উচিত?

অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৈধতা, জরিমানা বা প্রস্থানের প্রয়োজনীয়তা জানতে হবে। বিলম্ব হলে আটক বা বহিষ্কারের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া যুক্তিযুক্ত।

বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব পাওয়া যায়?

না। বিবাহ নিজে নাগরিকত্বের স্বয়ংক্রিয় অধিকার তৈরি করে না। নাগরিকত্ব, নিবন্ধন বা অবস্থানের জন্য প্রযোজ্য আইন, নথি এবং সরকারি অনুমোদন আলাদাভাবে বিবেচিত হয়।

দ্বৈত নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো যাচাই করা দরকার?

ব্যক্তির জন্ম, বংশ, বর্তমান নাগরিকত্ব এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আইন যাচাই করতে হয়। বাংলাদেশে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমতি সব ক্ষেত্রে এক নয়, তাই নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে প্রযোজ্য সরকারি বিধান পরীক্ষা করা জরুরি।

অভিবাসন আইনজীবীর ফি সাধারণত কত?

ফি নির্ভর করে পরামর্শ, নথি প্রস্তুতি, প্রতিনিধিত্ব, মামলা এবং জরুরিতার ওপর। শুরুতেই লিখিতভাবে পরামর্শ ফি, সরকারি ফি, অনুবাদ খরচ এবং অতিরিক্ত উপস্থিতির ফি আলাদা করে জেনে নেওয়া উচিত।

অভিবাসন সংক্রান্ত মামলা শেষ হতে কত সময় লাগে?

সাধারণ নথি সংশোধন বা আবেদন কয়েক সপ্তাহে এগোতে পারে, কিন্তু নাগরিকত্ব, আটক বা আদালতের বিষয় কয়েক মাস বা তার বেশি সময় নিতে পারে। সময়সীমা কর্তৃপক্ষের তদন্ত, নথির সম্পূর্ণতা এবং আদালতের কার্যতালিকার ওপর নির্ভর করে।

বিদেশে চাকরির জন্য বাংলাদেশি নিয়োগদাতা বা এজেন্সি যাচাই করা যায় কীভাবে?

এজেন্সির সরকারি নিবন্ধন, নিয়োগ অনুমোদন, চাকরির চুক্তি এবং অর্থ গ্রহণের রসিদ যাচাই করা উচিত। বিদেশগামী কর্মীদের ক্ষেত্রে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য এবং অনুমোদিত প্রক্রিয়া দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

পাসপোর্টে ভুল তথ্য থাকলে নতুন পাসপোর্ট করলেই কি সমস্যা সমাধান হয়?

সবসময় নয়। জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ এবং আগের পাসপোর্টের তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকলে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারে। আইনজীবী প্রমাণের ধারাবাহিকতা তৈরি এবং ব্যাখ্যা প্রস্তুতে সহায়তা করতে পারেন।

বিমানবন্দরে বিদেশ যেতে বাধা দিলে আইনজীবী কী করতে পারেন?

প্রথমে আটকের কারণ, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা অপরাধের অভিযোগের ভিত্তি জানতে হবে। আইনজীবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ, নথি উপস্থাপন এবং প্রযোজ্য হলে আদালতে প্রতিকার চাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন।

অভিবাসন আইনজীবী বাছাই করার সময় কী যাচাই করা উচিত?

আইনজীবীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ, সুপ্রিম কোর্ট বা সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজের অনুমতি এবং অভিবাসন বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা যাচাই করুন। লিখিত চুক্তি, ফি, কাজের পরিধি এবং সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্টতা নিন।

বাংলাদেশের সরকারি সহায়তার উৎস

  • ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর: বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ভ্রমণ নথি এবং পাসপোর্ট-সংক্রান্ত আবেদন ও সেবা পরিচালনা করে।
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, বিদেশি নাগরিকের অবস্থান এবং অভিবাসন-সম্পর্কিত সরকারি নীতি ও প্রশাসনিক বিষয় তদারক করে।
  • জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো: বিদেশগামী কর্মী, নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্সি, প্রশিক্ষণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ায় সরকারি সহায়তা দেয়।

কোনো সরকারি দপ্তরের সিদ্ধান্ত বা ফি সম্পর্কে পুরোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সর্বশেষ নোটিশ ও নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।

অভিবাসন আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. প্রথম এক থেকে তিন দিনের মধ্যে: পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, ভিসা, চুক্তি, নোটিশ এবং অর্থ প্রদানের রসিদ একত্র করুন। মূল নথি নিজের কাছে রেখে আইনজীবীকে প্রত্যয়িত বা স্ক্যান কপি দিন।
  2. দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে: বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজ করেন এমন দুই বা তিনজন আইনজীবীর পরিচয় যাচাই করুন। অভিবাসন, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব বা বিদেশে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা মিলিয়ে দেখুন।
  3. প্রথম পরামর্শে: ঘটনার পূর্ণ সময়রেখা, আগের আবেদন, প্রত্যাখ্যান এবং কর্তৃপক্ষের নোটিশ লিখিতভাবে দিন। আইনজীবীর কাছে সম্ভাব্য পথ, ঝুঁকি এবং প্রয়োজনীয় নথির তালিকা চান।
  4. নিয়োগের আগে: কাজের পরিধি, দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবী, মোট ফি, সরকারি খরচ, কিস্তি এবং ফেরতের শর্ত লিখিত চুক্তিতে নিন। ভিসা, নাগরিকত্ব বা মামলা জয়ের নিশ্চয়তা দেওয়া হলে সতর্ক থাকুন।
  5. এক সপ্তাহের মধ্যে: আইনজীবীর সঙ্গে নথির ঘাটতি পূরণ, অনুবাদ, সত্যায়ন এবং আবেদন জমার তারিখ নির্ধারণ করুন। জরুরি আটক বা বহিষ্কারের বিষয় হলে একই দিন যোগাযোগ করুন।
  6. নিয়মিতভাবে: প্রতিটি আবেদন, রসিদ, চিঠি এবং শুনানির তারিখের কপি সংরক্ষণ করুন। আইনজীবীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট বিরতিতে লিখিত অগ্রগতি প্রতিবেদন নিন।

আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, স্থানান্তর সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।