Lawzana Lawzana Logo
আইনজীবী খুঁজুন

বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা সিকিউরিটিজ আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
📞 01746-022550 (WhatsApp) Advocate Russell Biswas & Associates - A Reputed Law Firm Based in Chittagong & Dhaka | Mo - 01746022550  Mr. Russell Biswas is a practicing advocate at District & Sessions Judges' Court, Chattogram and an apprentice advocate at the Supreme Court of...
Tobarrak Law Chamber
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 4জন
English
Bengali
Tobarrak Law Chamber is a law firm in Bangladesh with an international clientele. From Bangladesh to England, Saudi Arabia to Hungary, Ireland to Canada, Australia to Scotland, Singapore to the UAE—and beyond—we serve clients across borders with locally grounded, globally informed legal...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
Legal Counsel BD
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 17জন
English
Bengali
Japanese
Legal Counsel is a top-tier, full-service law firm in Bangladesh, dedicated to providing holistic legal solutions with professionalism and integrity. From our offices in Dhaka and Chattogram, we empower global clients to make informed decisions through expert advisory, meticulous dispute...
VisionaryiP Alliance
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
English
Bengali
VisionaryiP Alliance is an eminent intellectual property (IP) law firm in Bangladesh, whoprovides the legal services to clients nationwide and worldwide on their trademarks, patents, industrial designs, copyright, geographical indications, domain names and unfair competition issues and aims to give...
Tahmidur Rahman Remura
ঢাকা, বাংলাদেশ

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Barrister Tahmidur Rahman is an IEB (The Institution of Engineers, Bangladesh) accredited Engineer and a QLD(Qualifying Law Degree) holder, who simultaneously pursued and acquired First Class results in Computer Science and Engineering (CSE) from North South University and LL.B.(Hons.) from British...
Rahman Law Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

1978 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
English
Wea are a Business oriented Leading Law Firm in Bangladesh with expertise In Corporate & Commercial laws, FDI, M&A and Arbitration. The team is comprising of a highly Efficient, Experienced and Effervescent team of professionals, with the goal to provide one stop solution for all your...
The justice corner
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 25জন
Bengali
English
Hindi
Urdu
we uphold the principle that justice is fundamental to a just society. Established with a vision to provide reliable legal solutions anchored in ethical practice, professional competence, and unwavering commitment to fairness, our firm is dedicated to ensuring every client's voice is heard, their...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

বাংলাদেশে পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত আইনি সহায়তা কখন প্রয়োজন

বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত আইন শেয়ার, বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড, প্রাথমিক গণপ্রস্তাব, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং ব্রোকারেজ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিধিবদ্ধ দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

আইনজীবীর কাজ শুধু মামলা পরিচালনা নয়। তিনি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নোটিশের জবাব, প্রকাশনা যাচাই, বিনিয়োগকারীর অভিযোগ, কোম্পানির অভ্যন্তরীণ অনুবর্তিতা এবং লেনদেনের ঝুঁকি মূল্যায়নে সহায়তা করতে পারেন।

কোম্পানি, উদ্যোক্তা, পরিচালক, বিনিয়োগকারী, ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংকার এবং ইস্যু ব্যবস্থাপকের প্রয়োজন এক নয়। তাই সমস্যা শুরু হওয়ার পর নয়, বড় লেনদেন বা নিয়ন্ত্রক যোগাযোগের আগে উপযুক্ত আইনজীবী নির্বাচন করা সাধারণত নিরাপদ।

কোন পরিস্থিতিতে সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে

  • প্রাথমিক গণপ্রস্তাব, রাইট শেয়ার, বন্ড বা মিউচুয়াল ফান্ড ইস্যুর নথি প্রস্তুত ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের প্রক্রিয়ায়।
  • বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কারণ দর্শানোর নোটিশ, তদন্তের চিঠি, জরিমানা বা অন্য কোনো নিয়ন্ত্রক আদেশ পেলে।
  • কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার বিরোধ, পরিচালকের দায়িত্ব, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ বা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ উঠলে।
  • ব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকারের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচায় অনুমোদন ছাড়া লেনদেন, অর্থ ফেরত, হিসাবের ভুল বা গ্রাহকের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ হলে।
  • তালিকাভুক্ত কোম্পানির অধিগ্রহণ, উল্লেখযোগ্য শেয়ার অর্জন, উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার হস্তান্তর বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেনের আগে।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধিমালা

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজ ইস্যু, লেনদেন, কারসাজি এবং নিয়ন্ত্রক ক্ষমতার মৌলিক কাঠামো দেয়। এটি বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের পুরোনো প্রধান আইনগুলোর একটি এবং পরবর্তী বিধিমালা ও সংশোধনের সঙ্গে পড়তে হয়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ কমিশন প্রতিষ্ঠা, তার নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা এবং পুঁজিবাজার তদারকির আইনি ভিত্তি নির্ধারণ করে। আইনটি পরবর্তী সময়ে সংশোধিত হয়েছে, তাই বর্তমান পাঠ ও প্রযোজ্য প্রজ্ঞাপন যাচাই করা প্রয়োজন।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বিধিমালা, ১৯৮৭ ইস্যু, লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান দেয়। এর পাশাপাশি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব, অধিগ্রহণ, তালিকাভুক্তি এবং বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য কমিশনের পৃথক বিধিমালা ও নির্দেশনা প্রযোজ্য হতে পারে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত আইনজীবী সাধারণত কী কাজ করেন?

তিনি শেয়ার বা অন্যান্য সিকিউরিটিজ ইস্যুর নথি পর্যালোচনা, নিয়ন্ত্রক নোটিশের জবাব এবং কোম্পানির অনুবর্তিতা বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন। বিরোধ হলে অভিযোগ, আপিল বা আদালতভিত্তিক প্রতিকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়তা করেন।

ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীর কি আইনজীবী নেওয়া দরকার?

প্রতিটি লেনদেনের জন্য আইনজীবী প্রয়োজন হয় না। তবে ব্রোকারেজ হিসাবের অর্থ আটকে থাকা, অনুমতি ছাড়া লেনদেন, বড় অঙ্কের ক্ষতি বা প্রতারণার অভিযোগ থাকলে দ্রুত আইনি পরামর্শ নেওয়া যুক্তিযুক্ত।

বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ আইনজীবী হওয়ার জন্য কী যোগ্যতা দেখা উচিত?

আইনজীবীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তি থাকা উচিত। পাশাপাশি কমিশনের কার্যক্রম, স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ম, কোম্পানি আইন এবং নিয়ন্ত্রক তদন্তে বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে কি না যাচাই করা দরকার।

কমিশনের নোটিশ পেলে কত দ্রুত আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত?

নোটিশে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই যোগাযোগ করা উচিত। নোটিশের জবাব না দিলে একতরফা আদেশ, জরিমানা বা অন্য নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আইনজীবী নিয়োগের খরচ কত হতে পারে?

খরচ নির্ভর করে কাজটি পরামর্শ, নথি প্রস্তুতি, নিয়ন্ত্রক শুনানি নাকি মামলা পরিচালনা, তার ওপর। লিখিতভাবে পেশাগত ফি, সরকারি বা দাখিল ফি, শুনানির সংখ্যা এবং অতিরিক্ত খরচ আলাদা করে জেনে নেওয়া উচিত।

একজন আইনজীবী কি একই সঙ্গে কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীর পক্ষে কাজ করতে পারেন?

স্বার্থের সংঘাত থাকলে তা করা উচিত নয়। একই লেনদেনে বিপরীত পক্ষের প্রতিনিধিত্বের আগে আইনজীবীকে সংঘাত যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রকাশ করতে হয়।

ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ কোথায় করা যায়?

প্রথমে ব্রোকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে লিখিত অভিযোগ ও লেনদেনের হিসাব চাওয়া যেতে পারে। বিষয়টির ধরন অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জ, কমিশন বা আদালতের প্রতিকার প্রযোজ্য হতে পারে।

শেয়ারবাজারে প্রতারণা প্রমাণের জন্য কী নথি রাখা উচিত?

লেনদেনের হিসাব, চুক্তিপত্র, ব্যাংক বিবরণী, এসএমএস, ই-মেইল, ব্রোকারের নির্দেশ এবং অভিযোগের লিখিত জবাব সংরক্ষণ করা উচিত। সময়, পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়সহ ঘটনাগুলোর ধারাবাহিক তালিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার আগে আইনজীবী কী যাচাই করেন?

আইনজীবী কোম্পানির সাংগঠনিক নথি, শেয়ার মালিকানা, পরিচালক, ঋণ, মামলা, সম্পদ এবং প্রকাশযোগ্য ঝুঁকি পর্যালোচনা করতে পারেন। ইস্যু নথির তথ্য বাস্তব ও সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটিও যাচাই করা হয়।

সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে কত সময় লাগে?

নিয়ন্ত্রক জবাব বা সাধারণ নথি পর্যালোচনা কয়েক সপ্তাহে হতে পারে, কিন্তু তদন্ত, শুনানি বা আদালতের মামলা অনেক বেশি সময় নিতে পারে। নথির পরিমাণ, পক্ষের সংখ্যা এবং আপিলের প্রয়োজনীয়তা সময়কে প্রভাবিত করে।

কমিশনের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায় কি?

কিছু আদেশের ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা, আপিল বা আদালতের বিচারিক প্রতিকারের সুযোগ থাকতে পারে। কোন পথ প্রযোজ্য তা আদেশের ধরন, আইনি ভিত্তি এবং নির্ধারিত সময়সীমা দেখে আইনজীবী নির্ধারণ করবেন।

সিকিউরিটিজ আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কী প্রশ্ন করা উচিত?

আইনজীবী আগে কমিশন, স্টক এক্সচেঞ্জ বা আদালতভিত্তিক এমন কাজ করেছেন কি না জিজ্ঞাসা করুন। একই ধরনের বিষয়ে সম্ভাব্য পদক্ষেপ, সময়, ফি, স্বার্থের সংঘাত এবং প্রয়োজনীয় নথির তালিকা লিখিতভাবে চাওয়া ভালো।

বাংলাদেশের সরকারি ও সরকারি-অনুমোদিত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা

  • বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন: পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে সিকিউরিটিজ ইস্যু, বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, প্রকাশনা, তদন্ত এবং নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা তদারক করে।
  • ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের লেনদেন পরিচালনা, তালিকাভুক্তি-সংক্রান্ত নিয়ম প্রয়োগ এবং বাজারের তথ্য প্রকাশে ভূমিকা রাখে।
  • চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ: তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের লেনদেন ও বাজার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি অনুমোদিত স্টক এক্সচেঞ্জ।

আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. সমস্যাটি লিখিতভাবে সংক্ষেপ করুন: লেনদেন, নোটিশ বা বিরোধের তারিখ, জড়িত প্রতিষ্ঠান এবং প্রত্যাশিত প্রতিকার এক পাতায় লিখুন। এই প্রস্তুতিতে এক থেকে দুই দিন লাগতে পারে।
  2. নথি সংগ্রহ করুন: চুক্তি, হিসাব বিবরণী, নোটিশ, ই-মেইল, ব্যাংক রেকর্ড এবং ব্রোকারেজ যোগাযোগের কপি আলাদা ফোল্ডারে রাখুন। মূল কাগজ আইনজীবীর কাছে জমা দেওয়ার আগে অনুলিপি রাখুন।
  3. দুই বা তিনজন উপযুক্ত আইনজীবী বাছাই করুন: বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তি, পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা এবং একই ধরনের কাজের পরিধি যাচাই করুন।
  4. প্রাথমিক বৈঠকে আইনি পথ নির্ধারণ করুন: নিয়ন্ত্রক জবাব, অভিযোগ, সমঝোতা, আপিল বা মামলা - কোনটি বাস্তবসম্মত, তা লিখিতভাবে বুঝে নিন।
  5. স্বার্থের সংঘাত ও গোপনীয়তা যাচাই করুন: আইনজীবী বিপরীত পক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করছেন কি না জিজ্ঞাসা করুন। নথি ব্যবহারের সীমা এবং যোগাযোগের পদ্ধতিও ঠিক করুন।
  6. ফি ও কাজের পরিধি লিখিতভাবে চূড়ান্ত করুন: পরামর্শ, নোটিশের জবাব, শুনানি, মামলা, যাতায়াত এবং সরকারি ফি আলাদা করে উল্লেখ করুন। চূড়ান্ত নিয়োগপত্র বা ফি-চুক্তিতে সময়সীমা ও দায়িত্ব স্পষ্ট রাখুন।

যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, সিকিউরিটিজ সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক সিকিউরিটিজ ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন

শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।