বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স আইনজীবী
আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।
অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:
বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবীদের তালিকা
বাংলাদেশ-এর স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স আইনজীবী এক নজরে
এই তালিকার 38টি ফার্ম নিজেদের সম্পর্কে যা বলে। কোনো ফার্ম কিছু না জানালে আমরা অনুমান না করে সেটিকে "উল্লেখ নেই" হিসেবে গণনা করি।
- ফার্ম এই তালিকায়
- 38
- 2টি শহরে অফিস আছে
- প্রতিষ্ঠার মধ্যমা বছর
- 2007
- 38 ফার্মের মধ্যে 37টি এটি জানায়
- জন: সবচেয়ে প্রচলিত দলের আকার
- 21–50
- 38 ফার্মের মধ্যে 37টি এটি জানায়
- প্রথম পরামর্শ বিনামূল্যে দেয়
- 7
- 38 ফার্মের মধ্যে
- Lawzana-এ নিজেদের আইনজীবীদের নাম দেয়
- 11
- 38 ফার্মের মধ্যে
ফার্মগুলোর উল্লিখিত ভাষা
- Bengali 36টি ফার্ম
- English 36টি ফার্ম
- Hindi 3টি ফার্ম
- Urdu 2টি ফার্ম
- Japanese 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 2টি ফার্ম
ফার্ম নিজের প্রোফাইলে উল্লেখ করলেই কেবল একটি ভাষা গণনা হয়।
কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
- ২০১০ বা তার পরে 13টি ফার্ম
- ১৯৯০ থেকে ২০০৯ 17টি ফার্ম
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ 6টি ফার্ম
- ১৯৫০-এর আগে 1টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
সবচেয়ে পুরোনোটি 1896 সালের; মধ্যমা 2007।
তাদের দল কত বড়
- 1 থেকে 5 জন 1টি ফার্ম
- 6 থেকে 20 জন 11টি ফার্ম
- 21 থেকে 50 জন 25টি ফার্ম
- উল্লেখ নেই 1টি ফার্ম
ফার্মগুলোর নিজস্ব প্রোফাইল থেকে গণনা করা। ফার্মগুলো নিজেদের ড্যাশবোর্ডে এই তথ্য হালনাগাদ রাখে। আপনার ফার্মের প্রোফাইল হালনাগাদ করুন
বাংলাদেশে কাঠামোবদ্ধ অর্থায়নে আইনজীবীর প্রয়োজন কখন
বাংলাদেশে কাঠামোবদ্ধ অর্থায়ন সাধারণত ঋণ, পাওনা, লিজ, বাণিজ্যিক বিল বা অন্যান্য নগদপ্রবাহকে নতুন অর্থায়ন কাঠামোর ভিত্তি করে। এতে ঋণদাতা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, সম্পদ-উদ্ভবকারী প্রতিষ্ঠান এবং কখনও ট্রাস্ট বা বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাধিক চুক্তি থাকে।
ব্যাংক ঋণ, প্রকল্প অর্থায়ন, পাওনা-ভিত্তিক অর্থায়ন, সিকিউরিটাইজেশন, বন্ড বা ডিবেঞ্চার ইস্যুতে জামানত, নগদপ্রবাহ, অনুমোদন, কর, দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি এবং বিনিয়োগকারীর অধিকার একসঙ্গে পর্যালোচনা করতে হয়। বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া কাঠামোর ধরন অনুযায়ী বদলে যায়।
আইনজীবী চুক্তির ভাষা তৈরি করার পাশাপাশি সম্পদের মালিকানা, পাওনা হস্তান্তর, জামানত সৃষ্টি, নিবন্ধন, বৈদেশিক মুদ্রা, কর এবং নিয়ন্ত্রক সম্মতি যাচাই করেন। শুধু ঋণচুক্তি পরীক্ষা করলে অনেক সময় কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি বাদ পড়ে।
কোন পরিস্থিতিতে কাঠামোবদ্ধ অর্থায়ন আইনজীবী দরকার হতে পারে
- কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান ঋণপোর্টফোলিও, লিজ পাওনা বা বাণিজ্যিক পাওনার ভিত্তিতে নতুন অর্থায়ন করতে চাইলে।
- বন্ড, ডিবেঞ্চার বা অন্য কোনও ঋণপত্র ইস্যু করে প্রকল্প বা ব্যবসার অর্থায়ন করতে হলে।
- বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, আবাসন বা উৎপাদন প্রকল্পে একাধিক ঋণদাতা, জামানতদাতা এবং সরকারি অনুমোদন যুক্ত হলে।
- পাওনা বা চুক্তিগত নগদপ্রবাহ অন্য প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা থাকলে।
- বিদেশি ঋণ, বৈদেশিক মুদ্রা, বিদেশি বিনিয়োগকারী বা বিদেশে পরিশোধের শর্ত যুক্ত হলে।
- ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলে জামানত কার্যকর করা, পাওনা আদায় বা আন্তঃঋণদাতা অগ্রাধিকার নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে।
বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিক আইন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো
ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১: ব্যাংকের ব্যবসা, ঋণ কার্যক্রম, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রক তদারকির সঙ্গে এই আইন যুক্ত। ব্যাংক-নির্ভর কাঠামোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ও অনুমোদনের বিষয়ও আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে হয়।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩: ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রণের ভিত্তি এই আইন। লিজ, ভোক্তা অর্থায়ন বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাঠামোবদ্ধ লেনদেনে এর প্রাসঙ্গিকতা থাকতে পারে।
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪: কোম্পানি গঠন, পরিচালনা, শেয়ার বা ঋণপত্র, পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন এবং কোম্পানির নিবন্ধনসংক্রান্ত বিষয়ে এই আইন প্রযোজ্য হতে পারে। পুঁজিবাজারে ইস্যু হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের আইন, বিধিমালা ও অনুমোদনের বিষয়ও যুক্ত হতে পারে। নির্দিষ্ট লেনদেনে চুক্তি আইন, ১৮৭২, স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-ও পর্যালোচনা করা হয়।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
কাঠামোবদ্ধ অর্থায়ন বলতে কী বোঝায়?
এটি এমন অর্থায়ন কাঠামো, যেখানে নির্দিষ্ট সম্পদ, পাওনা বা ভবিষ্যৎ নগদপ্রবাহকে কেন্দ্র করে ঋণ বা বিনিয়োগ তৈরি হয়। ঋণদাতার ঝুঁকি নির্ধারণে সাধারণ ঋণগ্রহীতার আর্থিক অবস্থার পাশাপাশি ওই সম্পদ ও নগদপ্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ হয়।
এই লেনদেনে সাধারণত কোন নথিগুলো পরীক্ষা করা হয়?
ঋণচুক্তি, সম্পদ বা পাওনা হস্তান্তর চুক্তি, জামানত দলিল, ট্রাস্ট বা সেবাদান চুক্তি, কর-সংক্রান্ত নথি এবং করপোরেট অনুমোদন পরীক্ষা করা হয়। বন্ড বা ডিবেঞ্চার থাকলে অফার নথি, ইস্যু অনুমোদন এবং বিনিয়োগকারীর অধিকারও পর্যালোচনা করা হয়।
বাংলাদেশে সিকিউরিটাইজেশন করা যায় কি?
কাঠামোটি আইনগতভাবে সম্ভব কি না, তা সম্পদের ধরন, পক্ষগুলোর অবস্থান, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং হস্তান্তরের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। পাওনা হস্তান্তর, সম্পদ পৃথকীকরণ, বিনিয়োগকারীর অধিকার এবং দেউলিয়াত্বের পরিস্থিতি নিয়ে পৃথক আইনগত মতামত নেওয়া জরুরি।
ব্যাংক ঋণ এবং কাঠামোবদ্ধ অর্থায়নের মধ্যে পার্থক্য কী?
সাধারণ ব্যাংক ঋণে প্রধানত ঋণগ্রহীতার кредитযোগ্যতা ও জামানত বিবেচিত হয়। কাঠামোবদ্ধ অর্থায়নে নির্দিষ্ট সম্পদ বা নগদপ্রবাহ, ঝুঁকি বণ্টন, স্তরভিত্তিক পরিশোধ এবং একাধিক চুক্তির সমন্বয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কোন পক্ষ আইনজীবী নিয়োগ করতে পারে?
ঋণগ্রহীতা, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, সম্পদ-উদ্ভবকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের অংশীদার প্রত্যেকে নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগ করতে পারে। একই আইনজীবী সব পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন কি না, তা স্বার্থের সংঘাত ও লিখিত সম্মতির ওপর নির্ভর করে।
বাংলাদেশে এই ধরনের আইনজীবীর ফি কত?
ফি লেনদেনের মূল্য, পক্ষের সংখ্যা, নথির পরিমাণ, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং মতামতের পরিধি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। কেউ নির্দিষ্ট ফি, কেউ ঘণ্টাভিত্তিক বা ধাপভিত্তিক ফি নেন; নিয়োগের আগে লিখিত ফি-প্রস্তাব ও অতিরিক্ত খরচের তালিকা নেওয়া উচিত।
একটি কাঠামোবদ্ধ অর্থায়ন সম্পন্ন হতে কত সময় লাগে?
সরল ঋণ ও জামানত কাঠামো কয়েক সপ্তাহে শেষ হতে পারে। একাধিক সম্পদ, বিনিয়োগকারী, সরকারি অনুমোদন বা সীমান্তপারের অর্থায়ন থাকলে কয়েক মাসও লাগতে পারে। নথির প্রস্তুতি ও অনুমোদনের সময়সীমা শুরুতেই লিখিতভাবে নির্ধারণ করা ভালো।
বিদেশি ঋণদাতা যুক্ত হলে অতিরিক্ত কী পরীক্ষা দরকার?
বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রযোজ্য নির্দেশনা, কর, অর্থপ্রেরণ এবং ঋণ পরিশোধের অনুমোদন পরীক্ষা করতে হয়। চুক্তির প্রযোজ্য আইন, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং বাংলাদেশে জামানত কার্যকর করার বাস্তবতাও পর্যালোচনা করা জরুরি।
জামানত নিবন্ধন না করলে কী ঝুঁকি থাকে?
জামানতের ধরন অনুযায়ী সঠিক দলিল, স্ট্যাম্প, নিবন্ধন বা করপোরেট রেকর্ড প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা না মানলে অগ্রাধিকার, কার্যকরতা বা তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে অধিকার নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বন্ড বা ডিবেঞ্চার ইস্যুতে কি আলাদা অনুমোদন লাগে?
পাবলিক ইস্যু বা পুঁজিবাজারভিত্তিক ইস্যু হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করতে হয়। ইস্যুর ধরন, বিনিয়োগকারীর শ্রেণি এবং তালিকাভুক্তির পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুমোদন ও প্রকাশ-সংক্রান্ত শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে।
আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কোন অভিজ্ঞতা দেখা উচিত?
ঋণ, জামানত, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, প্রকল্প অর্থায়ন এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখা উচিত। একই ধরনের লেনদেনে আইনজীবীর ভূমিকা, মতামতের পরিধি, সময়সীমা ও ফি লিখিতভাবে জেনে নিন।
বাংলাদেশের সরকারি ও সরকারি-স্বীকৃত তথ্যসূত্র
- বাংলাদেশ ব্যাংক: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা, ঋণনীতি এবং প্রাসঙ্গিক সার্কুলার ও নির্দেশনা প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন: পুঁজিবাজার, বন্ড, ডিবেঞ্চার, ইস্যু ও বিনিয়োগকারী সুরক্ষার নিয়ন্ত্রক।
- যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর: কোম্পানি নিবন্ধন, কোম্পানির রিটার্ন, চার্জ এবং করপোরেট নথি সংরক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট সেবা পরিচালনা করে।
আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী ধাপ
- প্রথমে লেনদেনের ধরন, অর্থের পরিমাণ, সম্পদ বা পাওনার উৎস, পক্ষগুলোর তালিকা এবং কাঙ্ক্ষিত সমাপ্তির সময় লিখে নিন। এই প্রস্তুতিতে সাধারণত এক থেকে তিন দিন লাগে।
- ব্যাংকিং, জামানত, পুঁজিবাজার বা প্রকল্প অর্থায়নে কাজ করেন এমন অন্তত তিনজন আইনজীবী বা আইনচর্চা প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করুন। এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা যাচাই করা যায়।
- প্রতিটি প্রার্থীর কাছ থেকে কাজের পরিধি, সম্ভাব্য নথি, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন, স্বার্থের সংঘাত এবং আনুমানিক সময়সূচি লিখিতভাবে নিন। প্রস্তাব তুলনা করতে দুই থেকে পাঁচ কর্মদিবস রাখুন।
- নিয়োগের আগে ফি, সরকারি ফি, স্ট্যাম্প, নিবন্ধন, অনুবাদ, কর এবং অতিরিক্ত পরামর্শের খরচ লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন।
- আইনজীবীকে কোম্পানির নথি, আর্থিক বিবরণী, ঋণতালিকা, সম্পদ বা পাওনার প্রমাণ, বিদ্যমান চুক্তি এবং অনুমোদনের নথি দিন। অসম্পূর্ণ নথি থাকলে প্রথম সপ্তাহেই তার তালিকা তৈরি করুন।
- প্রথম পর্যায়ে আইনগত ঝুঁকি, অনুমোদনের প্রয়োজন, জামানতের অগ্রাধিকার এবং কাঠামোর বিকল্প নিয়ে লিখিত মতামত নিন। এরপরই চূড়ান্ত চুক্তি ও অর্থায়ন নথিতে স্বাক্ষর করুন।
- স্বাক্ষরের পর নিবন্ধন, চার্জ রেকর্ড, অর্থ ছাড়ের শর্ত, প্রতিবেদন এবং পরবর্তী সম্মতি কে দেখবে তা চুক্তিতে নির্দিষ্ট করুন। লেনদেন শেষ হওয়ার পরও নথি সংরক্ষণ ও সময়সীমা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখুন।
আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।
প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।
দাবিত্যাগ:
এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।
এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন
শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।