Lawzana Lawzana Logo
আইনজীবী খুঁজুন

বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা প্রযুক্তি লেনদেন আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
📞 01746-022550 (WhatsApp) Advocate Russell Biswas & Associates - A Reputed Law Firm Based in Chittagong & Dhaka | Mo - 01746022550  Mr. Russell Biswas is a practicing advocate at District & Sessions Judges' Court, Chattogram and an apprentice advocate at the Supreme Court of...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
Legal Counsel BD
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 17জন
English
Bengali
Japanese
Legal Counsel is a top-tier, full-service law firm in Bangladesh, dedicated to providing holistic legal solutions with professionalism and integrity. From our offices in Dhaka and Chattogram, we empower global clients to make informed decisions through expert advisory, meticulous dispute...
The justice corner
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 25জন
Bengali
English
Hindi
Urdu
we uphold the principle that justice is fundamental to a just society. Established with a vision to provide reliable legal solutions anchored in ethical practice, professional competence, and unwavering commitment to fairness, our firm is dedicated to ensuring every client's voice is heard, their...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

বাংলাদেশে প্রযুক্তি লেনদেনের জন্য আইনজীবী কখন প্রয়োজন

বাংলাদেশে প্রযুক্তি লেনদেন আইন সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপ, ক্লাউড সেবা, তথ্যভান্ডার, প্রযুক্তি লাইসেন্স, পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তি কোম্পানি কেনাবেচার চুক্তি নিয়ে কাজ করে। এতে চুক্তির ভাষা, মেধাস্বত্ব, তথ্যের ব্যবহার, কর, বৈদেশিক মুদ্রা এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদন একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।

লেনদেনটি বাংলাদেশে সম্পাদিত, বাংলাদেশি গ্রাহককে লক্ষ্য করে পরিচালিত, বা বাংলাদেশি কোম্পানি ও সরবরাহকারী জড়িত হলে স্থানীয় আইন প্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিদেশি পক্ষ থাকলে প্রযোজ্য আইন, বিরোধ নিষ্পত্তির স্থান, অর্থ পরিশোধের মুদ্রা এবং করের বিষয়ও চুক্তিতে স্পষ্ট করা দরকার।

কোন পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি লেনদেনের আইনজীবী দরকার হতে পারে

  • বাংলাদেশি সফটওয়্যার কোম্পানি বিদেশি গ্রাহককে সফটওয়্যার লাইসেন্স বা সফটওয়্যার-সেবা দিতে চাইলে।
  • কোনো প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, উৎসকোড বা তথ্যভান্ডার কিনতে চাইলে।
  • প্রযুক্তি সরবরাহকারীকে ব্যক্তিগত তথ্য, গ্রাহকের তথ্য বা ব্যবসায়িক গোপন তথ্য ব্যবহারের সুযোগ দিতে হলে।
  • বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্ট, ডিজিটাল সেবা, টেলিযোগাযোগ বা ক্লাউড অবকাঠামো চালু করতে নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের প্রয়োজন হলে।
  • কর্মচারী, ফ্রিল্যান্সার বা আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের তৈরি সফটওয়্যারের মালিকানা কার হবে তা নির্ধারণ করতে হলে।
  • প্রযুক্তি কোম্পানিতে বিনিয়োগ, শেয়ার হস্তান্তর, একীভূতকরণ বা ব্যবসা অধিগ্রহণের আগে সম্পদ ও দায় যাচাই করতে হলে।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধান

চুক্তি আইন, ১৮৭২: প্রযুক্তি সরবরাহ, লাইসেন্স, রক্ষণাবেক্ষণ, সেবা, গোপনীয়তা এবং ক্ষতিপূরণের চুক্তির বৈধতা ও প্রতিকার নির্ধারণে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তিতে কাজের পরিধি, গ্রহণযোগ্যতার মানদণ্ড, অর্থ পরিশোধ এবং চুক্তি বাতিলের শর্ত স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬: ইলেকট্রনিক নথি, ডিজিটাল স্বাক্ষর এবং তথ্যপ্রযুক্তি-সম্পর্কিত অপরাধের বিষয়ে এই আইন প্রাসঙ্গিক। আইনটি ২০১৩ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে সংশোধিত হয়েছিল, তাই পুরোনো চুক্তির ধারা পর্যালোচনায় বর্তমান সংশোধিত বিধান বিবেচনা করা উচিত।

কপিরাইট আইন, ২০২৩: সফটওয়্যার, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং সৃজনশীল কাজের স্বত্ব সুরক্ষায় এই আইন প্রযোজ্য। ২০২৩ সালের আইনটি আগের কপিরাইট আইন, ২০০০-এর পরিবর্তে প্রণীত হওয়ায় সফটওয়্যার মালিকানা, লাইসেন্স এবং লঙ্ঘনের প্রতিকার নতুনভাবে যাচাই করা দরকার।

লেনদেনের ধরন অনুযায়ী বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১, কোম্পানি আইন, ১৯৯৪, ভ্যাট ও আয়কর আইন, এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রযোজ্য নির্দেশনাও যুক্ত হতে পারে। কোন বিধান প্রযোজ্য হবে তা সেবা, পক্ষগুলোর অবস্থান এবং অর্থপ্রদানের কাঠামোর ওপর নির্ভর করে।

প্রযুক্তি লেনদেন আইন সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন

প্রযুক্তি লেনদেনের আইনজীবী কী ধরনের কাজ করেন?

তিনি প্রযুক্তি পণ্য বা সেবা সংক্রান্ত চুক্তি তৈরি, পর্যালোচনা এবং দরকষাকষি করেন। মেধাস্বত্ব, তথ্যের ব্যবহার, দায়, নিরাপত্তা, অর্থপ্রদান এবং বিরোধ নিষ্পত্তির ঝুঁকিও তিনি যাচাই করতে পারেন।

প্রযুক্তি সেবা কেনার আগে কি আইনজীবী নেওয়া জরুরি?

প্রতিটি ছোট লেনদেনে আইনজীবী নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে উৎসকোড, গ্রাহকের তথ্য, দীর্ঘমেয়াদি অর্থপ্রদান বা বিদেশি পক্ষ থাকলে চুক্তি যাচাই না করে সই করা ঝুঁকিপূর্ণ।

বাংলাদেশে সফটওয়্যারের মালিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রেতার হয় কি?

সাধারণত অর্থ পরিশোধ করলেই সফটওয়্যারের সব স্বত্ব ক্রেতার হয়ে যায় না। চুক্তিতে স্বত্ব হস্তান্তর, ব্যবহার-অনুমতি, উৎসকোড, তৃতীয় পক্ষের উপাদান এবং পরিবর্তনের অধিকার স্পষ্ট করতে হয়।

ফ্রিল্যান্সারের তৈরি সফটওয়্যারের স্বত্ব কীভাবে নিশ্চিত করা যায়?

লিখিত চুক্তিতে কাজের বিবরণ, পারিশ্রমিক, গোপনীয়তা এবং মেধাস্বত্ব হস্তান্তরের শর্ত রাখতে হয়। ব্যবহৃত ওপেন-সোর্স বা তৃতীয় পক্ষের উপাদানের তালিকাও চুক্তিতে নেওয়া উচিত।

প্রযুক্তি লেনদেনের চুক্তিতে কোন বিষয়গুলো অবশ্যই থাকা উচিত?

সেবার পরিধি, সময়সীমা, পরীক্ষণ ও গ্রহণযোগ্যতা, মূল্য, কর, সহায়তা, তথ্য সুরক্ষা, মেধাস্বত্ব এবং চুক্তি শেষ করার কারণ উল্লেখ করা উচিত। দায়ের সীমা, ক্ষতিপূরণ, আইন এবং বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও স্পষ্ট থাকা দরকার।

বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিতে বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য করা যায় কি?

পক্ষগুলো চুক্তিতে প্রযোজ্য আইন ও বিরোধ নিষ্পত্তির স্থান নির্ধারণ করতে পারে, তবে তা অন্যান্য বাধ্যতামূলক বাংলাদেশি বিধানকে সবসময় সরিয়ে দেয় না। বৈদেশিক মুদ্রা, কর, আমদানি এবং স্থানীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের বিষয় আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

প্রযুক্তি লেনদেনের আইনজীবীর খরচ কত হতে পারে?

খরচ চুক্তির দৈর্ঘ্য, পক্ষের সংখ্যা, বিদেশি আইন, মেধাস্বত্ব যাচাই এবং দরকষাকষির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। কাজ শুরুর আগে নির্দিষ্ট কাজের তালিকা, সম্ভাব্য সময় এবং ফি লিখিতভাবে নেওয়া নিরাপদ।

একটি সাধারণ প্রযুক্তি চুক্তি পর্যালোচনায় কত সময় লাগে?

স্বল্প ও সরল চুক্তি কয়েক কর্মদিবসে পর্যালোচনা হতে পারে। বিদেশি পক্ষ, একাধিক সংযুক্তি, তথ্য ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রক অনুমোদন থাকলে সময় আরও বাড়তে পারে।

স্টার্টআপের প্রতিষ্ঠাতা কি নিজেই প্রযুক্তি চুক্তি করতে পারেন?

প্রতিষ্ঠাতা নিজে প্রাথমিক খসড়া তৈরি করতে পারেন, কিন্তু বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স বা মূল সফটওয়্যার হস্তান্তরের আগে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো। এতে প্রতিষ্ঠাতা, কর্মচারী এবং ঠিকাদারের মেধাস্বত্বের মালিকানা আগে থেকেই পরিষ্কার হয়।

প্রযুক্তি লেনদেনের আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কী দেখব?

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত আইনজীবী এবং প্রযুক্তি চুক্তি, মেধাস্বত্ব বা নিয়ন্ত্রক বিষয়ে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা দেখুন। একই ধরনের লেনদেনের পদ্ধতি, ফি, সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত এবং যোগাযোগের দায়িত্ব লিখিতভাবে জেনে নিন।

অনলাইন চুক্তি কি বাংলাদেশে ব্যবহারযোগ্য?

ইলেকট্রনিক নথি ও ডিজিটাল স্বাক্ষরের গ্রহণযোগ্যতা নির্দিষ্ট আইন ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। পক্ষের পরিচয়, সম্মতির রেকর্ড, সংস্করণ, সময় এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি ঠিকভাবে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

চুক্তি ভঙ্গ হলে প্রথম পদক্ষেপ কী?

প্রথমে চুক্তির নোটিশ, সংশোধনের সুযোগ, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং ক্ষতিপূরণের ধারা পর্যালোচনা করা উচিত। এরপর প্রমাণ সংরক্ষণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ, আলোচনা, মধ্যস্থতা বা আদালতের উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

বাংলাদেশের সরকারি ও সরকারি-স্বীকৃত সম্পদ

  • বাংলাদেশ বার কাউন্সিল: আইনজীবীদের পেশাগত তালিকাভুক্তি ও নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত। আইনজীবী নিয়োগের আগে তার তালিকাভুক্তির অবস্থা যাচাই করা যায়।
  • বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন: টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট এবং সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে। প্রযুক্তি সেবার অনুমোদন প্রয়োজন হলে কমিশনের প্রযোজ্য নির্দেশনা দেখতে হয়।
  • পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা এবং ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রযুক্তি পণ্য বা ব্র্যান্ডের অধিকার যাচাইয়ে এর রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ।

প্রযুক্তি লেনদেনের আইনজীবী নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. লেনদেনের উদ্দেশ্য, পক্ষগুলোর পরিচয়, সেবার পরিধি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এক পাতায় লিখুন।
  2. চুক্তি, প্রস্তাব, ইমেইল, সফটওয়্যার বিবরণ, মেধাস্বত্বের নথি এবং অর্থপ্রদানের তথ্য সংগ্রহ করুন। সাধারণত এক থেকে দুই কর্মদিবসে প্রাথমিক নথির তালিকা তৈরি করা যায়।
  3. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত এবং প্রযুক্তি চুক্তি বা মেধাস্বত্বে কাজ করেন এমন অন্তত দুই বা তিনজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
  4. প্রতিটি আইনজীবীর কাছ থেকে কাজের পরিধি, সরবরাহযোগ্য নথি, সম্ভাব্য সময়, ফি এবং অতিরিক্ত খরচের লিখিত প্রস্তাব নিন।
  5. বিদেশি পক্ষ, ব্যক্তিগত তথ্য, বৈদেশিক মুদ্রা, টেলিযোগাযোগ বা পেমেন্ট সেবা থাকলে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন ও করের বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করুন।
  6. নিয়োগপত্রে গোপনীয়তা, স্বার্থের সংঘাত, যোগাযোগের দায়িত্ব, ফি প্রদানের ধাপ এবং নথি ফেরতের ব্যবস্থা লিখুন।
  7. চূড়ান্ত চুক্তি সইয়ের আগে আইনজীবীর মন্তব্য অনুযায়ী পরিবর্তিত খসড়া, সংযুক্তি এবং স্বাক্ষরের প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।

যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, প্রযুক্তি লেনদেন সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক প্রযুক্তি লেনদেন ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন

শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।