Lawzana Lawzana Logo
আইনজীবী খুঁজুন

ঢাকা-ভিত্তিক সেরা উইল ও অসিয়তনামা আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

Equity Law House
ঢাকা, বাংলাদেশ

2014 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 15জন
Bengali
English
প্রাইভেট ক্লায়েন্ট উইল ও অসিয়তনামা এস্টেট পরিকল্পনা আরও +6
Welcome to Equity Law House. We are the best litigation law firm in Bangladesh. Our expertise spans civil and commercial litigation, arbitration, and mediation, as well as labor and employment rights, and admiralty and maritime litigation. Our experience spans multiple domains. 
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
The justice corner
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 25জন
Bengali
English
Hindi
Urdu
we uphold the principle that justice is fundamental to a just society. Established with a vision to provide reliable legal solutions anchored in ethical practice, professional competence, and unwavering commitment to fairness, our firm is dedicated to ensuring every client's voice is heard, their...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

ঢাকায় উইল বা অসিয়তনামা করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

ঢাকায় উইল বা অসিয়তনামা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সম্পত্তির ধরন, মালিকের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন, উত্তরাধিকারী এবং দলিলের ভাষা গুরুত্বপূর্ণ। জমি, ফ্ল্যাট, ব্যাংক হিসাব, ব্যবসার শেয়ার ও অন্যান্য সম্পদের আলাদা বিবরণ দিতে হয়।

মুসলিম ব্যক্তির অসিয়ত সাধারণত দেনা ও দাফনসংক্রান্ত খরচ বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে। উত্তরাধিকারীকে অসিয়ত করা বা এক-তৃতীয়াংশের বেশি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন এবং উত্তরাধিকারীদের সম্মতি বিবেচ্য হতে পারে।

উইল নিবন্ধন করা উপকারী হলেও নিবন্ধন একাই দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করে না। স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর, মানসিক সক্ষমতা, সঠিক সাক্ষী, সম্পত্তির পরিচয় এবং জবরদস্তি না থাকার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধনের আগে স্থানীয় আইনজীবী দলিল ও প্রক্রিয়া যাচাই করতে পারেন।

কোন পরিস্থিতিতে ঢাকার আইনজীবীর প্রয়োজন হতে পারে

  • ঢাকা শহরের ফ্ল্যাট, উত্তরার প্লট, পূর্বাচলের জমি বা গ্রামের উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি একই অসিয়তনামায় অন্তর্ভুক্ত করতে হলে।
  • মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের এক-তৃতীয়াংশের সীমা, উত্তরাধিকারীকে অসিয়ত এবং দেনা পরিশোধের প্রভাব নির্ধারণ করতে হলে।
  • পরিবারে বিদেশে থাকা উত্তরাধিকারী, নাবালক সন্তান, দ্বিতীয় বিবাহ, দত্তক সন্তান বা আগের বিবাহের সন্তান থাকলে।
  • কোনো সম্পত্তির খতিয়ান, নামজারি, দলিল বা দখল নিয়ে বিরোধ থাকলে এবং ভবিষ্যৎ মামলা কমানোর মতো স্পষ্ট ভাষা প্রয়োজন হলে।
  • বয়স্ক বা অসুস্থ দলিলদাতার স্বেচ্ছাসম্মতি ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে ভবিষ্যতে আপত্তির আশঙ্কা থাকলে।
  • আগের উইল বাতিল করে নতুন দলিল করতে হলে, বিশেষ করে আগের দলিল নিবন্ধিত বা একাধিক সাক্ষীর সামনে সম্পাদিত হলে।

ঢাকায় প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধানের সংক্ষিপ্ত ধারণা

মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭: মুসলিম নাগরিকের উইল, উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পত্তির বিষয়ে প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইনের ভিত্তি নির্ধারণ করে। অসিয়তের পরিমাণ ও উত্তরাধিকারীর অধিকার নির্ধারণে সুন্নি বা শিয়া মত এবং নির্দিষ্ট পারিবারিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫: উইল, উইলদাতা, নির্বাহক, উইল প্রমাণ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালতের অনুমোদনসংক্রান্ত বিধান রয়েছে। তবে মুসলিম ব্যক্তির ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ ব্যক্তিগত আইন ও আইনের নির্দিষ্ট বিধানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়।

নিবন্ধন আইন, ১৯০৮: উইল নিবন্ধন, সংরক্ষণ এবং নিবন্ধন দপ্তরে দলিল উপস্থাপনের কাঠামো নির্ধারণ করে। ঢাকায় সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধন করা যায়; সরকারি ফি ও দপ্তরভেদে প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হতে পারে, তাই বর্তমান হার আগে যাচাই করা উচিত।

উইল ও অসিয়তনামা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন

উইল বা অসিয়তনামা কি ঢাকায় নিবন্ধন করতেই হবে?

সব ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়। তবে নিবন্ধন দলিলের হেফাজত, তারিখ এবং সম্পাদনের প্রমাণে সহায়ক হতে পারে। নিবন্ধন না থাকলেও বৈধতার অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।

মুসলিম ব্যক্তি কি পুরো সম্পত্তি যাকে ইচ্ছা দিতে পারেন?

সাধারণভাবে মুসলিম অসিয়তকারীর ক্ষমতা দেনা ও দাফনসংক্রান্ত খরচ বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত সীমিত থাকে। উত্তরাধিকারীকে অসিয়ত বা এক-তৃতীয়াংশের বেশি দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উত্তরাধিকারীদের সম্মতি প্রয়োজন হতে পারে। নির্দিষ্ট মতবাদ ও পারিবারিক অবস্থার জন্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

উইল করার জন্য ন্যূনতম বয়স কত?

সাধারণভাবে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের কাজের অর্থ বোঝার মতো মানসিক সক্ষম ব্যক্তিই উইল করতে পারেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক বা গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তির দলিল পরে চ্যালেঞ্জ হতে পারে। স্বাক্ষরের সময় চিকিৎসা নথি ও স্বাধীন সাক্ষীর উপস্থিতি কিছু ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।

উইলে কি ফ্ল্যাট ও জমির বিবরণ দেওয়া যায়?

হ্যাঁ, তবে দলিল নম্বর, মৌজা, খতিয়ান, দাগ, পরিমাণ, ঠিকানা এবং মালিকানার উৎস যতটা সম্ভব সঠিকভাবে উল্লেখ করা উচিত। ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল, নামজারি, হোল্ডিং ও সংশ্লিষ্ট কাগজের তথ্য মিলিয়ে নেওয়া দরকার। অস্পষ্ট বর্ণনা ভবিষ্যৎ বিরোধ বাড়াতে পারে।

উইলের জন্য কয়জন সাক্ষী দরকার?

প্রযোজ্য আইন ও দলিলদাতার ব্যক্তিগত আইনের শর্ত যাচাই করতে হয়। নিরাপদ প্রক্রিয়ায় স্বাধীন, প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষীদের সামনে দলিলদাতা স্বাক্ষর করেন এবং সাক্ষীরাও একই প্রক্রিয়ায় স্বাক্ষর করেন। সুবিধাভোগী বা তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে সাক্ষী না করাই সাধারণত সতর্কতামূলক।

একজন আইনজীবী দিয়ে উইল তৈরি করতে কত খরচ হয়?

আইনজীবীর ফি নির্দিষ্ট সরকারি হারে স্থির নয়। সম্পত্তির সংখ্যা, দলিল যাচাই, পরিবারের জটিলতা, খসড়া সংশোধন এবং নিবন্ধনের সহায়তার ওপর ফি নির্ভর করে। সরকারি নিবন্ধন বা অনুলিপির ফি আলাদা হতে পারে এবং কাজ শুরুর আগে লিখিত ফি-বিবরণ নেওয়া উচিত।

উইল তৈরি ও নিবন্ধনে কত সময় লাগে?

সহজ সম্পত্তি ও পরিষ্কার কাগজ থাকলে খসড়া প্রস্তুত করতে কয়েক দিন লাগতে পারে। দলিল যাচাই, পরিবারের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ বা একাধিক সম্পত্তি থাকলে সময় বাড়ে। নিবন্ধনের তারিখ ও দপ্তরের কাজের চাপ অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়ার সময় পরিবর্তিত হয়।

আগের উইল কি পরে বাতিল করা যায়?

দলিলদাতা সক্ষম ও স্বেচ্ছাসম্পন্ন থাকলে সাধারণত পরবর্তী উইল বা স্পষ্ট বাতিলনামার মাধ্যমে আগের উইল পরিবর্তন করা যায়। নতুন দলিলে আগের সব উইল বাতিলের কথা পরিষ্কারভাবে লেখা উচিত। আগের নিবন্ধিত উইল থাকলে আইনজীবীকে তা জানিয়ে রেকর্ড ও নতুন দলিলের সামঞ্জস্য পরীক্ষা করাতে হবে।

উইল থাকলেই কি উত্তরাধিকারীর নামে সম্পত্তি চলে যায়?

না। দলিলদাতার মৃত্যুর পর উইল যাচাই, দেনা নিষ্পত্তি, প্রয়োজনীয় আদালত বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং নামজারি লাগতে পারে। সম্পত্তির ধরন ও ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী উত্তরাধিকারীরা আপত্তি তুলতে পারেন।

প্রোবেট বা আদালতের অনুমোদন কি সব উইলের জন্য আবশ্যক?

সব উইলের জন্য একই আদালতীয় প্রক্রিয়া প্রযোজ্য নয়। সম্পত্তির অবস্থান, দলিলদাতার ধর্ম, উত্তরাধিকার আইন এবং বিরোধের ওপর আদালতের অনুমোদনের প্রয়োজন নির্ভর করতে পারে। ঢাকার আইনজীবী নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করতে পারেন।

বিদেশে থাকা উত্তরাধিকারী থাকলে কীভাবে উইল করা যায়?

উত্তরাধিকারীর বিদেশে থাকা নিজে উইল তৈরিতে বাধা নয়। তবে পরিচয়, যোগাযোগের ঠিকানা, ক্ষমতাপত্রের প্রয়োজন এবং মৃত্যুর পর নোটিশ বা সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া আগে নির্ধারণ করা উচিত। বিদেশি স্বাক্ষর বা নথির ক্ষেত্রে সত্যায়ন ও দূতাবাসসংক্রান্ত শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

আইনজীবী ছাড়া নিজে উইল লিখলে কী ঝুঁকি থাকে?

নিজে লেখা দলিল বৈধ হতে পারে, কিন্তু ভুল সম্পত্তির বিবরণ, সাক্ষীর ত্রুটি, অস্পষ্ট ভাষা বা ব্যক্তিগত আইনের সীমা ভবিষ্যৎ বিরোধ তৈরি করতে পারে। ঢাকায় একাধিক জমি, ফ্ল্যাট বা উত্তরাধিকারী থাকলে খসড়া আইনজীবী দিয়ে যাচাই করানো নিরাপদ।

ঢাকায় সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার উৎস

  • নিবন্ধন অধিদপ্তর: দলিল নিবন্ধন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম এবং নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রশাসনিক তথ্যের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্তৃপক্ষ।
  • ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়: ঢাকার নিবন্ধন দপ্তরগুলোর প্রশাসনিক তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন সংক্রান্ত দিকনির্দেশনায় সহায়তা করে।
  • জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা ও জেলা আইনগত সহায়তা অফিস, ঢাকা: যোগ্য অসচ্ছল ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের আইনগত পরামর্শ, সহায়তা এবং মামলা পরিচালনার সুযোগ দেয়।

ঢাকায় উপযুক্ত আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. প্রথম ১-২ দিনে: সম্পত্তির তালিকা, দলিল, খতিয়ান, নামজারি, করের রসিদ, পরিচয়পত্র এবং সম্ভাব্য উত্তরাধিকারীদের তথ্য সংগ্রহ করুন।
  2. ২-৩ দিনের মধ্যে: উইল, অসিয়ত, উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি নিবন্ধন বিষয়ে কাজ করেন এমন ঢাকার আইনজীবীদের তালিকা তৈরি করুন।
  3. পরামর্শের আগে: আইনজীবীর বার কাউন্সিলের সনদ, অফিসের ঠিকানা, সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা এবং লিখিত ফি-বিন্যাস যাচাই করুন।
  4. প্রথম বৈঠকে: ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন, সম্পত্তির মালিকানা, আগের উইল, পারিবারিক বিরোধ এবং মৃত্যুর পর সম্পাদকের দায়িত্ব স্পষ্টভাবে আলোচনা করুন।
  5. খসড়া পাওয়ার পর ২-৭ দিনের মধ্যে: প্রতিটি সম্পত্তির বিবরণ, সুবিধাভোগী, বিকল্প সুবিধাভোগী, দেনা এবং আগের দলিল বাতিলের ভাষা যাচাই করুন।
  6. স্বাক্ষরের দিন: স্বাধীন প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষী রাখুন, দলিলদাতার স্বেচ্ছাসম্মতি নিশ্চিত করুন এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসাগত সক্ষমতার নথি সংরক্ষণ করুন।
  7. নিবন্ধনের পর: মূল দলিলের নিরাপদ সংরক্ষণ, আইনজীবী বা মনোনীত ব্যক্তির কাছে অনুলিপি রাখা এবং সম্পত্তির নামজারি বা পরবর্তী প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা করুন।

যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, উইল ও অসিয়তনামা সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।