Lawzana Lawzana Logo
আইনজীবী খুঁজুন

ঢাকা-ভিত্তিক সেরা কাজের অনুমতিপত্র আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

Stellar Chambers
ঢাকা, বাংলাদেশ

1974 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 20জন
Bengali
English
Stellar Chambers | Full-Service Law Firm in Bangladesh | Corporate, Litigation & Commercial LawyersWe are a full-service law firm in Bangladesh offering strategic, efficient, and cost-effective legal solutions across corporate, transactional, and litigation matters. Over the years, we have...
Tanjib Alam and Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Tanjib Alam and Associates is a fully fledged law firm in Bangladesh consisting of associates with vast experience in corporate and commercial practice in Bangladesh. Tanjib Alam and Associates takes pride in serving its clients and is one of the very few law firms in Bangladesh who has a strong...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
Shyikh Mahdi & Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2020 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
Bengali
English
We are a new-generation full-service law firm, and our practice area includes dispute resolution (litigation and arbitration), corporate, trade and commerce, banking & finance (including Islamic finance), information technology, start-up, and emerging tech. We have advised Fortune500 companies,...
S Hossain & Associates Law
ঢাকা, বাংলাদেশ

2007 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
WHO WE ARES Hossain & Associates is a full service law firm in Bangladesh and has adequate knowledge, expertise, lawyers, consultants and logistics to undertake any legal, para legal or related service. We are experts in any litigation i.e. cases before any court of law be that Bangladesh...
The justice corner
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 25জন
Bengali
English
Hindi
Urdu
we uphold the principle that justice is fundamental to a just society. Established with a vision to provide reliable legal solutions anchored in ethical practice, professional competence, and unwavering commitment to fairness, our firm is dedicated to ensuring every client's voice is heard, their...
Counsels Law Partners (CLP)
ঢাকা, বাংলাদেশ

2016 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
About Counsels Law PartnersCounsels Law Partners (CLP) is a full service international law firm with its head office in Dhaka, Bangladesh. Further, it also has branches in Chittagong and Sylhet. It is one of the best reviewed law chambers in Bangladesh. The CLP team is a blend of UK trained...
Law Advisor BD
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2024 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
Bengali
English
Law Advisor BD is a premier legal firm in Bangladesh, recognized for its exceptional expertise across various legal domains. With a focus on Company Law, Corporate Law, Real Estate Law, Family Law, and Criminal Law, the firm has carved a niche for itself as a trusted legal partner for individuals,...
The Lawyers and Jurists - Law Firm
ঢাকা, বাংলাদেশ

2000 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Corporate lawyerCorporate lawyer in Bangladesh: “The Lawyers & Jurists” is a non profitable organization, a concern of “The Lawyers & Jurists Foundation” - Reg No: S- 11869. The services of the chamber are the offspring of the sincere, well-thought-out and meticulous teamwork of its...
The Law Counsel
ঢাকা, বাংলাদেশ

1990 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Established in 1990, ‘The Law Counsel’ is an international law firm based in Bangladesh which is widely recognized as one of the leading chambers in the country. The firm is best known for its specializations in commercial, employment, labor and public law, having been involved in a number of...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

ঢাকায় কাজের অনুমতিপত্র পাওয়ার বাস্তব প্রক্রিয়া

বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকের চাকরির জন্য কাজের অনুমতিপত্র সাধারণত নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানকে আবেদন করে নিতে হয়। ঢাকার বেসরকারি কোম্পানি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, ভিসা সংক্রান্ত ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

কাজের অনুমতিপত্র চাকরির ভিসার বিকল্প নয়। বিদেশি কর্মীকে বৈধ পাসপোর্ট, উপযুক্ত ভিসা, নিয়োগপত্র এবং অনুমোদিত পদে কাজের প্রয়োজনীয়তা দেখাতে হয়। প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, কর সংক্রান্ত নথি, জনবল কাঠামো এবং স্থানীয় কর্মী নিয়োগের প্রচেষ্টাও কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করতে পারে।

ঢাকায় আবেদন সাধারণত নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের নথির ওপর নির্ভর করে। আবেদন অসম্পূর্ণ হলে, পদের প্রয়োজনীয়তা অস্পষ্ট হলে, ভিসার মেয়াদ শেষের কাছাকাছি থাকলে বা কর্মীর নিয়োগকর্তা পরিবর্তিত হলে আইনজীবীর সহায়তা কার্যকর হতে পারে।

কোন পরিস্থিতিতে আইনজীবীর সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে

  • ঢাকার কোনো কোম্পানি প্রথমবার বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে এবং আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন, কর নথি বা কর্মী কাঠামো প্রস্তুত নয়।
  • বিদ্যমান কাজের অনুমতিপত্র নবায়নের সময় পাসপোর্ট, ভিসা, নিয়োগপত্র বা নিরাপত্তা যাচাইয়ের নথিতে অসামঞ্জস্য দেখা দিয়েছে।
  • বিদেশি কর্মী এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে চান এবং আগের নিয়োগকর্তার অনুমোদন বা নতুন অনুমতির প্রয়োজন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
  • কাজের অনুমতিপত্রপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুমোদিত পদ, কর্মস্থল বা দায়িত্বের বাইরে কাজ করছেন বলে আপত্তি উঠেছে।
  • ঢাকার কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, পরামর্শক প্রকল্প বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান একাধিক বিদেশি কর্মীর অনুমতি একসঙ্গে নিতে চায়।
  • কাজের অনুমতি প্রত্যাখ্যান, স্থগিত, বাতিল বা দেরি হয়েছে এবং কারণ পর্যালোচনা, পুনরায় আবেদন বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইনি যোগাযোগ দরকার।

সাধারণ ও সম্পূর্ণ আবেদন আইনজীবী ছাড়াও করা যায়। তবে নিয়োগকর্তা পরিবর্তন, মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা, ভুল তথ্য, একাধিক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবী ঝুঁকি কমাতে পারেন।

ঢাকায় প্রযোজ্য প্রধান আইন ও বিধিব্যবস্থা

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬: এই আইনের অধীনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়। বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ প্রকল্পে বিদেশি কর্মীর অনুমোদন এবং বিনিয়োগ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক সেবায় এই কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রয়েছে।

বিদেশি নাগরিক আইন, ১৯৪৬: বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকের প্রবেশ, অবস্থান এবং বহির্গমন নিয়ন্ত্রণের প্রধান আইনগুলোর একটি। ভিসার শর্ত ভঙ্গ, অনুমতি ছাড়া কাজ বা অবস্থানের মেয়াদ অতিক্রম করলে এই আইনের অধীনে প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা হতে পারে।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬: এই আইন শ্রমসম্পর্ক, কর্মপরিবেশ, মজুরি ও কর্মস্থলের অধিকার নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নিজে কাজের অনুমতিপত্র দেয় না, কিন্তু অনুমোদিত বিদেশি কর্মীর চাকরির শর্ত এবং নিয়োগকর্তার শ্রম-সংক্রান্ত দায়িত্ব নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক। আইনটি ২০১৩ ও ২০১৮ সালে গুরুত্বপূর্ণভাবে সংশোধিত হয়েছে।

প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর আলাদা অনুমোদন লাগতে পারে। সরকারি ফি, ফরম, নথির তালিকা এবং প্রক্রিয়া পরিবর্তন হতে পারে, তাই আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।

কাজের অনুমতিপত্র নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

বিদেশি নাগরিকের বাংলাদেশে কাজ করতে কি কাজের অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক?

সাধারণভাবে বাংলাদেশে চাকরি বা নিয়মিত পেশাগত কাজের জন্য উপযুক্ত ভিসার পাশাপাশি কাজের অনুমতিপত্র প্রয়োজন। ভ্রমণ, পর্যটন বা সীমিত ব্যবসায়িক সফরের ভিসা সাধারণত চাকরি করার অনুমতি দেয় না।

কাজের অনুমতিপত্রের আবেদন কে করে?

সাধারণত বাংলাদেশে নিবন্ধিত নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মীর পক্ষে আবেদন করে। কর্মীর ব্যক্তিগত আবেদন একা যথেষ্ট নাও হতে পারে, কারণ প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা, পদ এবং নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও যাচাই করা হয়।

ঢাকার কোন কর্তৃপক্ষ সাধারণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আবেদন দেখে?

ঢাকার সাধারণ বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষ। রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের প্রতিষ্ঠান বা বিদেশি সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

কাজের অনুমতিপত্র পেতে সাধারণত কত সময় লাগে?

নথি সম্পূর্ণ থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রক্রিয়া এগোতে পারে, কিন্তু নিরাপত্তা যাচাই, অতিরিক্ত কাগজপত্র বা কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন থাকলে সময় বাড়ে। নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কর্মীকে বাংলাদেশে পাঠানো উচিত নয়।

আবেদনের জন্য কোন নথিগুলো সাধারণত লাগে?

সাধারণত পাসপোর্ট, ছবি, জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত বা পেশাগত সনদ, নিয়োগপত্র এবং প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন-সংক্রান্ত নথি লাগে। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক, কর এবং জনবল-সংক্রান্ত নথিও চাওয়া হতে পারে।

বিদেশি কর্মী কি কাজের অনুমতিপত্র ছাড়া ব্যবসায়িক সভায় অংশ নিতে পারেন?

স্বল্পমেয়াদি ব্যবসায়িক সভা, আলোচনা বা পরিদর্শন চাকরির মতো নিয়মিত কাজ নয়। তবে ভিসার শর্ত অনুযায়ী কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকে, তাই প্রশিক্ষণ, সেবা প্রদান বা প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে অনুমতির ধরন যাচাই করা উচিত।

নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করলে পুরোনো কাজের অনুমতিপত্র কি ব্যবহার করা যায়?

সাধারণত পুরোনো অনুমতিপত্র নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয় না। নতুন নিয়োগকর্তার আবেদন, সংশোধন বা নতুন অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে।

কাজের অনুমতিপত্রের মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন করা যায় কি?

অনুমতির শর্ত ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে নবায়ন করা যায়। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আবেদন করা নিরাপদ, কারণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় কাজ চালিয়ে গেলে ভিসা ও অবস্থানের বৈধতা নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

কাজের অনুমতিপত্রের সরকারি খরচ কত?

ফি আবেদন, ভিসার ধরন, অনুমতির মেয়াদ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুযায়ী বদলাতে পারে। আইনজীবীর পারিশ্রমিক সরকারি ফি থেকে আলাদা এবং লিখিত চুক্তিতে নথি প্রস্তুতি, আবেদন, শুনানি ও নবায়নের খরচ স্পষ্ট করা উচিত।

কাজের অনুমতিপত্র প্রত্যাখ্যান হলে কী করা যায়?

প্রথমে প্রত্যাখ্যানের লিখিত কারণ বা আবেদন-সংক্রান্ত আপত্তি সংগ্রহ করতে হয়। ত্রুটি সংশোধন করে পুনরায় আবেদন, ব্যাখ্যা দাখিল বা প্রযোজ্য প্রশাসনিক প্রতিকার নেওয়ার আগে আইনজীবীর মাধ্যমে কারণটি পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

নিয়োগকর্তা কি বিদেশি কর্মীর পাসপোর্ট রেখে দিতে পারেন?

পাসপোর্ট কর্মীর ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র এবং সাধারণত তার কাছেই থাকা উচিত। নিয়োগকর্তা নথির অনুলিপি রাখতে পারে, কিন্তু জোর করে পাসপোর্ট আটকে রাখা বা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা শ্রম ও ফৌজদারি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কাজের অনুমতিপত্র থাকলেই কি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে থাকা যায়?

না। কাজের অনুমতিপত্র চাকরির অনুমোদন, স্থায়ী বসবাসের অধিকার নয়। ভিসা, অবস্থানের মেয়াদ এবং বহির্গমন-সংক্রান্ত নিয়ম আলাদাভাবে মানতে হয়।

ঢাকার সরকারি ও আনুষ্ঠানিক সহায়তার উৎস

  • বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ: বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিদেশি কর্মী-সংক্রান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং সংশ্লিষ্ট আবেদন গ্রহণ বা সমন্বয় করে।
  • বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ: রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, শিল্প ইউনিট এবং সেখানে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের অনুমোদন-সংক্রান্ত বিষয় পরিচালনা করে।
  • এনজিও বিষয়ক ব্যুরো: বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত ও নিবন্ধিত বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রকল্প, বিদেশি কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদন তদারক করে।

ভিসা ও অবস্থানের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। আবেদন করার আগে প্রতিটি কর্তৃপক্ষের বর্তমান ফরম ও নথির তালিকা সরাসরি যাচাই করা উচিত।

ঢাকায় উপযুক্ত কাজের অনুমতিপত্র আইনজীবী বাছাই ও নিয়োগের পরবর্তী ধাপ

  1. প্রথম এক থেকে দুই দিনের মধ্যে: কর্মীর নাগরিকত্ব, বর্তমান ভিসা, পাসপোর্টের মেয়াদ, চাকরির পদ, নিয়োগকর্তা এবং কর্মস্থল লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন।
  2. দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে: নিয়োগকর্তার নিবন্ধন, কর নথি, আর্থিক কাগজপত্র, জনবল কাঠামো এবং আগের অনুমতির কপি সংগ্রহ করুন।
  3. তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে: বিদেশি কর্মী ও করপোরেট অভিবাসন বিষয়ে কাজ করেন এমন দুই বা তিনজন ঢাকার আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
  4. পরামর্শের সময়: আইনজীবীর বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ, অনুরূপ আবেদনের অভিজ্ঞতা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজের পরিধি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি যাচাই করুন।
  5. নিয়োগের আগে: লিখিত চুক্তিতে কাজের পরিধি, সরকারি ফি, আইনজীবীর পারিশ্রমিক, সম্ভাব্য অতিরিক্ত খরচ, সময়ের হিসাব এবং নথি ফেরতের দায়িত্ব রাখুন।
  6. আবেদনের এক সপ্তাহের মধ্যে: জমা দেওয়া ফরম, রসিদ, অনুমোদনপত্র ও কর্তৃপক্ষের যোগাযোগের রেকর্ড সংগ্রহ করুন। কোনো অতিরিক্ত নথি চাওয়া হলে মৌখিক নির্দেশের বদলে লিখিত তালিকা নিন।
  7. মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত কয়েক সপ্তাহ আগে: নবায়নের প্রয়োজন থাকলে নতুন করে নথি পর্যালোচনা করুন এবং ভিসা বা অবস্থানের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আইনগত ব্যবস্থা নিন।

যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে ঢাকা-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, কাজের অনুমতিপত্র সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

ঢাকা, বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।