Lawzana Lawzana Logo
আইনজীবী খুঁজুন

বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা প্রশাসনিক আইন আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
📞 01746-022550 (WhatsApp) Advocate Russell Biswas & Associates - A Reputed Law Firm Based in Chittagong & Dhaka | Mo - 01746022550  Mr. Russell Biswas is a practicing advocate at District & Sessions Judges' Court, Chattogram and an apprentice advocate at the Supreme Court of...
Tanjib Alam and Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Tanjib Alam and Associates is a fully fledged law firm in Bangladesh consisting of associates with vast experience in corporate and commercial practice in Bangladesh. Tanjib Alam and Associates takes pride in serving its clients and is one of the very few law firms in Bangladesh who has a strong...
PREMIUM LEGAL AND CONSULTANCY FIRM
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2021 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 3জন
English
Bengali
Our heartiest welcome goes to you. Let us allow to introduce ourselves. PREMIUM LEGAL AND CONSULTANCY FIRM is a full service law chambers where we work to ensure justice for our respected clients. We are located at Khilgaon in Dhaka, which is very close to the National Board of Revenue and...
Stellar Chambers
ঢাকা, বাংলাদেশ

1974 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 20জন
Bengali
English
Stellar Chambers | Full-Service Law Firm in Bangladesh | Corporate, Litigation & Commercial LawyersWe are a full-service law firm in Bangladesh offering strategic, efficient, and cost-effective legal solutions across corporate, transactional, and litigation matters. Over the years, we have...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
Legal Counsel BD
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 17জন
English
Bengali
Japanese
Legal Counsel is a top-tier, full-service law firm in Bangladesh, dedicated to providing holistic legal solutions with professionalism and integrity. From our offices in Dhaka and Chattogram, we empower global clients to make informed decisions through expert advisory, meticulous dispute...
VisionaryiP Alliance
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
English
Bengali
VisionaryiP Alliance is an eminent intellectual property (IP) law firm in Bangladesh, whoprovides the legal services to clients nationwide and worldwide on their trademarks, patents, industrial designs, copyright, geographical indications, domain names and unfair competition issues and aims to give...
Shyikh Mahdi & Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 30 মিনিট

2020 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
Bengali
English
We are a new-generation full-service law firm, and our practice area includes dispute resolution (litigation and arbitration), corporate, trade and commerce, banking & finance (including Islamic finance), information technology, start-up, and emerging tech. We have advised Fortune500 companies,...
Advocate Saiful Islam Mollah & Associates
গাজীপুর, বাংলাদেশ

2014 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
Until 2013, the total number of all kinds of companies in the whole world was about 100 million, but there was no human rights company anywhere. In spite of it is true that human rights are essential for all.People were waiting for such company. Because people would more benefit if they could get...
Dr Kazi Abdul Mannan & Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ

1992 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 50জন
Bengali
English
BackgroundThe firm, established in 1992 as a Kazi & Rahman Associates and in the year of 2004 it has changed name as a Law & Lawyers and finally become Dr Kazi Abdul Mannan & Associates in 2017, is one of the largest law firms in Bangladesh. We provide a comprehensive range of legal...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

বাংলাদেশে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কখন আইনি সহায়তা প্রয়োজন

বাংলাদেশে প্রশাসনিক আইন সরকারি দপ্তর, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং বিধিবদ্ধ সংস্থার সিদ্ধান্ত, ক্ষমতার ব্যবহার ও জবাবদিহি নিয়ন্ত্রণ করে। চাকরি, লাইসেন্স, অনুমোদন, কর, জমি, টেন্ডার, ভাতা এবং তথ্যপ্রাপ্তির মতো বিষয়ে এই আইন সরাসরি প্রযোজ্য হতে পারে।

কোন পথে যেতে হবে, তা নির্ভর করে সিদ্ধান্তটি কোন কর্তৃপক্ষ নিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনে আপিল বা পুনর্বিবেচনার ব্যবস্থা আছে কি না। চাকরিসংক্রান্ত বিরোধে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রাসঙ্গিক হতে পারে, আর বেআইনি সরকারি সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিটের বিষয় উঠতে পারে।

কোন পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে

  • সরকারি চাকরিতে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় শাস্তি, পদাবনতি, জ্যেষ্ঠতা বা পদোন্নতি নিয়ে বিরোধ হলে।
  • সরকারি দপ্তর লাইসেন্স, নিবন্ধন, অনুমোদন, ভাতা বা সুবিধার আবেদন কারণ না জানিয়ে প্রত্যাখ্যান করলে।
  • জমি অধিগ্রহণ, খাসজমি, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর বা সরকারি রেকর্ড সংশোধন নিয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করতে হলে।
  • সরকারি টেন্ডার, দরপত্র মূল্যায়ন বা চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তে আইনভঙ্গ, পক্ষপাত বা ন্যায্য প্রক্রিয়ার অভাবের অভিযোগ থাকলে।
  • তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও সরকারি সংস্থা তথ্য না দিলে বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে।
  • কোনো কর্তৃপক্ষ আইনগত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে আদেশ দিলে, অথবা শুনানির সুযোগ না দিয়ে ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত নিলে।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান আইন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৭২ - সংবিধান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কার্যকর হয়। এর ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ সরকারি কর্তৃপক্ষের বেআইনি কার্যক্রম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনগত অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে উপযুক্ত নির্দেশ বা আদেশ দিতে পারে।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০ - সরকারি চাকরি ও চাকরির শর্তসংক্রান্ত নির্দিষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা করে। এই আইনের অধীন বিষয়ে সাধারণ দেওয়ানি আদালতের পরিবর্তে ট্রাইব্যুনাল এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার প্রযোজ্য হতে পারে।

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ - সরকারি ও নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা তথ্য চাওয়ার অধিকার, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং তথ্য না পাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিকারের কাঠামো নির্ধারণ করে। তথ্য কমিশন এই আইনের বাস্তবায়ন ও অভিযোগসংক্রান্ত কাজে ভূমিকা রাখে।

প্রশাসনিক আইন নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

প্রশাসনিক আইন বলতে কী বোঝায়?

এটি সরকারি কর্তৃপক্ষ কীভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করবে, সিদ্ধান্ত নেবে এবং নাগরিকের অধিকার রক্ষা করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করে। সরকারি চাকরি, লাইসেন্স, ভূমি প্রশাসন, টেন্ডার, কর এবং তথ্যপ্রাপ্তির অনেক বিরোধ এই ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

সরকারি দপ্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি আদালতে যাওয়া যায় কি?

সব ক্ষেত্রে সরাসরি আদালতে যাওয়া যায় না। সংশ্লিষ্ট আইনে আপিল, পুনর্বিবেচনা বা বিভাগীয় প্রতিকারের ব্যবস্থা থাকলে সাধারণত আগে সেই পথ অনুসরণ করতে হয়, যদিও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে রিটের প্রশ্ন উঠতে পারে।

সরকারি চাকরির বিরোধে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে কে যেতে পারেন?

প্রজাতন্ত্রের চাকরি বা আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত কোনো কর্তৃপক্ষের চাকরির শর্তসংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারাধীন প্রতিকার চাইতে পারেন। কোন পদ বা সংস্থা এই আওতায় পড়ে, তা নিয়োগের আইন ও বিরোধের প্রকৃতি দেখে নির্ধারণ করতে হয়।

রিট এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের মামলার মধ্যে পার্থক্য কী?

রিট সাধারণত সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে করা হয়। চাকরির নির্দিষ্ট বিরোধে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের বিশেষ এখতিয়ার থাকতে পারে, তাই ভুল ফোরামে মামলা করলে সময় ও খরচ বাড়তে পারে।

প্রশাসনিক মামলা করতে কত খরচ হয়?

খরচের কোনো একক নির্ধারিত হার নেই। আইনজীবীর ফি, নথি প্রস্তুত, সত্যায়ন, কপি, মামলা দাখিল এবং শুনানির সংখ্যার ওপর মোট ব্যয় নির্ভর করে।

মামলা করার আগে কি আইনজীবীর নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক?

সব প্রশাসনিক বিরোধে নোটিশ বাধ্যতামূলক নয়। তবে সিদ্ধান্তের কারণ জানতে, কর্তৃপক্ষকে সংশোধনের সুযোগ দিতে এবং পরবর্তী মামলায় নথিভুক্ত অবস্থান তৈরি করতে লিখিত প্রতিনিধিত্ব বা নোটিশ কার্যকর হতে পারে।

প্রশাসনিক মামলায় সাধারণত কত সময় লাগে?

সময় নির্ভর করে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল, নথির পরিমাণ, পক্ষগুলোর জবাব এবং অন্তর্বর্তী আদেশের প্রয়োজনের ওপর। জরুরি বিষয়ে অন্তর্বর্তী শুনানি দ্রুত হতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে কয়েক মাস বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।

সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ পাওয়া যায় কি?

আদালত বা ট্রাইব্যুনাল পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্তর্বর্তী আদেশ দিতে পারে। আবেদনকারীকে সাধারণত প্রাথমিকভাবে বেআইনি সিদ্ধান্ত, তাৎক্ষণিক ক্ষতি এবং দ্রুত প্রতিকারের প্রয়োজন দেখাতে হয়; স্থগিতাদেশ স্বয়ংক্রিয় নয়।

প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করতে কী কী নথি লাগে?

চ্যালেঞ্জ করা আদেশ, আবেদনপত্র, কারণ দর্শানোর নোটিশ, জবাব, আপিল বা পুনর্বিবেচনার কাগজ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি চিঠি সংগ্রহ করা উচিত। তারিখের ধারাবাহিকতা, পরিচয়পত্র, নিয়োগপত্র বা জমির নথিও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

সরকারি কর্তৃপক্ষ কারণ না জানালে কি সিদ্ধান্ত বাতিল হতে পারে?

প্রতিটি সিদ্ধান্তে একই মাত্রার কারণ প্রদানের নিয়ম নেই, তবে অধিকার ক্ষুণ্নকারী সিদ্ধান্তে ন্যায্য প্রক্রিয়া ও আইনসম্মত কারণ গুরুত্বপূর্ণ। আইনজীবী সিদ্ধান্তের ক্ষমতার উৎস, শুনানির সুযোগ এবং নথিভুক্ত কারণ পরীক্ষা করে প্রতিকারের পথ নির্ধারণ করতে পারেন।

তথ্য অধিকার আইনে তথ্য না পেলে কোথায় অভিযোগ করা যায়?

প্রথমে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে নির্ধারিত পদ্ধতিতে তথ্যের আবেদন করতে হয়। তথ্য না পাওয়া, অসম্পূর্ণ তথ্য বা অযৌক্তিক প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে আইনের কাঠামো অনুযায়ী আপিল এবং তথ্য কমিশনে অভিযোগের পথ থাকতে পারে।

সরকারি কর্মচারী কি ব্যক্তিগত আইনজীবী নিয়োগ করতে পারেন?

সাধারণভাবে নিজের চাকরি বা বিভাগীয় বিরোধে ব্যক্তিগত আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সম্ভব। তবে বিভাগীয় বিধি, কর্তৃপক্ষের অনুমতি, প্রতিনিধিত্বের সীমা এবং ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের নিজস্ব প্রক্রিয়া আগে যাচাই করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের সরকারি সহায়তা ও তথ্যের উৎস

  • বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট - হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের মামলা, আদালতের কার্যক্রম এবং প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়াগত তথ্যের সরকারি উৎস।
  • প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল - সরকারি চাকরি ও চাকরির শর্তসংক্রান্ত আইনি বিরোধের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ব্যবস্থা। এখতিয়ার ও মামলা দাখিলের প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট বিরোধ অনুযায়ী যাচাই করতে হয়।
  • তথ্য কমিশন, বাংলাদেশ - তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাস্তবায়নে সচেতনতা, অভিযোগ এবং তথ্য না পাওয়ার প্রতিকারসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে।

আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী ধাপ

  1. ঘটনার সময়সীমা লিখে রাখুন: সিদ্ধান্তের তারিখ, নোটিশ পাওয়ার তারিখ, আপিলের শেষ সময় এবং ইতোমধ্যে নেওয়া পদক্ষেপ এক পাতায় সাজান। এটি প্রথম পরামর্শের আগেই করা যায়।
  2. সম্পূর্ণ নথি সংগ্রহ করুন: আদেশ, আবেদন, জবাব, সরকারি চিঠি, রসিদ, পরিচয়পত্র এবং সংশ্লিষ্ট বিধির কপি একসঙ্গে রাখুন। অস্পষ্ট বা অসম্পূর্ণ কাগজ পরে মামলার প্রস্তুতি বিলম্বিত করতে পারে।
  3. সঠিক ক্ষেত্রের আইনজীবী বাছুন: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, রিট, সরকারি চাকরি, ভূমি প্রশাসন বা তথ্য অধিকার - আপনার বিরোধের সঙ্গে মিল থাকা অভিজ্ঞতা খুঁজুন। আইনজীবীর বার কাউন্সিলের বৈধ সনদ ও সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজের অনুমোদন যাচাই করুন।
  4. প্রথম পরামর্শ নিন: একজন বা একাধিক আইনজীবীর কাছে এখতিয়ার, প্রতিকার, সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং বিকল্প প্রক্রিয়া সম্পর্কে লিখিত বা স্পষ্ট মতামত নিন। জরুরি স্থগিতাদেশের প্রয়োজন থাকলে একই দিন বিষয়টি জানান।
  5. খরচ ও কাজের পরিধি লিখিতভাবে ঠিক করুন: পেশাগত ফি, কোর্ট-সংক্রান্ত ব্যয়, নথি প্রস্তুতি, প্রতিটি শুনানির ফি এবং আপিলের খরচ আলাদা করে জেনে নিন। অর্থপ্রদানের রসিদ ও নিয়োগের শর্ত সংরক্ষণ করুন।
  6. প্রাথমিক প্রতিকার আগে যাচাই করুন: বিভাগীয় আপিল, পুনর্বিবেচনা, তথ্য অধিকার আপিল বা কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত প্রতিনিধিত্বের সময়সীমা আইনজীবীর সঙ্গে মিলিয়ে নিন। অনেক ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নেওয়া দরকার।
  7. মামলার অগ্রগতি অনুসরণ করুন: মামলা নম্বর, পরবর্তী তারিখ, দাখিল করা কাগজ এবং আদালত বা ট্রাইব্যুনালের আদেশের কপি সংগ্রহ করুন। প্রতিটি শুনানির পর আইনজীবীর কাছ থেকে পরবর্তী করণীয় ও সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে আপডেট নিন।

যাচাই করা যোগ্য আইন পেশাজীবীদের বাছাই করা তালিকার মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, প্রশাসনিক আইন সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক প্রশাসনিক আইন ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন

শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।