Lawzana Lawzana Logo

বাংলাদেশ-ভিত্তিক পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স আইনজীবী

আপনার প্রয়োজন আমাদের জানান, ল ফার্মগুলো আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

ফ্রি। সময় লাগে 2 মিনিট।

অথবা শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন:

Adv Russell Biswas & Associates
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
ঘণ্টাপ্রতি ফি ৳1,500

2023 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 5জন
Bengali
English
Hindi
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স জলবায়ু পরিবর্তন আইন আরও +7
অ্যাডভোকেট রাসেল বিশ্বাস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস - চট্টগ্রাম ও ঢাকা ভিত্তিক একটি স্বনামধন্য ল ফার্ম  জনাব রাসেল...
Tuhin & Partners
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
English
Bengali
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
Background:TUHIN & PARTNERS was founded in 2019 with a clear vision: to develop an entire Corporate legal, tax, and compliance for advising business, including in expertise the countries we serve and professional abilities in our essential specialty. Our Firm aims to provide skilled...
Legal Counsel BD
ঢাকা, বাংলাদেশ

2009 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 17জন
English
Bengali
Japanese
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স জলবায়ু পরিবর্তন আইন আরও +7
Legal Counsel is a top-tier, full-service law firm in Bangladesh, dedicated to providing holistic legal solutions with professionalism and integrity. From our offices in Dhaka and Chattogram, we empower global clients to make informed decisions through expert advisory, meticulous dispute...
Law Advisor BD
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 15 মিনিট

2024 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 10জন
Bengali
English
পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স
Law Advisor BD is a premier legal firm in Bangladesh, recognized for its exceptional expertise across various legal domains. With a focus on Company Law, Corporate Law, Real Estate Law, Family Law, and Criminal Law, the firm has carved a niche for itself as a trusted legal partner for individuals,...
Legal Compliance
ঢাকা, বাংলাদেশ

তাদের টিমে 8জন
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
Legal Compliance is a Bangladesh law firm advising domestic and international clients on corporate, commercial, banking, real estate, energy, and dispute-related matters. Its work spans business formation, investment, financing, regulatory approvals, and major infrastructure projects.The firm’s...
Legal & Business Solutions (LBS)
ঢাকা, বাংলাদেশ

2014 সালে প্রতিষ্ঠিত
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
Legal & Business Solutions (LBS) is a Bangladesh-based law firm serving businesses, public bodies, international organizations and individuals. Its multidisciplinary team includes lawyers, accountants and support professionals, and its work spans corporate matters, dispute resolution, banking...
The justice corner
ঢাকা, বাংলাদেশ
পরামর্শ ফ্রি · 1 ঘণ্টা

2018 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 25জন
Bengali
English
Hindi
Urdu
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
we uphold the principle that justice is fundamental to a just society. Established with a vision to provide reliable legal solutions anchored in ethical practice, professional competence, and unwavering commitment to fairness, our firm is dedicated to ensuring every client's voice is heard, their...
Hossain & Khan Associates | Law Firm
ঢাকা, বাংলাদেশ

2010 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 6জন
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
Established in 2010 by Mohammed Mutahar Hossain, Ali Asif Khan and Mohammed Muddasir Hossain, Hossain & Khan Associates is a Bangladesh law firm whose partners are barristers and practising advocates before the Supreme Court of Bangladesh. The firm advises on corporate and commercial matters,...
A. N. Azad & Associates
ঢাকা, বাংলাদেশ

জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
A. N. Azad & Associates is a Dhaka-based law firm providing legal services to a range of institutional, business, and individual clients in Bangladesh and internationally.
LEED-Lawyers For Energy, Environment & Development
ঢাকা, বাংলাদেশ

2019 সালে প্রতিষ্ঠিত
তাদের টিমে 7জন
জ্বালানি, পরিবেশ ও ইএসজি পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স তেল, গ্যাস ও জ্বালানি আরও +7
Lawyers for Energy, Environment and Development (LEED) Limited is a Bangladesh law firm established in 2019 by lawyers from the Supreme Court of Bangladesh. Its practice focuses on energy, environmental and cyber law, alongside related commercial, regulatory and development matters.The firm advises...
যেখানে আমাদের দেখেছেন

বাংলাদেশে পরিবেশ আইন ও নিয়মপালনে আইনজীবীর ভূমিকা

বাংলাদেশে পরিবেশ আইন ও নিয়মপালন বলতে শিল্প, আবাসন, অবকাঠামো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে প্রযোজ্য আইন মেনে চলাকে বোঝায়। বাস্তবে এর মধ্যে পরিবেশগত ছাড়পত্র, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাভূমি ও বন সংরক্ষণ এবং সরকারি পরিদর্শনের জবাব অন্তর্ভুক্ত থাকে।

কোনো প্রকল্পের স্থান, উৎপাদনপ্রক্রিয়া, দূষণের সম্ভাবনা এবং জমির ব্যবহার অনুযায়ী অনুমোদনের ধরন বদলে যেতে পারে। পরিবেশ অধিদপ্তরের আবেদন, নথি, শুনানি, পরিদর্শন ও শর্তপূরণের ধাপগুলো বুঝতে আইনজীবী প্রয়োজন হতে পারে।

আইনজীবী সাধারণত পরিবেশগত ছাড়পত্রের আইনি দিক পর্যালোচনা, নোটিশের উত্তর, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার এবং পরিবেশ আদালতের মামলায় প্রতিনিধিত্ব করেন। কারিগরি নমুনা, পরিবেশগত সমীক্ষা বা নির্গমন পরীক্ষার জন্য আলাদা পরিবেশ বিশেষজ্ঞের সহায়তাও লাগতে পারে।

কখন পরিবেশ আইনজীবী নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে

  • নতুন শিল্প বা প্রকল্প শুরু: কারখানা, ইটভাটা, আবাসন, হাসপাতাল বা বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অন্যান্য অনুমোদনের প্রয়োজন হলে।
  • পরিবেশ অধিদপ্তরের নোটিশ: দূষণ, অনুমোদনের শর্তভঙ্গ, বর্জ্য ফেলা বা নির্গমনমাত্রা নিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ এলে।
  • কারখানা বন্ধ বা জরিমানার ঝুঁকি: পরিদর্শনের পর কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা, অনুমোদন স্থগিত বা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হলে।
  • জমি ও জলাভূমি নিয়ে বিরোধ: জলাভূমি ভরাট, নদী বা খাল দখল, পাহাড় কাটা, বনভূমি ব্যবহার বা প্রতিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নির্মাণের অভিযোগ উঠলে।
  • দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা সম্প্রদায়: শিল্পবর্জ্য, ধোঁয়া, দুর্গন্ধ, শব্দ, রাসায়নিক বা দূষিত পানির কারণে স্বাস্থ্য বা সম্পত্তির ক্ষতি হলে।
  • সরকারি প্রকল্প বা চুক্তি: পরিবেশগত শর্ত, পুনর্বাসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বা ঠিকাদারের দায় চুক্তিতে স্পষ্ট করতে হলে।

বাংলাদেশে প্রযোজ্য প্রধান পরিবেশ আইন

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫: এই আইনে পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ক্ষমতা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের মূল কাঠামো রয়েছে। আইনটি পরে সংশোধিত হয়েছে, তাই পুরোনো অনুমোদন বা নোটিশ পর্যালোচনায় সংশোধিত বিধানও দেখা দরকার।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩: ২০২৩ সালে জারি হওয়া এই বিধিমালা পরিবেশগত ছাড়পত্র, প্রকল্পের শ্রেণিবিন্যাস, আবেদন ও অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নতুন কাঠামো দেয়। প্রকল্পের ক্ষেত্রে বর্তমান বিধিমালা এবং প্রযোজ্য রূপান্তর বিধান যাচাই করা জরুরি।

পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০: পরিবেশসংক্রান্ত অপরাধ ও বিরোধের জন্য বিশেষ আদালত এবং আপিলের কাঠামো নির্ধারণ করে। মামলার ধরন, অভিযোগের উৎস, তদন্তের নথি এবং আদালতের এখতিয়ার অনুযায়ী উপযুক্ত প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।

প্রকল্পভেদে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ এবং বনসংক্রান্ত আইনও প্রযোজ্য হতে পারে। সঠিক আইন নির্ধারণে প্রকল্পের অবস্থান, কার্যক্রম এবং পরিবেশগত প্রভাব একসঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া প্রকল্প চালানো কি বৈধ?

প্রযোজ্য প্রকল্পের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া কার্যক্রম শুরু বা চালানো আইনগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা বা সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারে।

পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদন কে করতে পারেন?

প্রকল্পের মালিক, অনুমোদিত প্রতিনিধি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন। জমির কাগজ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, প্রকল্পের নকশা এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রতিবেদন লাগতে পারে।

ছাড়পত্র পেতে কত সময় লাগে?

সময় প্রকল্পের ধরন, নথির পূর্ণতা, পরিদর্শন এবং পরিবেশগত সমীক্ষার প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। অসম্পূর্ণ আবেদন বা অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধ হলে সময় বাড়ে, তাই আইনজীবী আবেদন জমার আগে নথি যাচাই করতে পারেন।

পরিবেশ আইনজীবী ছাড়া কি আবেদন করা যায়?

অনেক আবেদন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজেই করতে পারে। তবে জটিল প্রকল্প, নোটিশ, বিরোধ, শুনানি বা মামলার ক্ষেত্রে আইনজীবী আইনি ঝুঁকি কমাতে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রক্রিয়াগত যোগাযোগে সহায়তা করতে পারেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নোটিশ পেলে প্রথমে কী করা উচিত?

নোটিশের সময়সীমা, অভিযোগ এবং চাওয়া নথি মনোযোগ দিয়ে পড়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর দেওয়া উচিত। নথি গোপন বা পরিবর্তন না করে আইনজীবী ও প্রয়োজনে পরিবেশ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে তথ্যভিত্তিক জবাব প্রস্তুত করা নিরাপদ।

পরিবেশ আদালতে কোন ধরনের বিষয় যেতে পারে?

পরিবেশ-সংক্রান্ত আইনভঙ্গ, দূষণ এবং প্রযোজ্য পরিবেশগত অপরাধের মামলা বিশেষ আদালতের কাঠামোর মধ্যে পড়তে পারে। কোন আদালতে কীভাবে মামলা হবে, তা অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে।

দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কি আইনগত প্রতিকার চাইতে পারেন?

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, ছবি, নমুনা পরীক্ষার ফল এবং কর্তৃপক্ষের কাছে করা অভিযোগ সংগ্রহ করতে পারেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রশাসনিক অভিযোগ, দেওয়ানি প্রতিকার, সাংবিধানিক প্রতিকার বা পরিবেশ আদালতের প্রক্রিয়া বিবেচনা করা যেতে পারে।

পরিবেশ আইনজীবীর খরচ কত হতে পারে?

ফি নির্ভর করে পরামর্শ, আবেদন, নোটিশের উত্তর, শুনানি, মামলা এবং নথির পরিমাণের ওপর। সরকারি ফি, পরীক্ষাগারের খরচ, পরিবেশগত সমীক্ষা ও বিশেষজ্ঞের পারিশ্রমিক সাধারণত আইনজীবীর ফি থেকে আলাদা হতে পারে।

আইনজীবী বাছাইয়ের সময় কোন যোগ্যতা দেখা উচিত?

পরিবেশ আইন, প্রশাসনিক প্রতিকার, পরিবেশ আদালত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখা উচিত। একই ধরনের প্রকল্প বা বিরোধের অভিজ্ঞতা, লিখিত ফি-চুক্তি এবং সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে সংযত ব্যাখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবেশগত সমীক্ষা কি আইনজীবী নিজে করেন?

আইনজীবী সাধারণত আইনি বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াগত প্রতিনিধিত্ব করেন। বায়ু, পানি, শব্দ, বর্জ্য বা প্রতিবেশগত প্রভাবের কারিগরি পরীক্ষা অনুমোদিত পরামর্শক, পরীক্ষাগার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে করতে হয়।

ছাড়পত্রের শর্ত পরিবর্তন হলে কী করা যায়?

পরিবর্তিত উৎপাদন, স্থান, জ্বালানি, বর্জ্য বা সক্ষমতা অনুমোদনের শর্তকে প্রভাবিত করতে পারে। সংশোধন বা নতুন অনুমোদন লাগবে কি না, তা বর্তমান বিধিমালা ও ছাড়পত্রের নির্দিষ্ট শর্ত দেখে নির্ধারণ করা উচিত।

সরকারি অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও পরিবেশগত মামলা হতে পারে কি?

হতে পারে, কারণ একটি অনুমোদন সব পরিবেশগত বা ভূমি-ব্যবহার সংক্রান্ত অনুমোদনের বিকল্প নয়। অনুমোদনের শর্তভঙ্গ, ভুল তথ্য, নতুন দূষণ বা অন্য আইনের লঙ্ঘন থাকলে পৃথক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশের সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎস

  • পরিবেশ অধিদপ্তর: পরিবেশগত ছাড়পত্র, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিদর্শন, নমুনা পরীক্ষা, নোটিশ এবং পরিবেশগত বিধি বাস্তবায়নের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
  • পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: পরিবেশ ও বন খাতের নীতি, আইন, বিধিমালা এবং সরকারি প্রশাসনিক তদারকির দায়িত্ব পালন করে।
  • বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর: বন, বন্যপ্রাণী, সংরক্ষিত এলাকা এবং সংশ্লিষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও আইন প্রয়োগে কাজ করে।

আইনজীবী খোঁজা ও নিয়োগের পরবর্তী পদক্ষেপ

  1. প্রথম ১-২ দিনের মধ্যে: প্রকল্প বা বিরোধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিখুন। জমির অবস্থান, কার্যক্রম, দূষণের ধরন, নোটিশের তারিখ এবং প্রাপ্ত অনুমোদনের তালিকা তৈরি করুন।
  2. ২-৫ দিনের মধ্যে: পরিবেশ আইন, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রক্রিয়া এবং পরিবেশ আদালতের মামলায় কাজ করেন এমন কয়েকজন আইনজীবীর পরিচিতি যাচাই করুন। বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তি ও সংশ্লিষ্ট আদালতে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখুন।
  3. প্রথম বৈঠকের আগে: নোটিশ, ছাড়পত্র, নবায়নপত্র, জমির কাগজ, নকশা, পরিদর্শন প্রতিবেদন, ছবি, পরীক্ষার ফল এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চিঠিপত্র প্রস্তুত রাখুন।
  4. প্রথম বৈঠকে: আইনজীবীর কাছে সম্ভাব্য প্রতিকার, জরুরি সময়সীমা, প্রয়োজনীয় নথি, কারিগরি বিশেষজ্ঞের দরকার এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে লিখিত বা স্পষ্ট ব্যাখ্যা নিন।
  5. ৩-৭ দিনের মধ্যে: পরামর্শ, আবেদন, নোটিশের জবাব, শুনানি ও মামলা আলাদা করে ফি নির্ধারণ করুন। সরকারি ফি, পরীক্ষাগার ব্যয় এবং পরিবেশগত সমীক্ষার খরচ কে বহন করবে, তা চুক্তিতে লিখুন।
  6. জরুরি নোটিশ থাকলে: নোটিশে দেওয়া শেষ তারিখের অন্তত কয়েক কর্মদিবস আগে আইনজীবীর কাছে নথি দিন। সময় কম হলে লিখিত জবাব, সময় বৃদ্ধির আবেদন বা অন্তর্বর্তী প্রতিকারের প্রয়োজন আছে কি না, তা দ্রুত মূল্যায়ন করুন।
  7. নিয়োগের পর: অনুমোদন, শর্তপূরণ, নবায়ন, পরিদর্শন ও মামলার তারিখের জন্য একটি লিখিত সময়সূচি রাখুন। আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের ব্যক্তি, নথি সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদনও নির্ধারণ করুন।

আমাদের আইন পেশাজীবী ডিরেক্টরির মাধ্যমে Lawzana আপনাকে বাংলাদেশ-ভিত্তিক সেরা আইনজীবী ও ল ফার্ম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আইনজীবী ও ল ফার্মের ক্রমতালিকা ও বিস্তারিত প্রোফাইল থাকে, যাতে আপনি প্র্যাকটিস এরিয়া, পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স সহ, অভিজ্ঞতা ও ক্লায়েন্টদের মতামতের ভিত্তিতে তুলনা করতে পারেন।

প্রতিটি প্রোফাইলে থাকে ফার্মের প্র্যাকটিস এরিয়ার বিবরণ, ক্লায়েন্ট রিভিউ, টিম সদস্য ও পার্টনার, প্রতিষ্ঠার বছর, ব্যবহৃত ভাষা, অফিসের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি এবং প্রকাশিত আর্টিকেল বা রিসোর্স। আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশিরভাগ ফার্ম ইংরেজি বলে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের আইনি বিষয়েই অভিজ্ঞ।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক শীর্ষ রেটিংয়ের ল ফার্ম থেকে দর নিন, দ্রুত ও নিরাপদে, বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

দাবিত্যাগ:

এই পাতায় দেওয়া তথ্য কেবল সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, এটি আইনি পরামর্শ নয়। আমরা বিষয়বস্তুর নির্ভুলতা ও প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, তবে আইনি তথ্য সময়ের সাথে বদলাতে পারে এবং আইনের ব্যাখ্যাও আলাদা হতে পারে। নিজের পরিস্থিতির জন্য সবসময় একজন যোগ্য আইন পেশাজীবীর পরামর্শ নিন।

এই পাতার বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নেওয়া বা না নেওয়া কোনো পদক্ষেপের দায় আমরা নিই না। কোনো তথ্য ভুল বা পুরোনো মনে হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনে হালনাগাদ করব।

বাংলাদেশ-ভিত্তিক পরিবেশগত আইন ও কমপ্লায়েন্স ল ফার্ম শহর অনুযায়ী ব্রাউজ করুন

শহর বেছে নিয়ে আপনার খোঁজ আরও নির্দিষ্ট করুন।